জনসমাগম কমাতে অস্ট্রেলিয়ায় সমুদ্র সৈকত বন্ধ ঘোষণা

  করোনা ভাইরাস



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নভেল করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত গোটা পৃথিবী। ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব কমাতে বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন ধরণের কৌশল অবলম্বন করছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে জনসমাগম কমানোর জন্য নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। কোভিড-১৯ ভাইরাস রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে অস্ট্রেলিয়ান সরকারও।

তবে অস্ট্রেলিয়া সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে দেশটির নাগরিকরা জমায়েত হচ্ছে বন্ডি সমুদ্র সৈকতে। গণজমায়েতের সীমা অতিক্রম করায় সিডনির পুলিশ সমুদ্র সৈকতটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।

শুক্রবার (২০ মার্চ) এক ছবিতে দেখা যায়, বন্ডি সৈকতে প্রচুর মানুষ সাঁতার কাটছে, সার্ফিং করছে এবং বালির ওপর শুয়ে রোদ পোহাচ্ছে।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে অস্ট্রেলিয়া সরকার ৫'শর বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করেছে। কিন্তু সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বন্ডি সমুদ্র সৈকতে দলবেঁধে লোকজন ঘুরে বেড়াচ্ছে। যার প্রেক্ষিতে সমুদ্র সৈকতটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

নিউ সাউথ ওয়েলসের পুলিশ মিনিস্টার ডেভিড ইলিয়ট এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, লাইফগার্ডরা সৈকতে মানুষ গুণে দেখবে। যদি ৫'শর বেশি মানুষ পায় তাহলে সৈকত বন্ধ করে দিয়ে সবাইকে সেখান থেকে সরিয়ে দিবে। যদি কেউ চলে যেতে না চায় তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যদি নিয়ম না মানা হয় তাহলে অন্য সমুদ্র সৈকতগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে সতর্ক করে দেন ইলিয়ট।

অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী গ্রেগ হান্ট বিবিসিকে বলেন, সৈকতে যাওয়া মানুষদের আচরণ একেবারে অপ্রত্যাশিত। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার উপদেশ মেনে চলা নিশ্চিত করতে স্থানীয় কাউন্সিলকে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। প্রত্যেককে দেড় মিটার দূরত্বে অবস্থান করা উচিত।

শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন সামাজিকতার ক্ষেত্রে নতুন নিয়মের ঘোষণা করেছেন।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ইনডোর ভেন্যু যেমন বার এবং রেস্তোরাঁয় মানুষের ঘনত্ব একেবারে কম রাখতে হবে। একেকজন আরেকজনের থেকে কমপক্ষে চার বর্গ মিটারে দুরুত্বে থাকবে। আগের নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমা ইনডোরে ১০০ জন ও আউটডোরে ৫০০ জন অপরিবর্তিত আছে।

বিবিসিতে এই সংবাদ প্রকাশিত হওয়া পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ হাজার এবং মৃতের সংখ্যা ৭।

  করোনা ভাইরাস

ভারতে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ২০৭, আহত ৯০০



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় ওডিশা রাজ্যে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ২০৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এঘটনায় আহত হয়েছেন ৯০০ জনের বেশি। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার (২ জুন) ওডিশার বালেশ্বরের বাহানাগা বাজার স্টেশনের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে করমণ্ডল এক্সপ্রেস। পশ্চিমবঙ্গের শালিমার থেকে চেন্নাই যাচ্ছিল করমণ্ডল এক্সপ্রেস। পথে ওডিশার বাহানাগা বাজার এলাকা অতিক্রম করার সময় একটি মালবাহী ট্রেনকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয় যাত্রীবাহী ট্রেনটি। এতে ৩টি বগি বাদে করমণ্ডল এক্সপ্রেসের সব বগি লাইনচ্যুত হয়।

স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ছটায় এই ঘটনার পর উদ্ধার তৎপরতা শুরু হতে পেরিয়ে যায় প্রায় ঘণ্টাখানেক। এতে হতাহতের ঘটনা আরও বাড়ে।

ওডিশার মুখ্য সচিব প্রদীপ জেনা বলেছেন, ঘটনাস্থল বালেশ্বরে ২০০টিরও বেশি অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়েছে।

এই শতাব্দীতে এটি ভারতের সবচেয়ে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা। কর্মকর্তারা বলছেন, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ওড়িশা রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে এখনও পর্যন্ত গুরুতর আহত ২০০ জনকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ‌ লাইনচ্যুত হয়ে যাওয়া ১৫টি বগির মধ্যে এখনও তিনটি এসি কামরা থেকে হতাহতদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে ওডিশার ত্রাণবিষয়ক বিশেষ কমিশনার সত্যব্রত সাহু জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ৪৭ জনকে বালেশ্বর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আরও ১৩২ জনকে আশপাশের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওডিশার মুখ্য সচিব প্রদীপ জেনা।

ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার খবরে দুঃখ প্রকাশ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইটবার্তায় বলেন, ওডিশায় ট্রেন দুর্ঘটনায় আমি মর্মাহত। এই দুঃসময়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। আহত ব্যক্তিরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক।

দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ২ লাখ রুপি দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মোদি। এ ছাড়া আহতদের ৫০ হাজার রুপি করে সহায়তা দেওয়া হবে।

  করোনা ভাইরাস

;

ওড়িশায় দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৩০, আহত ১৭৯



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের ওড়িশায় একটি মালবাহী ট্রেনের সঙ্গে যাত্রীবাহী ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছেন।

শনিবার (২ জুন) সন্ধ্যায় ওড়িশার বালাসোরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত ১৭৯ জনকে বালেশ্বরের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, শনিবার দুপুর ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে শালিমার স্টেশন থেকে ছাড়ে ১২৮৪১ আপ করমণ্ডল এক্সপ্রেস। পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুর স্টেশন ছাড়ে বিকেল সোয়া ৫টায়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ ট্রেনটি পৌঁছায় বালেশ্বরে। কাছেই বাহানগা বাজারের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ২৩ কামরার ট্রেনটি।

ভারতীয় রেল মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অমিতাভ শর্মা এনডিটিভিকে বলেন, করমণ্ডল এক্সপ্রেস ট্রেনটি বাহানগা বাজারে বেঙ্গালুরু থেকে কলকাতাগামী একটি ট্রেনের লাইনচ্যুত বগিতে ধাক্কা দেয়।

ওড়িশা ফায়ার সার্ভিসের প্রধান সুধাংশু সারঙ্গি উদ্ধারকাজ তদারকি করছেন। বালেশ্বর ও আশপাশের মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালকে সতর্ক করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের দুর্যোগ বাহিনী এনডিআরএফ শতাধিক কর্মী আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধারে কাজ করছেন।

  করোনা ভাইরাস

;

কাশ্মিরে পর্যটকবাহী বাস খাদে, নিহত ১০



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে একটি পর্যটকবাহী বাস। এতে নিহত অন্তত ১০ জন এবং আহত হয়েছেন ১২ জন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাসে মোট ৭৫ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়কের কাছে একটি খাদে উলটে পড়ে পর্যটকদের একটি বাস। ফলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর এএনআইয়ের।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাঞ্জাবের অমৃতসর থেকে পর্যটকবাহী দূরপাল্লার বাসটি কাটরার দিকে যাচ্ছিল। ওই বাসে চড়ে কাটরায় বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে যাচ্ছিলেন পুণ্যার্থীরা। অনেকেরই আঘাত গুরুতর হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জম্মুর ডেপুটি কমিশনার অভনি লাভাসা জানিয়েছেন, কাটরা থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে ঝাজ্জার কোটলি নামের এলাকায় জাতীয় সড়কের কাছে গভীর খাদে পড়ে যায় যাত্রীবাহী বাসটি। জোর কদমে চলছে উদ্ধারকাজ।

সিআরপিএফ কমান্ডান্ট অশোক চৌধুরী জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজ চলছে। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে জম্মু ও কাশ্মিরে। পাহাড়ি রাস্তা ও খাড়া বাঁকের জন্য কাশ্মিরের পথে গাড়ি চালানো সমতলের তুলনায় অনেক কঠিন। সেখানে মুহূর্তের অসাবধানতা ডেকে আনতে পারে মৃত্যু।

  করোনা ভাইরাস

;

তৃতীয় মেয়াদে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট পদে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।

রোববার (২৮ মে) দেশটিতে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফা ভোটে বিজয়ী হয়েছেন তিনি। তবে, আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটির সুপ্রিম ইলেকশন কাউন্সিল এখনো ফলাফল নিশ্চিত করেনি।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোট বা রানঅফের ৯৭ শতাংশ ভোট গণনা শেষে ৫২ দশমিক ১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন এরদোয়ান। তার প্রতিদ্বন্দ্বী কেমাল কিলিচদারোগলু পেয়েছেন ৪৭ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট। এতে এরদোয়ান বেসরকারি প্রেসিডেন্ট পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন।

এর আগে, স্থানীয় সময় রোববার সকাল ৮টায় ভোট শুরু হয়ে বিকাল ৫টার দিকে শেষ হলে শুরু হয় গণনা। বাংলাদেশ সময় রাত ৯টার পর তুর্কি সংবাদমাধ্যম ফল প্রকাশ শুরু করে। আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে চূড়ান্ত ফল পাওয়া যেতে পারে।

গত ১৪ মে নির্বাচনের প্রথম দফায় এরদোয়ান পেয়েছিলেন ৪৯ শতাংশ ভোট। কিলিচদারোগ্লু পেয়েছিলেন ৪৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ। দুজনের কেউই ৫০ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় সংবিধান মোতাবেক নির্বাচন গড়ায় দ্বিতীয় দফায়।

ইতিহাসের প্রথমবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন গড়াল দ্বিতীয় ধাপে। বিভিন্ন জরিপ বলছে, প্রথম ধাপে ভোট দিয়েছেন এমন অনেকেরই দ্বিতীয় ধাপের ভোট দেওয়ায় আগ্রহ নেই। বিশ্লেষকদের মত, এমন পরিস্থিতিতে ভোটার উপস্থিতিও বড় প্রভাব ফেলতে পারে দুই প্রার্থীর ভোট ব্যাংকে।

  করোনা ভাইরাস

;