রাজপথে নৌকায় ঘুরছেন সিদ্দিক মিয়া

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নৌকা নিয়ে রাজপথে ঘুরছেন সিদ্দিক মিয়া/ ছবি: বার্তা২৪.কম

নৌকা নিয়ে রাজপথে ঘুরছেন সিদ্দিক মিয়া/ ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের ২১তম সম্মেলনকে কেন্দ্র করে তৃণমূল নেতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী কর্মীরা এসেছেন রকমারি সাজে। এরই ধারাবাহিকতায় নেত্রকোনার সিদ্দিক মিয়া ঢাকার রাজপথ ঘুরে বেড়াচ্ছেন নৌকায় বসে।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন টিএসসি মোড়ে দেখা মেলে ৭২ বছর বয়সী সিদ্দিক মিয়ার সঙ্গে। কৌতূহলী মানুষ ভিড় করছেন তার ভ্যানের সামনে।

দুই সন্তানকে নিয়ে ঘুরছেন সিদ্দিক

দুই সন্তান আশিক আর আরিফকে সঙ্গে নিয়ে ভ্যানের উপর নৌকা বানিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে উপস্থিত হন তিনি। এটাই তার নেশা ও ভালোলাগা। এরই ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনেও হাজির হয়েছেন এই কর্মী। গায়ে ময়লা হয়ে যাওয়া সাদা পাঞ্জাবি। তার উপরে মুজিব কোট পরতে ভুলেননি সিদ্দিক মিয়া। ৮-১০ বছর বয়সী দুই সন্তানকেও একইভাবে সাজিয়ে এনেছেন। দুজনের হাতে দুটি বৈঠা। ভ্যানের উপরে নৌকা রাখা। নৌকার হাল ধরেছেন সিদ্দিক মিয়া নিজেই। ভ্যান চালিয়ে রাজপথ ধরে এগিয়ে চলেছেন। গন্তব্য সম্মেলন স্থল। ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট।

ভ্যান চালিয়েই নেত্রকোনা থেকে ঢাকায় এসেছেন তিনি। সম্মেলন শেষ হলে আগামীকাল আবার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিবেন। এভাবেই দেশের বিভিন্ন স্থান ঘুরে বেড়ান আওয়ামী লীগের এই স্বেচ্ছাকর্মী।

সারাদেশের সব সম্মেলনে যান সিদ্দিক তার সন্তানদের নিয়ে

তিনি জানান, কৃষি কাজ করে সংসার চলে। ছয় সন্তানের জনক তিনি। ২০১৩ সালে ৩১ হাজার টাকা খরচ করে ভ্যানের উপরে নিজ উদ্যোগে এই নৌকা বানিয়ে ছিলেন।

সিদ্দিক মিয়া বলেন, ১৯৭৪ অথবা ৭৫ ঠিক মনে নেই। নেত্রকোনা সরকারি কলেজে সমাবেশের সময় জনতার ভারে স্কুলের ছাদ ধসে পড়ে আমার মাথায় ও পায়ে আঘাত লেগেছিল। ওই সমাবেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। তখন নেতাকর্মীরা আমাকে ধরে উনার সামনে নিয়ে যান। তখন আমি পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ি। এ সময় বঙ্গবন্ধু আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বলেছিলেন, ওরাই আসল দেশপ্রেমী। একদিন ওরা নেতা হবে। তখন আমি তার সঙ্গে হ্যান্ডশেক করেছিলাম। বঙ্গবন্ধু এবং আওয়ামী লীগের প্রতি ভালোবাসা থেকেই আমার এই উদ্যোগ। সে সময় ক্যামেরার প্রচলন এতটা ছিল না বলে সেই স্মৃতি ধরে রাখতে পারিনি। তাই সন্তানদেরকে নিয়ে আসি। যেন ওদের স্মৃতিটা এখন ধরে রাখতে পারি।

নৌকার হাল ধরে আছেন সিদ্দিকের দুই ছেলে

সিদ্দিক মিয়ার বর্তমান ইচ্ছার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এখন আমার একটাই ইচ্ছা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সঙ্গে অন্তত একবার সাক্ষাত করতে পারি। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে হ্যান্ডশেক করেছিলাম তার কন্যার সঙ্গেও একবার হ্যান্ডশেক করতে চাই। এটাই আমার একমাত্র ইচ্ছা। আমি কোন সাহায্য সহযোগিতা চাই না। তবে আমি কোনো সুপারিশের মাধ্যমেও উনার সামনে যেতে চাই না। যদি কখনো কোনো খবরের কাগজে বা কোথাও আমার সংবাদ দেখে তিনি আমাকে উনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ করে দেন তবেই আমি গিয়ে উনার সঙ্গে সাক্ষাত করে আসবো।

   

সৈয়দপুরে গোপন বৈঠক থেকে জামায়াতের ৩ নেতা আটক



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নীলফামারী
সৈয়দপুরে গোপন বৈঠক থেকে জামায়াতের ৩ নেতা আটক

সৈয়দপুরে গোপন বৈঠক থেকে জামায়াতের ৩ নেতা আটক

  • Font increase
  • Font Decrease

নীলফামারী সৈয়দপুরে গোপন বৈঠক থেকে জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদকসহ তিন নেতাকে আটক করেছে থানা পুলিশ।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল)সকালে শহরের ধলাগাছের আমিরের বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- নীলফামারী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সৈয়দপুর কামারপুকুর এলাকার মৃত মাওলানা গোলাম কিবরিয়ার ছেলে মাজহারুল ইসলাম(৫২), সদরের উকিলপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে এ্যাড.আব্দুল ফারুক আল লতিফ( ৫৩), সৈয়দপুর ডাংগা পাড়া স্বাসকান্দ এলাকার মৃত আব্দুল বসুনিয়ার ছেলে খয়রার হোসেন বসুনিয়া (৫৩)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;

‘বিনা কারণে কারাগার বিএনপির নেতাকর্মীদের স্থায়ী ঠিকানা হয়ে গেছে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বিনা কারণে কারাগার এখন বিএনপির নেতাকর্মীদের স্থায়ী ঠিকানা হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জিয়া প্রজন্মদল কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক আয়োজিত বিএনপির সকল রাজবন্দীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপির জন্য দিনের আলো যেনো নিষিদ্ধ। বিএনপির নেতাকর্মীরা মুক্ত বাতাস গ্রহণ করা থেকে নিষিদ্ধ। এদেরকে সবসময় কারাগারে থাকতে হয়। বিনা কারণে কারাগার এখন বিএনপির নেতাকর্মীদের স্থায়ী ঠিকানা হয়ে গেছে। বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে কারাগারে ঢুকানো, ধরে ফেলা এই কর্মসূচি যেন শেখ হাসিনার শেষই হচ্ছে না। আমার মনে হয় তিনি (শেখ হাসিনা) একটা আতঙ্কের মধ্যে ভুগছেন। এর কারণ হলো, তিনি (শেখ হাসিনা) জানেন তার কোনো জনসমর্থন নেই। জনসমর্থন না থাকলে সেই সরকাররা প্রচণ্ড স্বেচ্ছাচারী হয়, ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠে এবং জনগণের আওয়াজ পেলেই তারা নিপীড়নভাবে সেটাকে দমন করে।

তিনি বলেন, বিএনপির ২৫ থেকে ২৬ হাজার নেতাকর্মী একটা ডামি নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রায় চারমাস কারাগারে ছিলেন। কয়েক হাজার নেতাকর্মী এখনো কারাগারে বন্দী রয়েছে। এর জবাব কি শেখ হাসিনা দিতে পারবেন? এর জবাব যদি শেখ হাসিনা দিতে পারতেন তাহলে তিনি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন দিতেন। শেখ হাসিনা যেভাবেই হোক ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়। তিনি (শেখ হাসিনা) আজকে বলেছেন, ‘রাজবন্দী কেউ নেই ; রাজনৈতিক কারণে কেউ বন্দী নেই। যারা বন্দী রয়েছে তারা বিভিন্ন মামলার আসামি।’

শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির এই সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী; রাজবন্দী নামে কোনো শব্দ কি আইন গ্রন্থে লেখা আছে? রাজনীতি যারা করে তাদেরকে কারাগারে বিভিন্ন মামলা দিয়েই ঢুকানো হয়। এ রীতি ব্রিটিশ আমল থেকেই চলে আসছে। আপনার বাবা পাকিস্তান আমলে অনেকবার জেলে গিয়েছে। সেখানে আপনার বাবা যে রাজনৈতিক কারণে জেলে গিয়েছে সে কথা লেখা নেই। গাফফার চৌধুরীর একটা লেখা পড়ে জানতে পেরেছি, পাকিস্তান আমলে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ১৭টা দুর্নীতির মামলা দিয়েছিল আইয়ুব খান। কিন্তু, সারাদেশের মানুষ মনে করতো শেখ মুজিবসহ যারা রাজবন্দী রয়েছে তাদের নামে বিভিন্ন মামলা দিয়েই মুলত কারাগারে ঢুকানো হয়। উপমহাদেশে এরকমভাবে অনেকেই কারাগারে গিয়েছেন। মহাত্মা গান্ধীসহ আরও অনেকেই কারাগারে গিয়েছেন। কিন্তু কোথাও রাজনৈতিক কারণে কারাগারে গিয়েছে সেটা লেখা থাকে না। যারা কায়েমি শাসক গোষ্ঠী তারা বিভিন্ন ধরনের অপরাধ দিয়ে তাদের নাম দেয়। আপনি বলছেন তারা (বিএনপির নেতাকর্মী) বিভিন্ন মামলার আসামি। গোটা জাতি মনে করে আপনি ষড়যন্ত্র করে আন্দোলনকামী, গণতন্ত্রকামী, যারা সত্যকথা বলে তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন নাশকতার মামলা, মিথ্যা মামলা দিয়ে আপনি তাদেরকে কারাগারে বন্দী করে রেখেছেন।

শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, আপনার নামে যে ১৫টি মামলা ছিল। সেগুলো কি রাজনৈতিক কোনও মামলা ছিল? সেগুলো দুর্নীতির মামলা ছিল। আপনি ক্ষমতার জোরে সেটি বাতাসে উড়িয়ে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী আপনাকে বলে রাখি, প্রত্যেকটা জিনিসের রেকর্ড আছে।

জিয়া প্রজন্মদল কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান এডভোকেট পারভীন কাউসার মুন্নীর সভাপতিত্বে এবং জিয়া প্রজন্মদল কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব মো. সারোয়ার হোসেন রুবেলের সঞ্চালনায় অবস্থান কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহবায়ক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, বিএনপির সেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী শফু, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির প্রমুখ।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;

উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের মন্ত্রী–সংসদ সদস্যদের স্বজনদের নির্বাচনে অংশ না নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। নির্দেশনায় মন্ত্রী-সাংসদদের সন্তান, পরিবারের সদস্য ও নিকটাত্মীয়দের সরে দাঁড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক ও উপদপ্তর সম্পাদকদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বৈঠকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলটির দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক ও উপদপ্তর সম্পাদক। এতে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার কঠোর নির্দেশনার কথা দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের জানান দলটির সাধারণ সম্পাদক। এ সময় তিনি উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হতে চাওয়া মন্ত্রী ও সাংসদদের স্বজনদের তালিকা করারও নির্দেশনা দেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচন প্রভাব মুক্ত রাখার যে কঠোর নির্দেশনা তা সবাইকে তিনি অবগত করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বার্তা২৪.কমকে বলেন, বৈঠকে আমাদের সাধারণ সম্পাদক মন্ত্রী-সাংসদদের সন্তান, ভাই বা নিকটাত্বীয়রা উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী যেনো না হয় তা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা আমাদের জানিয়েছেন।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;

ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে বিএনপির প্রতিনিধি দলের বৈঠক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর বারিধারায় ব্রিটিশ হাইকমিশনারের কার্যালয়ে বিএনপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামা ওবায়েদ অংশ নেন। ব্রিটিশ হাইকমিশন বাংলাদেশের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

ওই পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়, বিএনপির রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে করেছেন সারাহ কুক।

এ বিষয়ে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, দুপুরের দিকে বৈঠক হয়েছে বলে আমি জানি। তবে, বৈঠকের বিষয়বস্তু সম্পর্কে কিছু জানা নেই।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;