শীতে খুশকির সমস্যা কমাতে নারিকেল তেলের দুই ব্যবহার



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চুলের যত্নে নারিকেল তেল অতুলনীয়। চুল পড়া, চুলের আগা ফাটা, চুল শুষ্ক হয়ে যাওয়া কিংবা খুশকির মতো জেদি সমস্যাতেও নারিকেল তেলের কাছেই সমাধান খুঁজতে হয়।

কিন্তু খুশকির সমস্যায় নারিকেল তেল ব্যবহার করে অনেককেই হতাশ হতে হয়। কারণ খুশকির সমস্যা দূর করার জন্য সঠিক নিয়মে নারিকেল তেল ব্যবহারের ধরণ সম্পর্কে অনেকেই জানেন না।

সবার সুবিধার জন্য ও খুশকির সমস্যাকে বিদায় জানাতে দুইটি কার্যকর উপায়ে নারিকেল তেলের ব্যবহারের বিশদ বিবরণ জানানো হল-

নারিকেল তেলের ডিপ কন্ডিশনিং

নারিকেল তেলের ডিপ কন্ডিশনিং শুষ্ক চুলকে কোমল করার পাশপাশি খুশকির সমস্যাকে দ্রুত কমিয়ে আনতে কাজ করবে। এর জন্য প্রয়োজন হবে ২-৩ টেবিল চামচ নারিকেল তেল (চুলের দৈর্ঘ্যের উপর ভিত্তি করে নারিকেল তেলের পরিমাণ কমবেশি হবে), উষ্ণ তোয়ালে ও মোটা দাঁতের চিরুনি।

প্রথমে চুল শ্যাম্পুর সাহায্য পরিষ্কার করে নিতে হবে এবং শ্যাম্পু ব্যবহারের পর কন্ডিশনার ব্যবহার করা যাবে না। এবারে মোটা দাঁতের চিরুনির সাহায্যে চুল আঁচড়ে ভেজা চুলের গোঁড়ায় নারিকেল তেল ম্যাসাজ করতে হবে। এভাবে পুরো মাথার চুলে নারিকেল তেল ম্যাসাজ করা হয়ে গেলে উষ্ণ তোয়ালের সাহায্যে পুরো মাথার চুল পেঁচিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। তোয়ালে উষ্ণ করার জন্য গরম পানিতে ভিজিয়ে এরপর পানি নিংড়ে নিতে হবে।

৩০ মিনিট হয়ে গেলে চুল শুকিয়ে নিতে হবে এবং এভাবে সারারাত চুল তেল রেখে দিয়ে পরদিন সকালে চুল শ্যাম্পু করে নিতে হবে। এই নিয়মে প্রতি সপ্তাহে একবার নারিকেল তেল ব্যবহার করতে হবে।

নারিকেল তেল ও লেবুর রসের মিশ্রণ

কিছু ক্ষেত্রে শ্যাম্পু ব্যবহারে আমাদের মাথার ত্বকের সাধারণ পিএইচ মাত্রায় তারতম্য ঘটে, যা থেকে উৎপত্তি হয় খুশকির সমস্যা। এক্ষেত্রে লেবুর রস নারিকেল তেলের মতোই উপকারী। এই ফলের রসে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড চুল ও মাথার ত্বকের pH এর মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে কাজ করে। এছাড়া লেবুর রসে থাকা ভিটামিন-সি হলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান, যা মাথার ত্বকের যেকোন ইনফেকশনের সমস্যা ভালো করতে কার্যকর। এ কারণে নারিকেল তেলের সাথে সঠিক পরিমাণ লেবুর রস মিশিয়ে ব্যবহার করলে খুশকির সমস্যায় কার্যকর উপকারিতা পাওয়া সম্ভব হবে।

এর জন্য দুই টেবিল চামচ নারিকেল তেল (চুলের দৈর্ঘ্যের উপর ভিত্তি করে নারিকেল তেলের পরিমাণ কমবেশি হবে) ও এক চা চামচ লেবুর রস মেশাতে হবে। এরপর শুষ্ক চুলের গোঁড়ায় এই মিশ্রণ ম্যাসাজ করে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে হারবাল শ্যাম্পুর সাহায্যে চুল ধুয়ে নিতে হবে।

পারফিউম ব্যবহারের সঠিক নিয়ম



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গরম, বর্ষা কিংবা শীত পছন্দের পারফিউম নিমেষে মনকে চাঙ্গা করে তুলতে পারে। এছাড়াও ঘামের দুর্গন্ধ দূর করে সারাদিন ফুরফুরে থাকতে ভরসা সেই পারফিউমতেই।

কিন্তু এই পারফিউম দিনের অর্ধেক যেতে না যেতেই ঘ্রাণ মিলিয়ে যায়। এই সমস্যা দূর করতে কয়েকটি উপায় মেনে চলুন। এতে অল্প পারফিউম ব্যবহারেও সারাদিন থাকবেন সুরভিত।

গোসলের পরে স্প্রে করুন

গোসলের ফলে ত্বকের লোমকূপ উন্মুক্ত থাকে। এই সময় পারফিউম স্প্রে করা হলে তা দীর্ঘক্ষণ সুবাস ছড়ায়। তাই গোসলের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পারফিউম স্প্রে করুন।

আর্দ্র ত্বক পারফিউম ভালো ধরে রাখে। তাই গোসলের পরে সরাসরি ঘ্রাণহীন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করে তার উপরে পারফিউম লাগান।

পাল্স পয়েন্ট

পাল্স পয়েন্ট বা শরীরের যেখানে যেখানে নাড়িরস্পন্দন পরীক্ষা করা যায় সেসব জায়গা উষ্ণ থাকে এবং এটা সুগন্ধ ছড়াতে সহায়তা করে। এসব স্থান আবৃত থাকায় একবারে সুগন্ধ না ছড়িয়ে ধীরে ধীরে ঘ্রাণ ছড়াতে সাহায্য করে।

ঘষে ব্যবহার করবেন না

পারফিউম লাগানোর পরে তা দুহাতের কব্জি দিয়ে ঘষে ব্যবহার করা একটা প্রচলিত ধারণা, এখান থেকে বের হয়ে আসতে হবে। পারফিউম লাগিয়ে তা ঘষা দিলে এর গঠন ভেঙে যায়।

ফলে সঠিক ঘ্রাণ পাওয়া যায় না। তাই হাতে পারফিউম লাগিয়ে হাত প্রসারিত করুন এবং নাড়ুন। এতে ত্বক প্রাকৃতিকভাবেই পারফিউমকে উষ্ণ করবে ও সুবাস ছড়াবে।

চুলে স্প্রে করা

পারফিউম দীর্ঘস্থায়ী করতে চুলে সামান্য স্প্রে করুন। চুলে পারফিউম ধরে রাখার অসাধারণ ক্ষমতা আছে। হেঁটে যাওয়ার সময় এটা দারুনভাবে ঘ্রাণ ছড়ায়।

পারফিউমতে অ্যালকোহল থাকে যা চুলকে শুষ্ক করে। তাই চুলে সামান্য পরিমাণে পারফিউম স্প্রে করতে হবে।

;

গরমে ঘর ঠান্ডা রাখবে যেসব ইনডোর প্ল্যান্ট



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলছে গ্রীস্মকাল। অতিরিক্ত গরমে আমরা সাধারণত ফ্যান কিংবা এসি ছেড়ে দেয়। এতে বিদ্যুৎ বিল বাড়ে আবার এগুলো পরিবেশ-বান্ধব ও নয়। সাশ্রয়ী মূল্যে এবং পরিবেশ বান্ধব উপায় যদি থাকত তবে তা দুর্দান্ত হত না? গরমে প্রাকৃতিক উপায়ে ঘর ঠান্ডা রাখতে পারেন ইনডোর প্ল্যান্ট লাগিয়ে।

গ্রীষ্মের সময় যে ইনডোর প্ল্যান্ট ঘরকে শীতল রাখবে—

স্নেক প্ল্যান্ট

স্নেক প্ল্যান্ট বেডরুমের জন্য উপযুক্ত। কারণ এই গাছটি অক্সিজেন শোষণ করে না। এটি অক্সিজেন নির্গত করে এবং ঘরকে শীতল ও সতেজ রাখে। এছাড়াও এই গাছটি সুচুল বাতাস থেকে টক্সিন অপসারণের জন্যও পরিচিত।

খেজুর

খেজুর, ফার্ন, পাম, তাল গাছের সবুজ পাতাগুলো কেবল দেখতে ভাল তাই নয়, এই গাছগুলো ক্ষুদ্র-অভ্যন্তরীণ ট্রপিক্যাল রেইন ফরেস্ট তৈরি করে। তাই গ্রীষ্মের সময় বাড়িতে ঠান্ডা অনুভূতি দেওয়ার উপযুক্ত উপায়। ঘর শীতল রাখতে যদি বড় ইনডোর প্লান্ট খুঁজেন তবে তাল গাছ সবচেয়ে ভালো।

অ্যালোভেরা

বাড়িতে অ্যালোভেরা থাকলে ঘর কেবল শীতলই থাকবে তা নয়। অ্যালোভেরায় রয়েছে প্রাকৃতিক ওষধি গুণ যা বিভিন্ন চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি বাতাসের তাপমাত্রা হ্রাস করে এবং ঘর গরম থেকে রক্ষা করে। অ্যালোভেরার গাছ উজ্জ্বল আলোতে ভালো হয়।

চাইনিজ এভারগ্রিন

এটি বাতাসের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে বাতাস পরিশুদ্ধ করার জন্য সুপরিচিত। এই গাছ অনেকগুলো একসাথে রাখলে নিজস্ব বায়ুমণ্ডলীয় বাস্তুতন্ত্র তৈরি করতে পারে।

মানি প্ল্যান্ট

মানি প্ল্যান্ট নামে পরিচিত, পোথোস একটি দুর্দান্ত ইনডোর প্লান্ট। কারণ এটি ঘরের বায়ু শীতল এবং বিশুদ্ধ রাখবে। এই গাছের পাতা বা কান্ড হলুদ হয়ে গেলে দ্রুত তা কেটে ফেলুন।

;

গ্রীষ্মকালে বাচ্চাকে সুস্থ রাখতে করণীয়



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রচণ্ড গরম ও রোদের কারণে এ সময় খাদ্য ও পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়। গরমকাল হলো সংক্রামক রোগ ছড়ানোর সময়। করোনা আতঙ্কের মাঝে অন্য কোনও রোগের আশঙ্কা নেই এমন নয়। বিভিন্ন ধরনের অসুখ হতে পারে শিশুদের। ফলে জেনে রাখা জরুরি এই সময়ে কোন কোন রোগ হতে পারে। শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন রোগের উপসর্গই বা কী?

বাড়ির শিশুদের দূরে রাখতে হবে কোন কোন রোগের প্রকোপ থেকে? জেনে নিন সেগুলো—

রাইনাইটিস অ্যালার্জি

গ্রীষ্মকালে জ্বর, সর্দি তো থাকেই। তবে জ্বর খুব অল্পেই বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই শিশুদের দিকে বেশি নজর রাখতে হবে।

গরমের র‌্যাশ

তাপ বাড়লে অনেক সময়েই লাল র‌্যাশ দেখা যায় শিশুদের শরীরে। বিশেষ করে কাঁধ, পিঠ, গলায়।

পরামর্শ

শিশুদের হাল্কা পোশাক পরান। নিজেদের কাজের জন্য বেরোতে হলেও ছোটদের নিয়ে বেরোবেন না। বাড়ি থেকে বেরোনো মানেই মাস্ক, পিপিই পরতে হবে। তাতে আরও কষ্ট হতে পারে।

শীতল খাবার খাওয়ান। লেবুর জল, ফলের রস, টক দই শরীর ঠান্ডা রাখবে। তাতে অন্যের থেকে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কাও কমবে।

বারবার গোসল না করালেও অবশ্যই ভালো ভাবে ঠান্ডা পানিতে কাপড় ভিজিয়ে গা মুছিয়ে দিন শিশুদের। দিনে একবার খুব ভালো ভাবে গোসল করান।

অল্প কোনো র‌্যাশ, কিংবা হাল্কা জ্বর জ্বর ভাব দেখলেই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

;

থ্যালাসেমিয়া: নিজে জানি, যত্নবান হই এবং অপরকে সচেতন করি



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
থ্যালাসেমিয়া

থ্যালাসেমিয়া

  • Font increase
  • Font Decrease

জনস্বাস্থ্য প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্য থ্যালাসিমিয়া একটি গুরুতর সমস্যা। এটি মূলত জীনগত ও জন্মগত একটি রক্তশূন্যতাজনিত রোগ। আক্রান্ত রোগীদের সারাজীবন চিকিৎসার উপর নির্ভরশীল থাকতে হয়। যেমন বারবার রক্ত পরিসঞ্চালন করা, আয়রন কমানোর ঔষধ সেবন ইত্যাদি। সামষ্টিক চিকিৎসা ব্যয় অনেক বেশি। যেহেতু বংশগত রোগ তাই পিতা ও মাতা উভয়েই যদি থ্যালাসিমিয়ার বাহক হন তবে অনাগত সন্তানের থ্যালাসিমিয়া রোগ হতে পারে। উল্লেখ্য যে বাহকের নিজের তেমন কোন শারীরিক সমস্যা থাকে না। তাই বাহক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বেশির ভাগ সময়েই সচেতনতা ও জ্ঞানের অভাব থাকে। অথচ রক্তের হিমোগ্লোবিন ইলেকট্রফরেসিস পরীক্ষার মাধ্যমে সহজেই নির্ণয় করা যায়।

দেশে শতকরা ১০-১২ ভাগ মানুষ থ্যালাসেমিয়া এবং হিমোগ্লোবিন-ই বাহক অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার ১.৫ কোটি মানুষ থ্যালাসেমিয়া রোগের জীন বহন করে। থ্যালাসেমিয়া একটি রক্তস্বল্পতা জনিত মারাত্মক বংশগত রোগ। বাবা এবং মা উভয়ই এই রোগের জীন বহন করলে সন্তানেরা এই রোগ নিয়ে জন্ম গ্রহণের সম্ভাবনা থাকে। বাংলাদেশে এখন এই সঠিক কোন তথ্য উপাত্ত নেই তবে বিভিন্ন গবেষণা হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বলা হয় দেশে প্রতি বছর ৮০০০-১৫০০০ শিশু থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ে জন্ম গ্রহণ করেন। আর এর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে।

থ্যালাসেমিয়া রোগ এই দেশ হতে নির্মূল করতে হলে সচেতনতা ছাড়া আর অন্য কোন বিকল্প নাই। সারা বিশ্বে থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে মানুষ কে সচেতন করে তোলার লক্ষে প্রতি বছর আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া ফেডারেশন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ৮ মে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস পালন করে আসছে। বিশ্বের অন্য সকল দেশের মত বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতিও ১৯৮৯ সালে যাত্রা শুরুর পর হতে প্রতি বছর বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস যথাযোগ্য ভাবে পালন করে আসছে। প্রতিবছরের ন্যায়ে এই বছর বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি ও হাসপাতাল, হেমাটোকেয়ার যৌথ উদোগ্য মাস ব্যাপী বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তোলার লক্ষে বিশেষ করে তরুণদের জন্য ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং দিনাজপুরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সেমিনার ও ফ্রি থ্যালাসেমিয়া বাহক নির্ণয় কর্মসূচি, ঢাকায় বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি হাসপাতালে স্থিরচিত্র প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী, স্বেচ্ছায় রক্ত দান কর্মসূচী ও জনপ্রচার অভিযান কার্যক্রমের আয়োজন করা হচ্ছে। থ্যালাসেমিয়া দিবসের কার্যক্রমকে আরো বেগবান করতে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি সাথে ইয়ুথ ক্লাব অব বাংলাদেশের তরুণরা নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়াও আজ বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি ও হাসপাতালে সকল রোগীদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।

থ্যালাসেমিয়াকে আমাদের দেশে হতে নির্মূল করতে হলে সচেতনতার কোন বিকল্প নেই। বিবাহের আগে প্রত্যেক তরুণ তরুণীর রক্তের একটি পরীক্ষা ( হিমোগ্লোবিন ইলেক্ট্রোফরসিস) করে জনে নিতে হবে সে থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক কিনা? বাহক নির্ণয়ের পাশাপাশি থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য দেশে পর্যাপ্ত ও উন্নত মানের চিকিৎসা ব্যবস্থার ব্যবস্থা করে হবে এবং মানুষ কে আরো সচেতন করতে হবে যাতে তারা তাদের বাহক নির্ণয় পরীক্ষা করে এবং বাহকে-বাহকে বিবাহ বন্ধ করে। মানুষকে সচেতন এবং থ্যালাসেমিয়া রোগীদের যথাপুযুক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা যাতে নিশ্চিত করা হয় এই লক্ষ্যে এই বছরের প্রতিপাদ্য – “ থ্যালাসেমিয়া: নিজে জানি, যত্নবান হই এবং অপরকে সচেতন করি।’’

এখনি সময় এই রোগ নিয়ে সকল মহলের যথাপুযুক্ত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে এবং আমাদের সকলকে মিলে থ্যালাসেমিয়া মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

;