ক্রোয়েশিয়া-মরক্কোর গোলশূন্য ড্র

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক
ক্রোয়েশিয়া-মরক্কোর গোলশূন্য ড্র

ক্রোয়েশিয়া-মরক্কোর গোলশূন্য ড্র

  • Font increase
  • Font Decrease

গত বিশ্বকাপের রানার্সআপ ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে ড্র করেছে মরক্কো। বুধবার কাতারের আল বাইত স্টেডিয়ামে ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে লুকা মদ্রিচ-ইভান পেরিসিচ ও আশরাফ হাকিমিদের কেউ গোল করতে পারেনি। চলতি বিশ্বকাপে এনিয়ে তৃতীয় ম্যাচ গোলশূন্য শেষ হয়।

ম্যাচে বল দখলের লড়াইয়ে ক্রোয়েশিয়া এগিয়ে থাকলেও গোলমুখে শট খুব বেশি নিতে পারেনি। মাত্র পাঁচটি শট নেয় তারা, যার মধ্যে মাত্র দুটি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে, বলের দখলে পিছিয়ে থাকলেও মরক্কো গোলমুখে শট নেয় আটটি, যার দুটি ছিল লক্ষ্যে।

ম্যাচে মরক্কো কোনো কর্নার আদায় করতে পারেনি, তবে ক্রোয়েশিয়া তাদের পাওয়া পাঁচটি কর্নার থেকে গোল আদায় করতে পারেনি।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে যোগ করা সময়ে প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগ পায় ক্রোয়েশিয়া। বোর্না সোসার চমৎকার ক্রসে পা ছোঁয়ান নিকোলা ভ্লাসিচ। তবে বাধা হয়ে দাঁড়ান ইয়াসিন বোনো। অক্ষত থাকে মরক্কোর জাল।

গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর ম্যাচের ৪৯তম মিনিটে বায়ার্ন মিউনিখে খেলা মরক্কোর ডিফেন্ডার নুসে মাসাওয়ির হেড ঠেকিয়ে দেন ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক দমিনিক লিভাকভিচ।

এর ঠিক পরের মিনিটে কর্নার থেকে গোলের সুযোগ এসেছিল ক্রোয়েশিয়ার সামনে। তবে গোললাইন থেকে বল ফিরিয়ে দেন সোফিয়ান আমরাবাত।

৬৪তম মিনিটে আশরাফ হাকিমির বুলেট গতির ফ্রি কিক শক্তিশালী পাঞ্চে ব্যর্থ করে দেন ক্রোয়াট গোলরক্ষক।

৭২তম মিনিটেলুকা মদ্রিচের দুর্দান্ত ফ্রি-কিক ইউসুফ এন নেসিরি কোনোমতে বিপদমুক্ত করেন। এর দুই মিনিট পর প্রতি-আক্রমণে প্রতিপক্ষের ডি বক্সে গিয়ে আবদে ইজ্জাজুলি নিয়ন্ত্রণ হারালে বেঁচে যায় ক্রোয়েশিয়া।

আগামী ২৭ নভেম্বর নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মরক্কো খেলবে গ্রুপের ফেভারিট বেলজিয়ামের বিপক্ষে, ক্রোয়েশিয়া লড়বে কানাডার বিপক্ষে।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

এক ফ্রেমে বিশ্বজয়ী চার মহাতারকা

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
এক ফ্রেমে বিশ্বজয়ী চার মহাতারকা

এক ফ্রেমে বিশ্বজয়ী চার মহাতারকা

  • Font increase
  • Font Decrease

দ্য ফেনোমেনন খ্যাত রোনাল্ডো, রবার্তো কার্লোস, কাফু ও কাকা; বিশ্বকাপ উপভোগ করতে এসেছেন কাতারে। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচে ক্যামেরার ফ্রেমে আটকা পড়ছিলেন চার কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান।

গতকাল সোমবার সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে ভিআইপি বক্সে বসেছিলেন তারা। উপভোগ করেছেন ম্যাচ। বিশ্বকাপে ইউরোপীয় দেশটির বিপক্ষে রেকর্ড জয়ের ম্যাচের স্বাক্ষী হয়েছেন তারাও।

২০০২ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন চারজনই। রোনাল্ডো-কাফু-কার্লোস খেলেছেন ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপেও। সেবার ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে হেরেছিল ব্রাজিল। ফাইনালের আগের দিন হঠাৎ অসুস্থতায় পড়া রোনাল্ডোর দল ফ্রান্সের জিনদিনে জিদানের অতিমানবীয় পারফরম্যান্সে জিততে না পারলেও, পরের বিশ্বকাপে রোনাল্ডো জিতিয়েছেন দলকে। ব্রাজিলকে দিয়েছিলেন পঞ্চমবারের মত শিরোপার স্বাদ।

২০০২ সালে এশিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে জার্মানির বিপক্ষে ফাইনালে জোড়া গোল করেছিলেন রোনাল্ডো। এটাই এখন পর্যন্ত ব্রাজিলের সবশেষ বিশ্বকাপ জয়।

গতকাল সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে জয়ের মধ্য দিয়ে ব্রাজিল কাতার বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে। সার্বিয়া ও সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত দুই ম্যাচে জমাট রক্ষণের দেখা মিলেছে ব্রাজিলের। ব্রাজিলের ডিফেন্ডাররা প্রতিপক্ষকে একবার গোলমুখে শট নিতে দেননি।

৯২ বছরের বিশ্বকাপের ইতিহাসে এনিয়ে এমন ঘটনা দুবারই ঘটল। যার একটা ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের বিপক্ষে। সেবারও ফ্রান্সের প্রথম দুই ম্যাচে প্রতিপক্ষ তাদের গোলমুখে শট নিতে পারেনি একটাও। এবার ব্রাজিল ফ্রান্সের সেই রেকর্ডে ভাগ বসাল।

১৯৯৮ বিশ্বকাপে খেলেছেন কাফু-কার্লোস, রোনাল্ডো। পরের বিশ্বকাপে তাদের সঙ্গে দিয়েছিলেন কাকাও।

কাফু চারটা বিশ্বকাপে টানা তিনটি ফাইনাল খেলেছেন। দুইবার হয়েছেন বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য। বিশ্বকাপে ২০টি ম্যাচ খেলেছেন এই ডিফেন্ডার।

দুইটি ফাইনালসহ তিনটি বিশ্বকাপ খেলা রবার্তো কার্লোস বিশ্বকাপে ১৭ ম্যাচে অংশ নিয়ে করেছেন একটি গোল।

কাকা ২০০২ সালের ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন। বিশ্বকাপে ১০টি ম্যাচ খেলেছেন ফিফা ওয়ার্ল্ড প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার, ব্যালন ডি'অর জয়ী এই মিডফিল্ডার।

দ্য ফেনোমেনন খ্যাত রোনাল্ডো লিমা দুইবারের ব্যালন ডি'অর ও তিনবারের ফিফা ওয়ার্ল্ড প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার জয়ী। বিশ্বকাপের ইতিহাসে তিনি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা। তিনবার বিশ্বকাপ খেলা এ ব্রাজিলিয়ান ১৯ ম্যাচ খেলে করেছেন ১৫ গোল। জাতীয় দলের হয়ে ৯৮ ম্যাচে করেছেন ৬২ গোল।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

বাংলাদেশের পতাকা হাতে গোল উদযাপনে মেসি!

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
মেসি

মেসি

  • Font increase
  • Font Decrease

গোল করার পর বাংলাদেশের পতাকা হাতে মাঠে ছুটছেন লিওনেল মেসি। অবাক হচ্ছেন তো, হ্যাঁ- হওয়ারই কথা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ছবিই ভাইরাল হয়েছে।

বাংলাদেশি সমর্থকদের জন্য এমন ভার্চুয়াল উপহারের আয়োজন করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল এসোসিয়েশন।

মেসির হাতে বাংলাদেশের পতাকা হাতের এই ছবি বাংলাদেশি সমর্থকদের মন কেড়েছে। সামাজিক মাধ্যমেও তা ভাইরাল হয়েছে।

এমন ছবি পোস্ট করে আর্জেন্টিনা ফুটবল এসোসিয়েশন ক্যাপশনে লিখেছে যে, ”লিওনেল মেসি বাংলাদেশ।

সম্প্রতি দাবি করা হয়েছে যে, প্রায় সাড়ে চার কোটি জনসংখ্যার দেশ আর্জেন্টিনার চেয়েও তাদের বেশি সমর্থক রয়েছে বাংলাদেশে।

গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে মেক্সিকোর বিপক্ষে দুই গোলের জয় পেয়েছে মেসি-ডি মারিয়ারা। বাংলাদেশে মেসির গোল উদযাপনের ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

ব্রুনো ফার্নান্দেজও বলছেন গোলটি রোনালদোর

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ব্রুনো ফার্নান্দেজও বলছেন গোলটি রোনালদোর

ব্রুনো ফার্নান্দেজও বলছেন গোলটি রোনালদোর

  • Font increase
  • Font Decrease
কাতার বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচ শেষে তিনটি দল শেষ ষোলোয় পৌঁছেছে। ফ্রান্সের পর গতরাতের শেষ দুই ম্যাচ থেকে নকআউট পর্বে গেছে ব্রাজিল ও পর্তুগাল।

ব্রাজিল ১-০ গোলে সুইজারল্যান্ডকে এবং পর্তুগাল ২-০ গোলে হারিয়েছে উরুগুয়েকে।

এদিকে পর্তুগালের ম্যাচে একটি গোল বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। গোলটি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নাকি ব্রুনো ফার্নান্দেজের বিতর্ক এনিয়েই। এনিয়ে খেলার সময়ে নানা কথা হয়েছে। 

ম্যাচের ৫৪ মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেজের ক্রস থেকে গোলটি করেন বিশ্বফুটবলের এই মহাতারকা। গোল হওয়ার পরেই তার স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে উল্লাস করেন রোনালদো। দুহাত তুলে সমর্থকদের অভিবাদন জানান। ব্রুনো ফার্নান্দেজসহ দলের অন্যরাও এই উদযাপনে অংশ নেন। প্রথমে তার নামেই গোলটি দেওয়া হয়।

সেই সময়ে ফিফার স্কোর শিটেও গোলটি ছিল রোনালদো নামে। ফিফা আনুষ্ঠানিকভাবে রোনালদোর নামে গোলটি দেখায়। কিন্তু কিছুক্ষণ পর সিদ্ধান্ত বদলায় তারা। ফিফা জানায়, ব্রুনোর ক্রসটি রোনালদো মাথা স্পর্শ করেনি, সরাসরি চলে যায় উরুগুয়ের জালে। ফলে এই গোল ব্রুনোর।

রোনালদো নিজেও তার অভিব্যক্তিতে ব্যাপারটি নিয়ে কিছুটা বিস্ময় প্রকাশ করেন, মাথা দেখিয়ে বারবার বলার চেষ্টা করেছিলেন ফার্নান্দেজের ক্রসে তিনি হেড করেছেন।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কে রোনালদো-ব্রুনোর দূরত্ব তৈরি হয়েছে এমন এক আলোচনার সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজও মনে করছেন গোলটি রোনালদো করেছেন। 

ব্রুনো বলেছেন, আমার মনে হচ্ছে, বলটা ক্রিশ্চিয়ানোর মাথা স্পর্শ করেছিল। গোলটা সে-ই করেছে। তবে আসল ব্যাপার হচ্ছে, আমরা ম্যাচটা জিতেছি এবং আমরা শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছি।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় পর্তুগাল

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কাতার বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত পর্তুগাল। সোমবার লুসাইল স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে উরুগুয়েকে ২-০ গোলে হারিয়ে দিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোরা। জোড়া গোল ব্রুনো ফের্নান্দেসের। দু’বারের বিশ্বকাপজয়ী উরুগুয়ে গ্রুপ থেকেই ছিটকে যাওয়ার মুখে। নকআউটে যেতে গেলে পরের ম্যাচে ঘানাকে হারাতেই হবে তাদের।

আগের ম্যাচে কোনও মতে জেতার পর এ দিন প্রথম একাদশে একাধিক বদল করেন পর্তুগালের কোচ ফের্নান্দো স্যান্টোস। প্রথমে রক্ষণ জমাট রেখে আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করতে থাকে পর্তুগাল। রোনাল্ডো গোল করার জন্যে মাঝে মাঝেই উঠে যাচ্ছিলেন। কিন্তু গোলের মুখ খুলতে পারছিলেন না। ১৮ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে নিজের জায়গায় ফ্রিকিক পান রোনাল্ডো। কিন্তু ওয়ালে লেগে তার শট কর্নার হয়ে যায়। এর পর দু’দলেরই মাঝমাঠের লড়াই দেখা যায়।

পর্তুগাল চাইছিল বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে। অন্য দিকে উরুগুয়ে অপেক্ষা করছিল প্রতি আক্রমণের। এমন করেই বিরতিতে গোলশূন্য থাকে ম্যাচের ফল। সুযোগ তৈরি করার নিরিখে এগিয়েছিল উরুগুয়ে। তবে কোনওটিই তারা কাজে লাগাতে পারেনি। পর্তুগালের দখলে বল বেশি থাকলেও ফাইনাল থার্ডে গিয়ে ভুগছিল তারা।

দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর পর আক্রমণ বজায় রাখার ফল কিছু ক্ষণের মধ্যেই পায় পর্তুগাল। ৫৪ মিনিটের মাথায় এগিয়ে যায় তারা। বাঁ দিক থেকে ক্রস তুলেছিলেন ব্রুনো। হেড করার জন্যে লাফিয়ে ওঠেন রোনাল্ডো। বল জড়িয়ে যায় জালে।

গোল খেয়ে মরিয়া চেষ্টা দেখা যাচ্ছিল উরুগুয়ের মধ্যে। খেলা শেষের ১৭ মিনিট আগে গোল পাওয়ার লক্ষ্যে সুয়ারেসকে নামিয়ে দেয় উরুগুয়ে। তার পরেই তাদের খেলায় আরও ঝাঁজ লক্ষ্য করা যায়। দূর থেকে গোমেজের শট লাগে পোস্টে। ফ্রিকিক থেকে সুয়ারেসের বাঁ পায়ের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

কিন্তু শেষ দিকে আবার গোল খেয়ে যায় উরুগুয়ে। বক্সের মধ্যে পর্তুগালের এক ফুটবলারকে শুয়ে পড়ে ট্যাকল করতে গিয়ে হাতে বল লাগান জিমেনেজ। পেনাল্টি থেকে দলের এবং নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ব্রুনো।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;