ভাজা বনাম কাঁচা, যে বাদাম বেশি উপকারী



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বাদাম / ছবি: সংগৃহীত

বাদাম / ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাদাম অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর একটি খাবার। এতে রয়েছে প্রোটিন, উপকারী স্নেহ, ফাইবার, খনিজ উপাদানসহ অনেক পুষ্টি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। মিষ্টিজাতীয় খাবারসহ বিভিন্ন রান্নায় নানানরকম বাদাম ব্যবহার করা হয়। নাস্তা হিসেবে বাদাম এমনিতে আস্তও খাওয়া যায়। বাদাম অনেকে হালকা ভাজা বা রোস্টেড বাদাম খেতে পছন্দ করেন। চিকিৎসকরাও প্রতিদিন অল্প করে হলেও, বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দেন।

রোস্টেড বাদাম খুব জনপ্রিয় একটি নাস্তাজাতীয় খাবার। বেশিরভাগ বাদাম খোসা থেকে ছাড়িয়ে তারপর ভাজা হয়। তবে চিনা বাদাম খোসাসহই ভাজা হয়ে থাকে। বাদাম সাধারণত দু’ভাবে রোস্ট করা যায়। প্রথম হচ্ছে তেলে ভাজা এবং অন্যটি হলো আঁচে ভাজা।

তেল, ঘি বা মাখন দিয়ে কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, পেস্তাবাদাম ইত্যাদি ভেজে খাওয়া হয়। অনেক সময় বিভিন্ন বাদাম মাক্রোওভেন বা চুলাতেই তেল ছাড়া শুধু আঁচে ভাজা হয়। মূলত কাঁচা বাদামকে ভাজা হয় এর স্বাদে কিছুটা ভিন্নতা এবং মচমচে ভাব আনার জন্য। ভাজার পর বাদামের রঙও কিছুটা পরিবর্তন হয় আর আর্দ্রভাব কমে গিয়ে একটু ক্রিস্পি বা মচমচে স্বাদ আসে।

অনেকেই ভাবেন বাদাম কাঁচা খাওয়া বেশি ভালো নাকি ভাজা? বাদাম ভাজার কারণ এর পুষ্টিগুণ আবার কমে যায় কিনা! জেনে নেওয়া যাক ভাজা আর কাঁচা বাদামের পার্থক্য-

১. স্বাদ এবং রঙে পরিবর্তন থাকলেও বাদাম যেকোনো ভাবে খাওয়াই অনেক উপকারী। যদিও ভাজা বাদামে তেল ও ক্যালরির পরিমাণ একটু বেশি থাকে। তবে পার্থক্য খুবই নগণ্য।

 ২. বাদামে প্রচুর মনোআনস্যাচুরেটেড এবং পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। এসব ফ্যাট রক্তে কোলেস্টেরল কমিয়ে হৃদয়কে সুরক্ষিত রাখে। কিছু পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট তাপের সংস্পর্শে আসলে নষ্ট হয়ে যায়। বিশেষ করে অনেক্ষণ ধরে রান্না করা বা উচ্চ তাপে ভাজা বাদামে এসব উপাদান ক্ষতিগ্রস্থ এবং অক্সিডাইজ হয়ে যায়।

৩. ভিটামিন ‘ই’,  ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস- এসব উপাদানের উত্তম উৎস হলো বাদাম। এসব উপাদান তাপের প্রতি সংবেদনশীল। এরফলে তাপ দেওয়া বাদামের এসব উপাদান হারিয়ে যেতে পারে।

৪. ভাজা বাদামে যে অনন্য স্বাদ, রঙ এবং গন্ধ থাকে তা মেলার্ড নামক রাসায়নিক যৌগ গঠন করতে পারে। এই মেলার্ড অ্যামিনো অ্যাসিড অ্যাসপারাজিন এবং বাদামের গ্লুকোজের মধ্যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

তথ্যসূত্র: হেলথলাইন

কার গয়না পরে বিয়ে করলেন রাধিকা, জানলে অবাক হবেন



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
রাধিকা মার্চেন্ট

রাধিকা মার্চেন্ট

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানির ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা মার্চেন্টের বিয়ের ধুম যেন কিছুতেই শেষ হচ্ছে না। আম্বানিদের এই মেগাবাজেটের বিয়ের লাল গালিচায় শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই পা ফেলেছে হলিউড-বলিউডের সব রথী মহারথীরা। বিভিন্ন সাজ, পোশাক-আশাকে বিয়েতে আসা অতিথিদের চমকে দেন তারা।


তবে যাদের জন্য এই মহা আয়োজন সেই আম্বানি পরিবারের ছোট পুত্রবধূ রাধিকা মার্চেন্ট এর সাজও ছিল নজরকারা, চোখ ধাঁধানো। তবে রাধিকা বিয়েতে যে গয়না পড়েছেন তার কাহিনী হয়তো অনেকেই জানেন না।

বিয়েতে বিখ্যাত ডিজাইনার আবু জানি সন্দীপ খোসলার লেহেঙ্গা পড়লেও রাধিকার বিয়ের গয়নাতে সবার চোখ আটকে যায়। কারণ বিয়ের দিন রাধিকা কোন ডিজাইনারের গয়না নয় বরং তার বোন অঞ্জলি মার্চেন্টের গয়না পরেছিলেন। মার্চেন্ট পরিবারে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নিজেদের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এসব গয়না দিয়েই তারা বিয়েতে সাজেন। এটাই তাদের পরিবারের রীতি। রাধিকাও তাই নিজেকে পারিবারিক সূত্রে পাওয়া গয়নাতেই নিজেই সজ্জিত করেছেন।


বিয়েতে রাধিকার গলায় একটি চোকার নেকলেস দেখা যায় । তার সঙ্গে পোলকি কানের দুল, টিকলি এবং ম্যাচিং হাতের ফুল। এগুলো ছাড়াও রাধিকা একটি চোখ ধাঁধানো হিরা এবং পান্নার নেকলেস, কড়া, চুড়ি এবং কালীরা পরেছিলেন।

জানা যায়, রাধিকা যে নেকলেসটি পরেছেন সেটি ২০২০ সালে বিয়েতে তার বোন অঞ্জলি মার্চেন্টও পড়েছিলেন। এমনকি এই গয়নাগুলো তাদের মা এবং তাদের নানীও পড়েছিলেন তাদের বিয়ের সময়।

;

প্রথমবার মা হয়েছেন? শিশুর যত্নে মেনে চলুন এই বিষয়গুলো



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
প্রথমবার মা হয়েছেন? শিশুর যত্নে মেনে চলুন এই বিষয়গুলো/ ছবি: সংগৃহীত

প্রথমবার মা হয়েছেন? শিশুর যত্নে মেনে চলুন এই বিষয়গুলো/ ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতিটি নারীর কাছেই মাতৃত্বের আবেদন আবেগঘন। সেটা যদি প্রথমবারের জন্য হয় তাহলে তো আর কথাই নেই। আনন্দের মাত্রা তখন দ্বিগুণ হয়ে যায়। সব মা-ই চায় তার সন্তানকে যত্ন সহকারে আগলে রাখতে। ছোট ছোট প্রতিটি বিষয়ে মাকে নিতে হয় বাড়তি যত্ন। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় বাবা-মায়ের অবহেলা কিংবা অসাবধানতার কারণে বাচ্চাদের নানা রকম সমস্যায় পড়তে হয়। যা শিশুর বেড়ে উঠায় বাধার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

আপনি যদি নতুন মা হয়ে থাকেন এবং প্রথমবারের মতো এই দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন, তাহলে এই প্রতিবেদনটি আপনার জন্য। শিশুর যত্ন নেওয়ার সময় আপনাকে অবশ্যই এসব বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

চোখে কাজল লাগাবেন না

প্রায়শই বয়স্করা বলেন যে, শিশুদের চোখে কাজল লাগাতে হবে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কাজল শিশুর চোখে সমস্যা তৈরি করতে পারে। আসলে কাজল লাগালে চোখের কোণে থাকা টিয়ার নালি আটকে যাওয়ার ভয় থাকে এবং এতে ধুলো-ময়লাও লেগে যেতে পারে, যা অ্যালার্জির কারণ হয়। তাই শিশুর চোখে কাজল লাগানো এড়িয়ে চলুন।

ছয় মাস পর্যন্ত শিশুকে শুধু মায়ের দুধ দিন

কেউ কেউ চার-পাঁচ মাস থেকে শিশুকে জল ও শক্ত খাবার দেওয়া শুরু করে, যেখানে ছয় মাস পর্যন্ত মায়ের দুধই শিশুর পুষ্টির জন্য যথেষ্ট। বুকের দুধ খাওয়াতে সমস্যা হলে বা দুধ উৎপাদন না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তবে মায়ের বিশেষ কোনও শারীরিক অসুখ থাকলে বা মায়ের দুধ শিশু হজম করতে না পারলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে দিন।

সব সময় ডায়াপার পরাবেন না

ছোট বাচ্চাদের ঘন ঘন প্রস্রাব হয় এবং এর জন্য তাদের ডায়াপার পরানো হয়। তবে একেবারে ছোট শিশুকে বেশিক্ষণ ডায়াপার পরিয়ে রাখা উচিত নয়। এছাড়া কয়েক ঘণ্টা পর পর ডায়াপার পরিবর্তন করা জরুরি। ডায়াপারের বদলে তুলো বা সুতি বা যে কোনও নরম কাপড়ের তৈরি ন্যাপি পরান। একটানা ডায়াপার পরলে ত্বকে ফুসকুড়ি হতে পারে।

সাবধানে শিশুর জিনিস কিনুন

নবজাতক শিশুর ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই শ্যাম্পু, বডি ওয়াশ, বডি ম্যাসাজ অয়েল, লোশনের মতো পণ্য খুব সাবধানে কেনা উচিত। কোনটি শিশুর জন্য ঠিক হবে, সে বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এছাড়া পণ্যগুলি কেনার সময় মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ এবং উপাদানগুলি পড়ে নিন। প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি এমন পণ্য কেনার চেষ্টা করুন।

এই ছোট বিষয়গুলিতে যত্ন নিন

নবজাতক শিশুকে স্পর্শ করার আগে হাত ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। ঘরে যদি ছোট বাচ্চা থাকে, তবে হাত-পা ধুয়ে বাচ্চাকে কোলে নিন এবং সর্বক্ষণ নজর রাখুন। এছাড়া শিশুর যাতে ঠান্ডা না লাগে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। শিশু খুব কান্নাকাটি করলে সেটা ক্ষিধের জন্য নাকি পেটে গ্যাসের কারণে তা জানার চেষ্টা করুন। খাওয়ানোর পরে, শিশুটি তার পিঠে হালকাভাবে চাপ দিলে স্বস্তি পায়, অস্বস্তি বোধ কমে।

সূত্র: টিভি৯ বাংলা  

;

ইশা আম্বানির লেহেঙ্গায় প্রাচীন মূদ্রা-অলঙ্কার আর সংস্কৃত শ্লোক



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
ইশা আম্বানির এই লেহেঙ্গা উঠে এসেছে আলোচনায়

ইশা আম্বানির এই লেহেঙ্গা উঠে এসেছে আলোচনায়

  • Font increase
  • Font Decrease

গত কয়েক মাস ধরে চলছে এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানির ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানি ও রাধিকা মার্চেন্ট বিয়ের আয়োজন। অবশেষে আজ শুক্রবার মুম্বাইয়ের জিও ওয়ার্ল্ড কনভেনশন সেন্টারে বসছে তাদের বিয়ের মূল আসর। তিন দিন ধরে চলবে এ বিয়ের উৎসব। শুভবিবাহ দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হবে তাদের। এরপর ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে শুভ আশীর্বাদ। আর ১৪ জুলাই উৎসব বা রিসেপশন অনুষ্ঠিত হবে।

তার আগে দুটি প্রাক বিবাহ অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে সঙ্গীত ও হলুদের অনুষ্ঠান হয়েছে। প্রতিটি অনুষ্ঠানে আম্বানি পরিবারের সদস্যদের ছবি উঠে আসছে আলোচনায়। বিশেষ করে তাদের সাজ পোশাক নিয়ে চলছে তুমুল চর্চা।

ইশা আম্বানির এই লেহেঙ্গা উঠে এসেছে আলোচনায়

এবার ছোট ভাইয়ের হলুদ অনুষ্ঠানে পরা আম্বানি পরিবারের আদরের কন্যা ইশা আম্বানির ল্যাহেঙ্গা উঠে এসেছে আলোচনায়।

দুদিন আগে অনুষ্ঠিত এই হলুদ অনুষ্ঠানে ইশা বিশেষ এক লেহেঙ্গায় সাজেন। বেশিরভাগ অনুষ্ঠানেই আম্বানি পরিবারের নারীরা জনপ্রিয় ফ্যাশন ডিজাইনার মানিষ মালহোত্রার ডিজাইন করা পোশাক পরলেও ইশা এদিন বেছে নিয়েছিলেন তুলনামূলক কম পরিচিত একটি ব্র্যান্ডের লেহেঙ্গা।

ইশা আম্বানির এই লেহেঙ্গা উঠে এসেছে আলোচনায়

তিনি পরেছিলেন দিল্লী ভিন্টেজ কোম্পানি নামের একটি ব্যান্ডের এক্সক্লুসিভ ডিজাইন করা লেহেঙ্গা। এই ব্র্যান্ডের ইন্সটাগ্রাম পেজে ইশার দারুণ ছবিসহ উঠে এসেছে সেই লেহেঙ্গার বর্ননা।

ব্র্যান্ডের সূত্রে জানা যায়, ইশার জন্য এমন একটি পোশাক তৈরি করার আইডিয়া ছিল যা ঐতিহ্যগত এবং সাংস্কৃতিকভাবে শক্তিশালী। একইসঙ্গে আবেদনের দিক দিয়ে তা হতে হবে খুব আধুনিক। লেহেঙ্গায় নিপুণ কারুকাজের মাধ্যমে উঠে এসেছে গাছের মোটিফ, যার নিচে বিশ্রাম নিচ্ছে ষাড়েরা! একপাশে মন্দির এবং চারদিকে পাখি।

ইশা আম্বানির এই লেহেঙ্গা উঠে এসেছে আলোচনায়

শৈল্পিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর, বিভিন্ন সেলাই কৌশলের ও নিখুত জারদোসির কাজ ব্যবহার করে একটি ভিন্টেজ লুক দেয়া হয়েছে লেহেঙ্গায়। সঙ্গে রয়েছে প্রাচীন মুদ্রা এবং অন্যান্য অলঙ্কার দিয়ে করা ডিজাইনর। তবে এই লেহেঙ্গার সবচেয়ে বিশেষত্ব হলো- এতে ‘কর্ম্মণে বাধিকারস্তে, মা ফলেষু কদা চনা’ নামের একটি সংস্কৃত শ্লোক ব্যবহার করা হয়েছে। যার অর্থ- আপনার কর্ম সম্পাদনের অধিকার আপনার আছে, কিন্তু কর্মের ফল পাওয়ার অধিকারী আপনি নন। পোশাকটি তৈরি করতে একজন মানুষের মোট ৪০০০ ঘন্টা সময় লেগেছে।

;

ডায়বেটিস রোগীরা ভাত খেতে পারবেন যেভাবে



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ডায়বেটিস রোগী এবং ভাত / ছবি: সংগৃহীত

ডায়বেটিস রোগী এবং ভাত / ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ডায়বেটিস বর্তমানে সময়ে খুবই আশঙ্কাজনক একটি সমস্যায় পরিণত হচ্ছে। ডায়বেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা সারা বিশ্ব জুড়েই বেড়ে চলেছে। এই সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের ভাত না খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। এতে সমস্যায় পড়েন ভাত-প্রেমীরা।

বাঙালিদের সাধারণত ভাত না হলে চলেই না! প্রবাদেই রয়েছে মাছে-ভাতে বাঙালি। তাই ভাত না খেলে অনেকেরই তৃপ্তি হয় না। কিন্তু ডায়বেটিস আছে যাদের, তাদের ভাত খাওয়ার কোনো উপায় নেই। তবে একটি পদ্ধতি অবলম্বন করলে, ডায়বেটিসে আক্রান্তরাও নিশ্চিন্তে ভাত খেতে পারবেন। এমনটিই জানিয়েছেন, ভারতীয় গণমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।’ 

ভারতীয় ডায়েটিশিয়ান সুইডাল ত্রিনিদাদ গণমাধ্যমটির একটি প্রতিবেদনে জানান, ‘ ভাতের সঙ্গে সামান্য ঘি মিশিয়ে নিলে ডায়বেটিস রোগীরা উপকার পাবেন। ঘি এর মধ্যে উপকারী ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা শর্করা হজমের ক্ষমতাকে ধীর করে ফেলে। এছাড়া রক্তে হঠাৎ করে চিনি মাত্রা বেড়ে ওঠোও প্রতিহত করতে পারে। তাছাড়া ঘি যোগ করার মাধ্যমে ভাতের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কমিয়ে আনা যায়।’

এই প্রসঙ্গে ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান জি. সুষমা বলেন, ‘চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন অর্থাৎ ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে রয়েছে ঘি-তে। ভাতের সাতে ঘি খেলে অন্যান্য খাবার থেকে পুষ্টি শোষণ মাত্রাকে প্রভঅবিত করতে পারে। ঘিয়ের মধ্যে বাটিরেট থাকে। এটি হলো এমন একটি শর্ট চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড যা অন্ত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিপাকীয় ক্রিয়াতেও বেশ প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে পরোক্ষভাবে রক্তের শর্করার পরিমাণের উপর প্রভাব পড়ে।      

তবে বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন,‘ এই সমাধান সকলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নাও হতে পারে। বিশেষ করে যাদের রক্তে শর্করা অনিয়ন্ত্রিত তাদের ঘি খাওয়া উচিত নয়। কারণ, ঘি‘য়ের মধ্যে থাকার স্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ মাত্রাকে আরও অনিয়ন্ত্রিত করে ফেলতে পারে। এছাড়াও, যাদের হৃদরোগও রয়েছে তাদের জন্যও ঘি খাওয়া সমাধান সুবিধাজনক নয়।’

‘ এছাড়া ক্যালরির পরিমাণ বাড়া, ওজন নিয়ন্ত্রণে বাধা ইত্যাদি আরও বাড়তি সমস্যা যোগ হওয়ারও সম্ভাবনা থাকে প্রতিদিন ঘি খেলে। দুগ্দজাত খাবারে যাদের এলার্জি আছে তাদেরও ঘি খাওয়া উচিত নয়। ঘি উপকারী একটি খাবার বটে। তাই বলে, বাধছাড়া নিয়মেও ঘি খাওয়া যাবে না। প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে ঘি খাওয়া উপকারী। মাত্রাতিরিক্ত খেলে নানান রোগ বাসা বাধতে পারে। আধা কাপ ভাতের সাথে ১ চা চামচ এর বেশি ঘি খাওয়া উচিত নয়। তবে ডায়বেটিস রোগীরা কেবল ভাতের সাথে  ঘি খেলেই চলবে না, নিয়মিত শরীরচর্চা চালিয়ে যেতে হবে।’             

;