বুলবুলের অজুহাতে সবজি ও মাছের বাজার চড়া

  ঘূর্ণিঝড় বুলবুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বুলবুলের অজুহাতে সবজি ও মাছের বাজার চড়া, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বুলবুলের অজুহাতে সবজি ও মাছের বাজার চড়া, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে হাজারো ঘরবাড়ি, গাছপালা ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের উপকূলবাসীরা। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি এবং বাতাসে রোপা আমন ধানসহ শীতকালীন ফসলের চরম ক্ষতি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারগুলোতেও। একইসঙ্গে সবজির পাশাপাশি মাছের বাজারও চড়া।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার, রায়েরবাজার ও জিগাতলার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচাবাজারের খুচরা ও আড়তগুলোতে একদিকে পণ্য সংকট অপরদিকে ক্রেতাদের ব্যাপক চাহিদা। ফলে সবজি ও মাছের দাম চড়া। হাতে গোনা দু-একটা শীতের সবজি বাদ দিলে প্রায় প্রত্যেকটি সবজি প্রতি কেজি ১০ থেকে ১৫ টাকা বাড়তি দোমে বিক্রি হচ্ছে।

দাম বাড়তি শীতকালীন সবজির

মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস (আনাম) ১২০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৪৫ টাকা, ফুল কপি ও বাঁধা কপি প্রতি পিস ৩৫ টাকা। প্রতি কেজি লতি ৫০ টাকা, নতুন আলু ৮০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, গাজর ৬০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ টাকা, শিম ৮০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৬০টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, কচুর মুখী ৭০ টাকা, ঝিঙা ৫০ টাকা এবং বরবটি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির দোকানি রনি জানান, গত রোববার থেকে শসা ও ধনিয়া পাতার দাম সব থেকে বাড়তি।

সবজির পর সব থেকে বেশি বাজার চড়া হয়েছে মাছের। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে গত দু’দিন থেকে আড়তে মাছের আমদানি কম হওয়ায় প্রায় সব মাছে কেজি প্রতি ২০-৫০ টাকা বাড়তি দাম রাখা হচ্ছে।

এখনো কমেনি পেঁয়াজের দাম

প্রতি কেজি রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকা, কাতল মাছ ৩৫০ টাকা, পাবদা ৪৮০ টাকা, শৈল ৫০০ টাকা, ট্যাংড়া ৬৫০, লইট্টা ১৮০ টাকা, ছোট আইড় ৬৮০ টাকা, বাগদা চিংড়ি বড় ৫৫০ টাকা, গলদা চিংড়ি বড় ৭০০ টাকা, কোরাল ৬০০ টাকা, পোয়া ৩৫০ টাকা, শিং ৬০০ টাকা, রূপচাঁদা ৯৫০ টাকা এবং ইলিশ (বড় সাইজের) ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্র হচ্ছে ১৪০ টাকা দরে এবং আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে। রসুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারের কাঁচামালের আড়তদার ও খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আবহাওয়া খারাপ থাকার কারণে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলো থেকে কাঁচামাল ঢাকায় আসতে পারেনি তাই এমন দাম বৃদ্ধি। এখন আবহাওয়া ভালো, আজকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলো থেকে কাঁচামাল আসলে দাম সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে। আগামী মঙ্গলবারের (১২ নভেম্বর) মধ্যে বাজার স্থিতিশীল হবে। তবে বেশ কিছু অঞ্চল ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে ওইসব এলাকা থেকে যেসব কাঁচামাল ঢাকায় আসত সে সবের দাম কিছুদিন বাড়তি থাকবে।

বেড়েছে মাছের দামও

এদিকে, মাংসের বাজারে দাম পূর্বের মতোই রয়েছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৫০০-৫৫০ টাক, খাসির মাংস ৭০০ টাকা ও বখরির মাংস ৬৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২৫-১৩০ টাকা কেজি দরে।

  ঘূর্ণিঝড় বুলবুল

৪০ টাকা লিটারে ডিজেল দিতে চায় রাশিয়া!



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতি টন রাশান ডিজেল ৪২৫ ইউএস ডলারে সরবরাহ দিতে আগ্রহ দেখিয়েছে একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতি ব্যারেলের (১৫৯ লিটার) মূল্য দাঁড়ায় ৫৭ দশমিক ৪৩ ডলার মাত্র। ডলার ১১০ টাকা হিসেবে ধরলে প্রতি লিটারের আমদানি খরচ পড়বে ৪০ টাকার নীচে।

বুধবার (১৭ আগস্ট) দুপুরের পর দেশীয় এক আমদানিকারক এমন প্রস্তাব দিয়েছে বলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্র জানিয়েছে। তবে সূত্রটি তার নিজের নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।

বর্তমানে প্রতি ব্যারেল ডিজেল আমদানি করতে ১২৫ ডলারের মতো খরচ পড়ছে। অপরিশোধিত ক্রড অয়েল আনতেও ৯০ ডলার খরচ পড়ছে। অর্থাৎ অপরিশোধিত ক্রডের চেয়েও অনেক কম দামে ডিজেল দিতে চায় প্রস্তাবকারী।

দাম কম হলেও বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে রাশান ডিজেল কেনাটা বেশ ঝূঁকিপুর্ণ। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার ওপর আমেরিকাসহ ইউরোপের নানা রকম নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। তারপরও ভারতসহ অনেক দেশ সাশ্রয়ী দরে জ্বালানি তেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে। ২০২১ সালে এপ্রিল-মে মাসে রাশিয়া থেকে মাত্র ৪৪ কোটি ১০ লাখ ডলারের তেল কিনেছিল ভারত ৷ আর ২০২২-এ শুধু মে মাসেই ১৯০ কোটি ডলারের তেল কিনেছে। আগের বছরে চাহিদার মোট দুই শতাংশ রাশিয়া থেকে আসত ৷ এবার এপ্রিল-মে মাসে চাহিদার ১০ শতাংশ তেল রাশিয়া থেকে আমদানি করেছে বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশটি। সময় যতো যাচ্ছে রাশিয়া থেকে তেল আমদানির পরিমাণও বাড়ছে ৷

রাশিয়া থেকে সরাসরি ডিজেল আমদানি করতে গেলে পশ্চিমা বলয়ের বিরাগভাজন হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যায়। সে কারণে অনেকদিন ধরেই রাশান তেল আমদানির বিষয়ে আলোচিত হলেও সবই ছিল অনানুষ্ঠানিক। কিন্তু ১৬ আগস্ট জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়টি পর্যালোচনার করার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারত পারলে আমরা কেন পারব না? রুবলের সঙ্গে টাকা বিনিময়ের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধের করা যায় কি না, সেই বিষয়ে উপায় খুঁজে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর ওই নির্দেশনার পর নড়ে চড়ে বসেছে সংশ্লিষ্টরা। বিপিসির একটি সূত্র জানিয়েছে, তাদের কাছে একাধিক প্রস্তাব এসেছে। এরমধ্যে একটি প্রস্তাব এসেছে যারা চট্টগ্রাম বন্দরের কাস্টমস পয়েন্টে ৪২৫ ডলারে ডিজেল পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। সবগুলো নিয়ে কাজ করছে সরকার।

বিপিসির পরিচালক (বিপণন) অনুপম বড়ুয়া বার্তা২৪.কম-কে বলেছেন, এসব প্রস্তাবের বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। হয়ে থাকলেও হয়তো উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা হতে পারে। বাণিজ্য ও অপারেশন বিভাগে যোগাযোগ করে দেখতে পারেন, তারা জানতে পারে।

মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য ও অপরেশন) মুস্তফা কুদরত-ই ইলাহীকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, রাশিয়া থেকে তেল কেনার বিষয়ে সুবিধা অসুবিধা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি রাশান মুদ্রা রুবল ও টাকার বিনিময়ের যে বিষয়টি সামনে এসেছে তারও সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। রুবলে লেনদেন করতে হলে রাশিয়াতে আমাদের রফতানির বিষয়টি খুবই গুরুত্বপুর্ণ। বাণিজ্য ঘাটতি অনেক বেশি হয় তাহলে সেই ঘাটতি মোকাবিলা হবে কি করে। তখনতো ইউএস ডলার দিয়ে রুবল কিনে পরিশোধ করতে হবে। এতে দুই ধাপে কমিশন দিতে হবে।

সৌভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পূর্বে বাংলাদেশের বাণিজ্য ছিল বাটা সিস্টেম। কোরিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে ওই পদ্ধতি অনুসরণ করা হতো। এ দেশের ব্যাংকে ছিল রাশিয়ান অ্যাকাউন্ট। বাংলাদেশ পণ্য আমদানি করে তার বিনিময়ে টাকা সেই হিসাব নম্বরে জমা করতো। ওই টাকা দিয়ে বাংলাদেশ থেকে পণ্য কিনে দেশে নিয়ে যেতো তারা। দ্বি-পাক্ষিক আলোচনার টেবিলে বাটা সিস্টেমও স্থান পাবে বলে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মাহবুব হোসেন বার্তা২৪.কম-কে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর আমরা কাজ শুরু করেছি। কিছু প্রস্তাব পাওয়া গেছে সেগুলো নিয়ে কাজ চলছে। এখনই বলার মতো কোন আপডেট নেই। আমরা কাজ করছি আপডেট হলেই জানাবো।

রুবলে লেনদেনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে জ্বালানি বিভাগের সিনিয়র সচিব বলেন, সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে কাজ করছি। ভালো করে ভেবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে চাই।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের বড় ধরনের ঝাঁকুনির শিকার হয়েছে। এরই মধ্যে ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো বসিয়ে রাখা হয়েছে। তারপরও পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে, রেকর্ড পরিমাণে দাম বাড়ানো হয়েছে সব ধরনের জ্বালানির দাম। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত জ্বালানি তেল ডিজেল লিটার প্রতি ৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৪ টাকা করা হয়েছে। বিপিসি দাবি করেছে তারপরও লিটারে ৬ টাকা করে লোকসান দিতে হচ্ছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে ডিজেলের চাহিদা ছিল ৪৫ লাখ ৯৭ হাজার ৫৮৫ মে. টন। যা মোট জ্বালানি চাহিদার ৭২.৯৮ শতাংশ।

বিপিসির ওই লোকসানের হিসেব আমদানিকৃত ডিজেলের ব্যারেল প্রতি মূল্য ১৩০ ডলার ধরে। সেখানে রাশান ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে ৬০ ডলারের নিচে। অর্থাৎ আমদানি মূল্য অর্ধেকের নিচে নেমে আসবে।

  ঘূর্ণিঝড় বুলবুল

;

সোনার দাম ভরিতে কমল ২,২৭৮ টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সোনার দাম ভরিতে দুই হাজার ২৭৮ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

বুধবার (১৭ আগস্ট) বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) থেকে প্রতি ভরি সবচেয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনা ৮২ হাজার ৫৬ টাকায় বিক্রি হবে। যা আজ বুধবার পর্যন্ত ছিল ৮৪ হাজার ৩৩১ টাকা।

নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক‍্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম পড়বে ৭৮ হাজার ৩২৩ টাকা এবং ১৮ ক‍্যারেটের সোনার দাম প্রতি ভরি ৬৭ হাজার ১২৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা প্রতি ভরির দাম ৫৫ হাজার ২৮৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোনার দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত রয়েছে রূপার দাম। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ১ হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ১ হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ১ হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকায় অপরিবর্তিত আছে।

  ঘূর্ণিঝড় বুলবুল

;

স্বপ্ন’র নতুন আউটলেট এখন কচুয়ার রহিমানগর বাজারে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
স্বপ্ন’র নতুন আউটলেট এখন কচুয়ার রহিমানগর বাজারে

স্বপ্ন’র নতুন আউটলেট এখন কচুয়ার রহিমানগর বাজারে

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের অন্যতম রিটেইল চেইন শপ স্বপ্ন’র নতুন আউটলেট এখন ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার রহিমানগর বাজারে। 

বুধবার (১৭ই আগস্ট) বিকাল ৪টায় নতুন এই আউটলেটের উদ্বোধন করা হয় ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শাহজাহান শিশির, কচুয়া থানার ওসি মোঃ মহিউদ্দীন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী আব্দুল মান্নান, স্বপ্ন'র রিজিওনাল হেড অফ অপারেশনস আবদুল্লাহ আল মাহবুব, রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন, স্বপ্নের আউটলেট ম্যানেজার মিঠুন, রহিমানগর আউটলেট ফ্র্যাঞ্চাইজি মাহবুবুল আলম ও মাসুদ মান্নানসহ আরো স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তবর্গ।

স্বপ্নর নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির বলেন, ‘স্বপ্ন এখন দেশের ৪০টি জেলায়। রহিমানগর স্বপ্ন আউটলেটটি আমাদের সেবার পরিসরকে আরও বিস্তৃত করবে। আশা করছি, স্বাস্থ্যসম্মত এবং নিরাপদ পরিবেশে এখানের সব গ্রাহক স্বপ্নতে নিয়মিত বাজার করবেন।

স্বপ্ন'র অপারেশনস ডিরেক্টর আবু নাসের জানান, নতুন এই আউটলেটে থাকছে মাসব্যাপী নানা অফার এবং হোম ডেলিভারি সেবা।

নতুন আউটলেটের ঠিকানা: রহিমানগর মেইন রোড শাহজালাল শপিং কমপ্লেক্স সংলগ্ন। রহিমানগর নতুন এই আউটলেটে হোম ডেলিভারির জন্য যোগাযোগের নম্বর: ০১৮৪৩-৩৯৯৩২৩

  ঘূর্ণিঝড় বুলবুল

;

ডিআইবি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ডিআইবি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত

ডিআইবি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ একাডেমি (আইবিটিআরএ) পরিচালিত 'ডিপ্লোমা ইন ইসলামিক ব্যাংকিং’ (ডিআইবি) পরীক্ষার মে ২০২২ পর্বের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা ১৭ আগস্ট বুধবার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করেন। ব্যাংকের চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী, আইবিটিআরএর প্রিন্সিপাল এস এম রবিউল হাসান, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট কে এম মুনিরুল আলম আল মামুন, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাঃ আনোয়ার হোসেন ও নজরুল ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

৩৫টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মোট ৫,৬৪১ জন প্রার্থী এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। পার্ট-১ পরীক্ষায় ৯.৬১ শতাংশ এবং পার্ট-২ পরীক্ষায় ১৫.৫১ শতাংশ প্রার্থী চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হন।

  ঘূর্ণিঝড় বুলবুল

;