ঘূর্ণিঝড় রিমাল: কক্সবাজারে আশ্রয়কেন্দ্রে ৬ হাজার মানুষ

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কক্সবাজার
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে ঘর-বাড়িতে পানি উঠায় কক্সবাজার জেলায় ৬ হাজার ৩৩২ জন মানুষ ৬৩৮টি কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে।

রোববার (২৬ মে) বিকাল ৬টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান। 

তিনি বলেন, 'আশ্রয় নেয়া মানুষের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে অধিকাংশ মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে অনীহা জানাচ্ছে। এখনো অনেকেই অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে।’

বিকাল ৫টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার পৌর প্রিপ্যার‌্যাটরি উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, ১ নং ওয়ার্ডের সমিতি পাড়া, কুতুবদিয়া পাড়া, নাজিরারটেক ও ফদনার ডেইল এলাকার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটে আসছে। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা বেশি। অনেকেই গবাদিপশুও নিয়ে এসেছেন। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, বেলা ১২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কারও কপালে খাবার জুটেনি।

নাজিরারটেক বাসিন্না পাড়া থেকে আসা এমনই একজন ষাটোর্ধ্ব জয়নাল আবেদীন ৪টি ছাগলসহ আশ্রয়ে এসেছেন। তিনি জানান, নাজিরারটেকে ঘরবাড়িতে পানি উঠায় ছাগলগুলোকে নিয়ে আশ্রয়ে এসেছেন। এছাড়াও আরও মানুষজন আশ্রয় নিতে আসতে শুরু করেছে বলে জানান তিনি।

তিনি ছাড়াও বেলা ২টার সময় পৌরপ্রিপ্যারেটরি উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে আরও কয়েকটি পরিবার। সমিতি পাড়া, নাজিরারটেক ও বাসিন্না পাড়া থেকে ৪ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। পানি উঠে বাড়ি তলিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন তারা।

তবে কক্সবাজার পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র সালাউদ্দিন সেতু বলেন, 'কক্সবাজার পৌরসভা ২৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছে। সেখানে ৬ হাজার মানুষের জন্য রাতের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।'

কক্সবাজারের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল হান্নান বলেন, 'সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ২০ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে রাত ৮ টার পর বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।'

তিনি আরও বলেন, 'ঘূর্ণিঝড় 'রেমাল' ইতোমধ্যে উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানতে শুরু করেছে। তবে কক্সবাজারের তুলনায় এটি পটুয়াখালী, বরিশাল, খুলনা উপকূলে আঘাত হানবে বেশি।'

   

কাকড়াইলে এসএ পরিবহনে আসা পার্সেলে মিললো ইয়াবা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর কাকরাইলে এস এ পরিবহনে আসা একটি কুরিয়ারের ব্যাগ থেকে ৭ হাজার ২৫০ পিস ইয়াবা জব্দ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (উত্তর)।

শনিবার (১৫ জুন) দুপুরে অভিযান চালিয়ে এই ইয়াবা জব্দ করা হয়। রবিবার (১৬ জুন) এ তথ্য নিশ্চিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (উত্তর) সহকারী পরিচালক রাহুল সেন।

তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কাকরাইলের এস এ পরিবহনের অফিসে অভিযান চালানো হয়। সেখানে গিয়ে স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো শপিং ব্যাগ থেকে ৭ হাজার ২৪০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। তবে প্রাথমিক অবস্থায় এর মালিকের সন্ধান পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে। এই ইয়াবা কে পাঠিয়েছে আর কাকে পাঠিয়েছে সে বিষয়ে তদন্ত চলছে।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় পল্টন মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। জরিতদের চিহ্নিত করতে কাজ চলছে।

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল

;

জকিগঞ্জে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে চিনি ছিনতাইয়ের অভিযোগ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেটে একের পর এক চিনি ছিনতাইয়ের ঘটনায় নাম উঠে আসছে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। চিনি ছিনতাইকান্ডে কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলেও থামানো যাচ্ছে না ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের। সম্প্রতি চিনি কান্ডে বিয়ানীবাজার উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। তার রেস কাটতে না কাটতেই এবার সীমান্তবর্তী আরেক উপজেলা জকিগঞ্জে ৪০ বস্তা চিনি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার কালিগঞ্জ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে সমালোচনা। অভিযোগের তীর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সুলতান আহমদের বিরুদ্ধে। তার নেতৃত্বে চিনি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ছাত্রলীগ সভাপতি সুলতান আহমদ।

পুলিশ বলছে-ভুক্তভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কানাইঘাট উপজেলার আব্দুর রহিম ও ময়নুল হক নামের দুই ব্যক্তি বৃহস্পতিবার বিকেলে চারটি টমটম দিয়ে ৪০ বস্তা ভারতীয় চিনি কালিগঞ্জ বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন। কালিগঞ্জ বাজারে অদূরে ইছামতি ডিগ্রী কলেজের সামনে টমটমটি পৌঁছামাত্র উপজেলা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাসহ ৮-১০ জন নেতাকর্মী টমটমটি আটকিয়ে চিনির বস্তাগুলো ছিনতাই করে নিয়ে যান। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে মানিকপুর ইউনিয়ন পরিষদে দুই পক্ষকে নিয়ে একটি সালিশ বৈঠক ডাকা হয়। কিন্তু বৈঠকে ছাত্রলীগ নেতারা উপস্থিত হয়ে বিচার না মেনে উল্টো হুমকি-ধমকি দিয়ে চলে যান।

এদিকে, ওই দিনের ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ছড়িয়ে পড়া ৪ মিনিট ১ সেকেন্ডের একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, বাজারে প্রবেশের সময় একটি টমটম আটকায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এসময় কয়েকজন নেতাকর্মী টমটম থেকে চিনির বস্তা নামিয়ে নেন। এতে বাঁধা দিলে টমটম চালককে মারধরের চেষ্টা করা হয়।

এ বিষয়ে মানিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু জাফর মো.রায়হান বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, সহসভাপতি ও সাংগঠনিক সম্পাদকের নেতৃত্বে চিনি ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনার পর রাতে ইউনিয়ন পরিষদে সকল সদস্যের উপস্থিতিতে চিনির মালিক ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন। এসময় ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত ছাত্রলীগের এক নেতাকে টমটম চালক চিনে ফেলায় তারা উল্টো বৈঠক থেকে উঠে যান। এসময় তারা হুমকি দিয়ে যান।

তিনি আরও বলেন, চিনির মালিক জানিয়েছেন তিনি সিলেট থেকে চিনি কিনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তার কাছে চিনি ক্রয়ের একটি রশিদও রয়েছে।

এ ব্যাপারে জকিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সুলতান আহমদ বলেন, চিনি ছিনতাইয়ের সঙ্গে আমি জড়িত নয়। যারা এই কাজ করেছে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি। ইউনিয়ন পরিষদে বৈঠকে হুমকি দেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাজারে আমার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বাজারে পাশেই ইউনিয়ন পরিষদ। আমাকে বৈঠকে ডাকা হলে আমি সেখানেও বলেছি সঠিক তদন্ত করে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে।

জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.জাবেদ মাসুদ বলেন, আপনাদের ও ফেসবুকের মাধ্যমে বিষয়টি জানি। আমরা ভুক্তভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল

;

বাহাদুর-কালাপাহাড় নিয়ে বিপাকে মালিক দ্বীন মোহাম্মদ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর থানা এলাকা থেকে ১৬ মণ ওজনের বাহাদুর আর ১৯ মণ ওজনের কালাপাহাড় নিয়ে বিপাকে পড়েছেন মালিক দ্বীন মোহাম্মদ। তার দাবি হাটে আসার পর প্রথম দিন দামাদামি হলেও এখন কেউ দাম বলছে না। বড় গরু হওয়ায় কেউ এখন নিতে চাচ্ছেন না।

রোববার (১৬ জুন) দুপুরে কমলাপুর হাটের প্রবেশ মুখেই বাহাদুর আর কালাপাহাড় নিয়ে দুশ্চিন্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় মালিক দ্বীন মোহাম্মদকে।

বাহাদুর আর কালাপাহাড়ের মালিক দ্বীন মোহাম্মদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, গ্রামে একটি এনজিও থেকে ঋণ গরু লালন পালন করছি। বড় স্বপ্ন ছিল গরু দু'টো বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করে খামারটিকে বড় করব। কিন্তু এই হাটে ৫ দিন হয়ে গেলেও বড় গরু হওয়ায় কেউ দাম বলছে না। অনেকে দাম বলছে তাতে বিক্রি করলে আমার লোকশান হবে গরু প্রতি এক থেকে দেড় লাখ টাকা।

দ্বীন মোহাম্মদ কান্না কণ্ঠে বলেন, কুষ্টিয়া থেকে এই গরু ঢাকায় আনতে ট্রাক ভাড়া ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ঢাকায় আসার পর প্রতিদিন গরুর খাবারসহ দেড় থেকে দু'হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। এই গরু বিক্রি করতে না পারলে আবার ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচ করে কুষ্টিয়ায় নিয়ে যেতে হবে।


দ্বীন মোহাম্মদের মত সিরাজগঞ্জ জেলা থেকে শাহীওয়াল জাতের বিশাল চারটি গরু নিয়ে এসেছেন শহীদুল। একেকটি গরু ১৮ মণ ওজন। গত ১২ জুন বুধবার হাটে আসছেন তিনি। বার্তা২৪.কমকে বলেন, খামারে লালন পালন করে যে টাকা খরচ হয়েছে তার চেয়ে অনেক কম দাম বলছে। এখন আজকে বিক্রি না হলে আবার খামারে নিয়ে যাবেন গরুর মালিক শহিদুল।

তিনি আরও বলেন, কমলাপুর হাটে ছোট গরুর চাহিদা বেশি। বড় গরু কেউ নিতে চাচ্ছেন না। কিন্তু লোকশান দিয়ে গরু বিক্রি করবো না।

এদিকে সকাল থেকে কমলাপুর হাট ঘুরে দেখা যায়, এই হাটে সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে যেমন ট্রাকে করে গরু আসছে। তেমনি বিক্রিও হচ্ছে। ছোট মাঝারি গরুর চাহিদা থাকায় বিক্রিও হচ্ছে বেশি। যারা বড় গরু নিয়ে আসছেন তারাই বিপাকে পড়ছেন।

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল

;

বরিশালে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কা, নিহত ২



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বরিশাল
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বরিশাল ঢাকা মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা গ্যাসের সিলিন্ডারবাহী ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় দুইজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরো পাঁচজন।

রোববার (১৬) জুন সকালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ব্র্যাক অফিসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, সোহাগ (১৮) ও প্রায় ৩০ বছর বয়সী অজ্ঞাত পরিচয়ের এক যুবক।

আহতরা হলেন- জিয়াউল করিম (৩৩), জাহাঙ্গীর মোল্লা (৪৫), একরামুল (২৬), আরিফ (৩০) ও ইমন (৩০)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লোকমান হোসেন।

পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) লোকমান হোসেন বলেন, ঢাকা থেকে ব্যাপারী পরিবহনের একটি বাস যাত্রী নিয়ে বরিশালের নথুল্লাবাদ টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিল। ওই সময় গ্যাস সিলিন্ডার বোঝাই একটি ট্রাক মহাসড়কে দাঁড়ানো ছিল। এ সময় দ্রুতগতির বাসটি থেমে থাকা ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকটি ছিটকে পাশের পুকুরে পড়ে যায়। বাসের সামনে অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় দুইজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন। মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের বরিশাল শের ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল

;