নৌকার বৈঠা শেখ হাসিনা-কাদেরের হাতে

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯


নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদের/ছবি: সংগৃহীত

কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদের/ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ হাসিনা পুনরায় আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। দ্বিতীয় মেয়াদে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন ওবায়দুল কাদের। ২১ তম জাতীয় সম্মেলনের কাউন্সিল অধিবেশনে আগামী তিন বছরের জন্য এই দায়িত্ব পেলেন শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদের।

এ নিয়ে টানা নবম বারের মতো আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হলেন শেখ হাসিনা। ১৯৮১ সাল থেকে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে আছেন। ৩৮ বছর ধরে তিনি এই দায়িত্ব পালন করছেন। এদিকে এর আগে ২০১৬ সালে আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিত ২১তম কাউন্সিলে তাদের নাম ঘোষণা করা হয়।  

কাউন্সিলে শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন সভাপতিমণ্ডলির সদস্য আব্দুল মতিন খসরু। এ সময় তার প্রস্তাব সমর্থন করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য পীযুষ কান্তি ভট্টাচার্য। সর্বসম্মতিক্রমে ৩ বছরের জন্য সভাপতি পদে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন শেখ হাসিনার নাম ঘোষণা করেন। 

এর আগে সাধারণ সম্পাদক পদে ওবায়দুল কাদেরের নাম প্রস্তাব করেন বিগত কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক। এ সময় তার প্রস্তাব সমর্থন করেন বিগত কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রহমান। পরে সর্বসম্মতিক্রমে তা পাস করেন কাউন্সিলররা।

অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনের নেতৃত্ব ড. মশিউর রহমান ও প্রফেসর সাইদুর রহমানের গঠিত কমিশন আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব নির্বাচনের কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এক নজরে শেখ হাসিনা-ওবায়দুল কাদের:

শেখ হাসিনা:

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের ৫ সন্তানের মধ্যে জ্যেষ্ঠ শেখ হাসিনা। গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন তিনি। শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সরকারি ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজের ছাত্রসংসদের সহসভাপতি ছিলেন। তিনি এই কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং পরের বছর সভাপতি ছিলেন। শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের একজন সদস্য এবং ছাত্রলীগের রোকেয়া হল শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই শেখ হাসিনা সকল গণআন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা সে সময় পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করায় বেঁচে যান। পরবর্তীকালে তিনি রাজনৈতিক আশ্রয়ে ৬ বছর ভারতে অবস্থান করেন। ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাকে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ছয় বছরের নির্বাসিত জীবন শেষ করে অবশেষে তিনি ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে আসেন।

১৯৯৬ সালের ২৩ জুন তিনি প্রথম বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন। তার নেতৃত্বধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সে বছরের ১২ জুনের সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছিল। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিজয়ী হন তিনি। ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি শেখ হাসিনা তৃতীয়বারের মতো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পর ৭ জানুয়ারি ২০১৯ শেখ হাসিনা চতুর্থবারের মত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে শেখ হাসিনা সরকারের সাফল্যগুলোর মধ্য ছিল- ভারতের সঙ্গে সাথে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা নদীর পানি চুক্তি, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি, যমুনা নদীর উপর বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণ এবং খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ং-সম্পূর্ণতা অর্জন। ২০০৯-২০১৯ সাল পর্যন্ত এক দশকে প্রবৃদ্ধি অর্জন, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সামুদ্রিক জলসীমা বিরোধের নিষ্পত্তি, ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ, কমিউনিটি ক্লিনিক এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন করাসহ গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার।

ওবায়দুল কাদের:

নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানার বড় রাজাপুর গ্রামে ১৯৫০ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন ওবায়দুল কাদের। বাবা মোশারফ হোসেন ছিলেন শিক্ষক। বসুরহাট সরকারি এএইচসি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে এসএসসি ও নোয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে মেধা তালিকায় স্থান নিয়ে এইচএসসি পাস করেন ওবায়দুল কাদের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্সসহ স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন তিনি।
 
ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কাদের। ৬৬'র ৬ দফা আন্দোলন এবং ৬৯ এর গণআন্দোলন ও ছাত্রদের ১১ দফা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন এবং কোম্পানীগঞ্জ থানা মুজিব বাহিনীর (বিএলএফ) অধিনায়ক ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার কারাবরণ করেন। ১৯৭৫ এর পর দীর্ঘ আড়াই বছর কারাগারে ছিলেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন এবং পরপর দুইবার ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা ও লেখালেখির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকেন। দৈনিক বাংলার বাণী পত্রিকার সহকারী সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। রচনা করেছেন আটটি গ্রন্থ। ওবায়দুল কাদের ৯৬'র জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নোয়াখালী ৫ আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং যুব ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। তিনি ২০০১ সালের ১৫ জুলাই পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২-২০০৯ এর সম্মেলন পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রথম যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। 

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর পুনরায় দ্বিতীয়বারের মত নোয়াখালী-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তিনি দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য নির্বাচিত হন। 

   

একটা দুঃসময় আমরা অতিক্রম করছি: মির্জা ফখরুল



Sajid Sumon
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘একটা দুঃসময়, কঠিন সময়… আমরা অতিক্রম করছি। রাজনৈতিক সংকট, অর্থনৈতিক সংকট ভয়াবহভাবে আমাদের আক্রমণ করেছে। এখানে বিচারব্যবস্থা পুরোপুরিভাবে দলীয়করণ হয়ে গেছে। অর্থনীতিকে পুরোপুরিভাবে নিজেদের মতো করে তারা সেখানে লুটপাট চালাচ্ছে। আজ রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে ধবংস করা হয়েছে, নির্বাচনী ব্যবস্থাকে একেবারে উপড়ে ফেলা হয়েছে।’

শনিবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী স্মরণে নাগরিক স্মরণ সভায় এসব কথা বলেন তিনি। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে নাগরিক স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘যার জন্যে জাফরুল্লাহ চৌধুরী লড়াই করছিলেন, সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যদি আবার আমাদের ফিরিয়ে আনতে হয়, বাংলাদেশকে যদি সত্যিকার অর্থে একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আমরা পরিণত করতে চাই, তাহলে আমাদেরকে এখন অবশ্যই সব নতুন করে চিন্তা করে নতুনভাবে আবার বলীয়ান হয়ে বেরিয়ে আসতে হবে।’

তিনি বলেন, `কে কী বললো সেটা ভাবার দরকার নেই, আমাদের মধ্যে যে আশা, যে আকাঙ্ক্ষা আছে; আমরা যারা একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ করেছি, যারা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ দেখতে চেয়েছি, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য যারা প্রাণ দিয়েছি, যারা গুম হয়েছে তাদের সবাইকে সেই সম্মানটুকু দেওয়ার জন্য আমাদের আজ একমাত্র দায়িত্ব হচ্ছে… আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই।’

তিনি বলেন, ‘কিছুক্ষণ আগে আলাপ হচ্ছিল… একজন কৌশলের কথা বলেছেন। আসলে এখানে প্রয়োজন সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়া। সব নাগরিক যারা দেশকে ভালোবাসেন, সব রাজনৈতিক দল যারা দেশে একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা তৈরি করতে চায় তাদের এখন সবাইকে এক হয়ে সোচ্চার কণ্ঠে শুধু রাজপথে বেরিয়ে নয়, সমগ্র রাষ্ট্র যন্ত্রকে ঝাঁকি দিতে হবে। তাহলেই হয়তোবা ডা. জাফরুল্লাহর যে স্বপ্ন সেই স্বপ্নকে আমরা কিছুটা বাস্তবায়িত করতে পারবো।’

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন গণসংহতি আন্দোলনের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জুলহাস নাইম বাবু। এতে বক্তব্য দেন অর্থনীতিবিদ হোসেন জিল্লুর রহমান, সুজনের বদিউল আলম মজুমদার, ব্রতীর শারমিন মুরশিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, অধ্যাপক আসিফ নজরুল, আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, এফবিবিআইয়ের আবদুল হক, মানবাধিকারকর্মী ব্যারিস্টার সারা হোসেন, সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, ‘মায়ের ডাক’ এর সানজিদা ইসলাম প্রমুখ।

এছাড়া জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের সভাপতি জোনায়েদ সাকি, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, ভাসানী অনুসারী পরিষদের শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের হাসনাত কাইয়ুম, জেএসডির তানিয়া রব, গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর, মিয়া মশিউজ্জামান এবং প্রয়াত জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মেয়ে বৃষ্টি চৌধুরী স্মরণ সভায় বক্তব্য দেন।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;

জাপার আংশিক কমিটি ঘোষণা রওশন এরশাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বেগম রওশন এরশাদ

বেগম রওশন এরশাদ

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির (রওশন) চেয়ারম্যান ও সাবেক বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আংশিক নাম ঘোষণা করেছেন। পর্যায়ক্রমে কমিটির বাকি সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হবে বলে খবর বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এর আগে রওশন এরশাদ গত ৯ মার্চ আইবি চত্ত্বরে এক তরফাভাবে জাতীয় পার্টির আয়োজন করেন। কাউন্সিলে রওশন এরশাদকে চেয়ারম্যান, কাজী ফিরোজ রশীদকে নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান হিসেবে সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, আর মহাসচিব নির্বাচিত হন কাজী মামুনুর রশীদ।

কাউন্সিলের পর শনিবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন।

এতে প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে রফিকুল হক হাফিজ (সাবেক উপ- মন্ত্রী), অধ্যাপক নুরুল ইসলাম মিলন (সাবেক সংসদ সদস্য), ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর (সাবেক সংসদ সদস্য), জাফর ইকবাল সিদ্দিকী (সাবেক সংসদ সদস্য), কারী হাবিবুল্লাহ বেলালী, ডা. কে আর ইসলাম, নিগার সুলতানা রাণী, আবুল কাশেম সরকার (সাবেক সংসদ সদস্য), ইয়াহিয়া চৌধুরী (সাবেক সংসদ সদস্য), শফিকুল ইসলাম শফিক (নরসিংদী), শংকর পাল (হবিগঞ্জ), আমানত হোসেন আমানত, জাহাঙ্গীর আলম পাঠান, হাজী মো: ফারুক (ঢাকা), আব্দুল গাফ্ফার বিশ্বাস (খুলনা), নুরুল ইসলাম নুরু (টাঙ্গাইল), তুহিনুর রহমান (নুরু হাজী) ঢাকা।

উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন এমএ গোফরান (লক্ষীপুর) ও এমএ কুদ্দুস খাঁন (ঝালকাঠী)।

ভাইস-চেয়ারম্যান শেখ আলমগীর হোসেন (গোপালঞ্জ), মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক (ঢাকা), ইঞ্জিনিয়ার মামুনুর রশিদ (জামালপুর) সাবেক সংসদ সদস্য, মো: মোক্তার হোসেন (খুলনা) সাবেক সংসদ সদস্য, হাজী নাসির সরকার (ঢাকা), আব্দুল আজিজ খাঁন (গুলশান), মোল্যা শওকত হোসেন বাবুল (খুলনা), মো: শারফুদ্দিন আহমেদ শিপু (ঢাকা), মিজানুর রহমান দুলাল (পটুয়াখালী), শাহ্ আলম তালুকদার (বরিশাল), এ্যাড. মো: আব্দুল কাইয়ুম (ময়মনসিংহ), শাহ্ জামাল রানা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)।

যুগ্ম-মহাসচিব পদে ফকরুল আহসান শাহজাদা (বরিশাল), পীরজাদা জুবায়ের আহমেদ (বাহ্মণবাড়িয়া), শেখ মাসুক রহমান (ঢাকা), সৈয়দ ওয়াহিদুল ইসলাম তরুণ (খুলনা), সুজন দে (চট্টগ্রাম), এসএম হাসেম (ঢাকা)।

সাংগঠনিক সম্পাদক শাহানাজ পারভীন (ঢাকা), মোশাররফ হোসেন (ময়মনসিংহ), এ্যাড. এসএম মাসুদুর রহমান (খুলনা), এ্যাড. মো: আবু সালেহ চৌধুরী (সিলেট), অধ্যাপিকা বিলকিস সরকার পুতুল (নরসিংদী), ফজলে ইলাহী সোহাগ (নোয়াখালী), জাফর ইকবাল নিরব (পিরোজপুর), শামসুল আলম (কক্সবাজার)।

যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক কাওসার আহমেদ (ঢাকা), মো: মোসলেম আলী (মেহেরপুর), আবুল বাশার (মানিকগঞ্জ), নাফিজ মাহবুব (ময়মনসিংহ), সিরাজুল আরেফিন মাসুম, এম, এম, আমিনুল হক সেলিম, কোষাধ্যক্ষ ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর (রংপুর), প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম খুশু (চাঁদপুর), দপ্তর সম্পাদক আবুল হাসান আহমেদ জুয়েল, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. এমদাদ (নড়াইল), সমবায় বিষয়ক সম্পাদক পারভেজ আলম মীর (বরিশাল), সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল খাঁন (লালমনিরহাট), তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সাহিন আরা সুলতানা রিমা (চাপাইনবাবগঞ্জ), আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. সাজ্জাদ হোসেন সেনা (কুষ্টিয়া), যুব বিষয়ক সম্পাদক মো: জহির উদ্দিন (ঢাকা), শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সুলতানা আহমেদ লিপি, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সায়িকা হক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক শরিয়ত আলী তালুকদার (সুনামগঞ্জ), প্রাদেশিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সাত্তার।

যুগ্ম-সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য, যুগ্ম- প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আসাদ খান, যুগ্ম- কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মেহবুব হাসান, যুগ্ম- সমবায় বিষয়ক সম্পাদক চিশ্তী খায়রুল আবরার শিশির, যুগ্ম- ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মুকুল, যুগ্ম-সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মো: তৌহিদুর রহমান খাঁন, যুগ্ম- শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাজী মাসুম পারভেজ, যুগ্ম- এনজিও বিষয়ক সম্পাদক এম, আবু জাফর কামাল, যুগ্ম- সমাজকল্যান বিষয়ক সম্পাদক শরীফুল ইসলাম শরীফ, যুগ্ম- সাহিত্য ও কৃষ্ঠি বিষয়ক সম্পাদক আফতাব গনি, যুগ্ম- প্রাদেশিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম রবিন।

সদস্য রিয়াজ খান, মকবুল হোসেন মুকুল, এসএম মুর্তজ আলম বুলবুল, নাসির নেওয়াজ, আবু নাসের সিদ্দিকী, কাদের মুন্সি, আব্দুল হালিম, আহমদ আলী (সিলেট)।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;

২৬ এপ্রিল নয়াপল্টনে সমাবেশ করার ঘোষণা বিএনপির



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর নয়াপল্টনে আগামী শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।

শনিবার (২০ এপ্রিল) এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমানকে অবহিত করে চিঠি দিয়েছে দলটি।

দলীয় সূত্র জানায়, চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি ও দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার এবং সাজার প্রতিবাদে এ সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে।

৭ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনের আগে গত বছরের ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে সর্বশেষ সমাবেশ করেছিল বিএনপি। সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে চলে জ্বালাও-পোড়াও এবং সংঘর্ষ। এতে পুলিশ সদস্যসহ বেশ কয়েকজন প্রাণ হারান।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;

শেখ হাসিনার এখনও আতঙ্ক কাটেনি: রিজভী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এখনও আতঙ্ক কাটেনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

শনিবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিবসহ দলের অন্যান্য নেতাদের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত কর্মসূচিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শেখ হাসিনা তার গদি নিয়ে আতঙ্কে আছেন মন্তব্য করে রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা জানে জনগণ তাকে ভোট দেয়নি, ৯৭ শতাংশ ভোটার ভোট দিতে কেন্দ্রে যায়নি। তিনি আমি আর ডামি, আমরা আর মামুদের নির্বাচন করেছেন। তিনি ভালো করেই জানেন তার গদি চোরাবালির উপর দাঁড়ানো। যেকোনো সময় বালুর মধ্যে ঢুকে যাবে। তিনি সে আতঙ্কেই হাবিবুর রশিদ হাবিব, রফিকুল আলম মজনুসহ বিএনপি নেতাদের গ্রেফতার করে রেখেছে।

রিজভী বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা দিনের আলোয় থাকার চেয়ে বেশি লাল দেয়ালের মধ্যেই থাকেন। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) এতটাই আতঙ্কিত যে, নেতাকর্মীদের ধরপাকড় ও গ্রেফতার কর্মসূচি যেন শেষই হচ্ছে না। তবে এর কারণও আছে। শেখ হাসিনা জানে তার সরকারের কোনও জনসমর্থন নেই।

বিএনপির নেতাকর্মীদের বন্দীদশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আপনি বললেন যে, তাদের (বিএনপি নেতাদের) কোন রাজনৈতিক কারণে গ্রেফতার করা হয়নি, তারা বিভিন্ন অপরাধে অপরাধী। তাই তারা জেলে। কিন্তু আপনি যে ১/১১ এর সময় চাঁদা নিয়েছিলেন যার সাক্ষী আপনারই ফুফাতো ভাই এবং ওবায়দুল কাদের। তারা গোয়েন্দাদের কাছে অনেক কথা বলেছেন। আপনার তো কিছু হল না, আপনি তাহলে কে, আপনার মামলার কি হল?

তিনি বলেন, যারা স্বৈরাচারী, যারা একনায়ক, তারা জনগণের পক্ষের মানুষকে কারাগারে ভরে রাখে। হাবিবুর রশিদ হাবিব কি কারো ঘরবাড়ি দখল করেছে, নাকি নারায়ণগঞ্জের মাফিয়া এমপিদের মতো নিষ্পাপ শিশু ত্বকি হত্যার অভিযোগ রয়েছে? তাহলে তাদের গ্রেফতার না করে কেন বিএনপি নেতা হাবিবুর রশিদ হাবিবকে গ্রেফতার করা হল?

রিজভী আরও বলেন, আজ জনগণের টাকা লুট হচ্ছে। মানুষের টাকা এমপিদের পকেটে ঢুকছে, বিদেশে পাচার হচ্ছে। সেদিকে আপনি দেখছেন না, আপনি বিএনপি নেতাদের গ্রেফতার করছেন। বিএনপি নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি দিন। মনে রাখবেন, ভালোর জয় হবেই।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব মজনু, বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদসহ দলের অন্যান্য সিনিয়র নেতাকর্মীরা।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;