'বিএনপি সিপিডির বাজেট বক্তব্য কাকাতুয়ার শেখানো বুলি'

  বাজেট অর্থবছর ২০২১-২২



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

বাজেট পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি সিপিডিসহ বিভিন্ন অর্থনীতিবিদদের বক্তব্য কাকাতুয়ার শেখানো বুলি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

শুক্রবার (৪ জুন) বাজেট পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

প্রস্তাবিত বাজেটে করোনাভাইরাস মহামারির বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি দাবি করে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, দুর্বল অনুমিতি ও বাস্তবায়নের সীমাবদ্ধতা বাজেট বাস্তবায়নকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে। বাজেটে অনুমিতি দুর্বল।

এদিকে নতুন বাজেটে সাধারণ মানুষের উন্নয়নের কোনো ‘জায়গা নেই’ বলে দাবি করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এসব বক্তব্যের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে যখন আমরা সরকার গঠন করি তখন বাজেটের পরিমাণ ছিল ৮৮ হাজার কোটি টাকা। সেই থেকে বার বছরেরর মাথায় আটগুণ বৃদ্ধি পেয়ে বাজেটের অংক দাড়িয়েছে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। ২০০৯ সালে মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল ছয়’শ ডলার, আজকে মানুষের মাথাপিছু আয় পাকিস্তান ভারতকে ছাড়িয়ে ২ হাজার ২শ ২৭ ডলার হয়েছে।

প্রকৃত পক্ষে ৩০শে জুনের পর এই মাথাপিছু আয় আরও বাড়বে। কারণ যেই মাথাপিছু আয় ২ হাজার ২শ ২৭ ডলার, সেখানে মে এবং জুন মাসের আয় ও রেমিটেন্স হিসেব করা হয় নি। সেই হিসেবে আমাদের মাথাপিছু আয় বাড়বে। এই যে মাথাপিছু আয় আমরা ভারতেকে ছাড়িয়ে গেলাম এটা কিন্তু ভারতের পত্র পত্রিকায় টেলিভিশনে আলোচনার ঝড় বইছে। কিন্তু আমাদের দেশে যারা অর্থনীতি নিয়ে কাজ করছেন, নানান সময় নানা মত দেন তারা এটি নিয়ে একটি বাক্য বলেছে এমন, শুনতে পাই নি। যেটি অত্যান্ত দুঃখ জনক।

সিপিডির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, অর্থনীতিবিদরা যারা সব সময় সরকারের নানা দোষ খোঁজেন, সরকারকে নানা পরামর্শ দেন তাদের মুখেও কোন কথা শুনতে পাই না। তারা কি দেশকে এবং দেশের মানুষের প্রসংশা করতে কুণ্ঠা বোধ করছেন? এটি আমার প্রশ্ন।

সিপিডির যারা বক্তব্য রেখেছেন তাদের অনুরোধ জানাবো পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বাজেটগুলো বিশ্লেষণ করার জন্য। সিপিডি নয় আরও অনেকে বলেছে এই বাজেট ঝণ নির্ভবর, এই বাজেট ঘাটতি বাজেট।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে হাছান মাহমুদ বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরে বাজেটে ঘাটতি হচ্ছে ১৫.২ শতাংশ, যুক্তরাজ্য ইউকেতে জিডিপির তুলনায় ঘাটতি বাজেট হচ্ছে ১৪.৩ শতাংশ, ভারতে জিডিপির তুলনায় ঘাটতি বাজেট ২০২০-২১ অর্থ বছরে জিডিপির তুলনায় ছিল ৯.৩ শতাংশ, জাপানে জিডিপির তুলনায় ঘাটতি ছিল ১২.৬২ শতাংশ।

আমাদের যে বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে সেখানে জিডিপির তুলনায় ৬.২ শতাংশ। ভারতের তুলনায় আমাদের ঘাটতি অনেক কম। গত বাজেটে ঘাটতি বাজেট ছিল ৬.১ শতাংশ। সেটি করোনা মাহামারিরর মধ্যেও সেই বাজেট বাস্তবায়ন হয়েছে। সুতরাং তাদের কাছে অনুরোধ জানাবো পৃথিবীর অন্যান্য দেশের বাজেট গুলো বিশ্লেষণ করার জন্য। গত বাজেটেও যে ঘাটতি বাজেট সেটি যে বাস্তবায়িত হয়েছে সেটির জন্য একটু প্রসংশা করেন।

বাজেট বাস্তবায়ন না হলে দেশ এগিয়েছে কিভাবে এমন প্রশ্ন রেখে হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের বাজেট বাস্তবায়নের হার হচ্ছে ৯৫ শতাংশ। কোন কোন বছর ৯৮ শতাংশ বাস্তবায়িত হয়েছে এটা কেউ দেখে না। প্রতিবারই দেখবেন বাজেট ঘোষণার পর পরই বলা হয় এই বাজেট অবাস্তবায়ন যোগ্য, এই বাজেট উচ্চ বিলাশী নানা ধরনের কথা বলা হয়, এই বাজেটে জনগনের কোন কিছু নেই। কিছু সংগঠন কিছু রাজনৈতিক দল এগুলো বলে বেড়াচ্ছেন।

তাই যদি হয় তাহলে এই বার বছরে দেশটা এগিয়ে গেল কিভাবে? বার বছরে মানুষের মাথাপিছু আয় এত উন্নিত হলো কিভাবে। বার বছরে দেশটা বদলে গেল কিভাবে?

বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, গত বার বছরে উনারা সাধারণ মানুষের উন্নয়ন দেখতে পায় নি। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের ব্যপক উন্নয়ন হয়েছে বিধায় আগে যেখানে এক মুঠো মোটা চাল খাবে এটাই ছিল মানুষের প্রত্যাশা। এখন মানুষ আর মোটা চাল খায় না, বাংলাদেশের মানুষ এখন আর অভুক্ত থাকে না। সন্ধার পরে কিংবা ভর দুপুরে শহরের অলিতে গলিতে কিংবা গ্রাম গ্রামান্তরে মা আমাদের একটু বাসি ভাত দেন এই ডাক শুনা যায় না। এইদেশে এখন সহজে ছেড়া কাপড় পরা মানুষ দেখা যায় না। বাংলাদেশে এখন খালি পায়ে মানুষ দেখা যায় না। বাংলাদেশে এখন আকাশ থেকেও কুড়ে ঘড় পাওয়া যায় না।

এটা সাধারণ মানুষের উন্নয়নের কারণেরই হয়েছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম সাহেবরা গত সাড়ে বাড় বছর ধরে বাজেট ঘোষণার পর কিংবা সরকারের কোন পদক্ষেপে দেখতে পান না। তারা চোখ থাকতেও অন্ধ কান থাকতেও বদির। ফখরুল সাহেবরা দেখেও দেখেন না এবং শুনেও শুনেন না।

  বাজেট অর্থবছর ২০২১-২২

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ‘এটেম্পট টু মার্ডার’: রিজভী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যে ভাষায় বক্তব্য রেখেছেন তার তীব্র সমালোচনা করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে পদ্মা নদীতে টুস করে ফেলে দেওয়ার যে হুমকি দিয়েছেন তা রীতিমতো ‘এটেম্পট টু মার্ডার‘। এটা স্পষ্টই হত্যার হুমকি। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশের সিনিয়র নাগরিক সম্পর্কে শেখ হাসিনা যে ভাষায় কথা বলেছেন তা গোটা জাতির জন্য লজ্জাজনক। দেশবাসী তার কথায় বিস্মিত।

রোববার (২২ মে) দুপুরে এক বিক্ষোভ মিছিল শুরুর প্রাক্কালে রিজভী এসব কথা বলেন।

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কটূক্তির প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। রাজধানীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের নতুন ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি চানখাঁরপুলের দিকে এগিয়ে যায়। মিছিলকারীরা খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে ‘খালেদা জিয়ার কিছু হলে, জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’, অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই, দিতে হবে দিয়ে দাও’ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য যাবতীয় ভব্যতা ও শিষ্টাচারকে অতিক্রম করেছে। তার বক্তব্য সরাসরি নারীবিদ্বেষী ও বর্ণবাদী। গণতান্ত্রিক সভ্য দেশে কোনো প্রধানমন্ত্রীর মুখ দিয়ে এমন বক্তব্য বের হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হতো। তিনি সরাসরি দেশের একজন সম্মানিত ও সাবেক নারী প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে দেশের জনগণ একাধিকবার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। দেশে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি সামনের সারিতে আছেন। তার সময়ই মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা চালু করা হয়। এ ছাড়া দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তিনি আপোসহীন। অথচ শেখ হাসিনা তাকে নিয়ে শুধু বাজে মন্তব্যই করেননি, খালেদা জিয়াকে নিয়ে রাজনৈতিক বিদ্বেষও ছড়িয়েছেন। আমরা তার বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা জানাই।

  বাজেট অর্থবছর ২০২১-২২

;

শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন হবে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী শেখ হাসিনা সরকারের অধীনেই জাতীয় নির্বাচন হবে। এটা মেনেই বিএনপিকে নির্বাচনে আসতে হবে।

তিনি বলেন, বিএনপির কথায় শেখ হাসিনা পদত্যাগ করবে না। বিএনপি ব্যর্থ রাজনৈতিক দল। তারা পদত্যাগ করবে।

রোববার (২২ মে) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে মৎস্যজীবী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপিকে নির্বাচনে আসার পরামর্শ দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, চিৎকার করে লাভ নেই। নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতা পরিবর্তনের বিকল্প নেই। বিএনপিকে বাঁকা পথ পরিহার করে সোজা পথে ক্ষমতায় আসার আহ্বান জানান তিনি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপির কথায় শেখ হাসিনা পদত্যাগ করবে না। বিএনপি ব্যর্থ রাজনৈতিক দল। তারা পদত্যাগ করবে। শেখ হাসিনা সরকারের অধীন জাতীয় নির্বাচন হবে। এটা মেনেই নির্বাচনে আসতে হবে বিএনপিকে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ডক্টর আব্দুস সোবহান গোলাপ এবং ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।

  বাজেট অর্থবছর ২০২১-২২

;

পরিসর বাড়লো গণঅধিকার পরিষদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পরিসর বেড়েছে গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কমটির। কমিটিতে নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ১৯ জন। আগের ১০১ জন নিয়ে বর্তমানে আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সংখ্যা ১২০ জন।

শনিবার (২১ মে) রাতে গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া ও সদস্য সচিব নুরুল হক নূরের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নাম জানানো হয়।

দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন

যুগ্মআহ্বায়ক:

কর্ণেল (অবঃ) মিয়া মশিউজ্জামান, চোধুরী আশরাফুল বারী নোমান, অধ্যাপক (অবঃ) ড. আবদুল মালেক ফরাজি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, মেজর (অবঃ) আমিন আহমেদ আফসারী, মেজর (অবঃ) ড. বদরুল আলম সিদ্দিকী, জেলা ও দায়রা জজ (অবঃ) শামস-উল- আলম খান চৌধুরী, অধ্যাপক ড. মাহবুব হোসেন।

যুগ্ম সদস্য সচিব:

মো. তারেক রহমান, স্কোয়াড্রন লীডার (অবঃ) মাহমুদ আলী, লেঃ কমাঃ (অবঃ)মু্হাঃ আব্দুল বাসেত, ওয়াহেদুর রহমান মিল্কি।

সহকারী সদস্য সচিব:

শামসুদ্দিন আহমেদ, আনিসুর রহমান মুন্না।

সদস্য:

প্রিন্সিপাল এম.এ মালেক, শাহরুখ খান (আজাদ), কাজী মোকলেস, নুর আলম মোল্লা, মো. শহিদুল ইসলাম।

দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের উদ্দেশ্যে নুরুল হক নুর বলেন, জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে গণঅধিকার পরিষদে আপনাদের নেতৃত্ব আগামীর বাংলাদেশ বির্নিমানে জাতিকে পথ দেখাবে বলে আশা করি।

বার্তা২৪.কম-কে নূর বলেন, আত্মপ্রকাশের পর প্রথমবারের মত আহ্বায়ক কমিটির পরিসর বাড়ানো হল। আমরা দ্রুত জেলা কমিটিগুলো দেয়ার চেষ্টা করছি। আগামী তিন মাসের মধ্যে চেষ্টা করব ৫০টির মতো জেলা কমিটি দেয়ার। চলতি বছরের মধ্যে জেলা কমিটিগুলো দিয়ে কাউন্সিল করা হবে। কাউন্সিলের মাধ্যমে গণঅধিকার পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হবে।

  বাজেট অর্থবছর ২০২১-২২

;

ছাত্রদলের ওপর পুলিশি নির্যাতন বন্ধ না হলে কঠোর কর্মসূচির হুমকি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছাত্রদলের ওপর পুলিশি নির্যাতন বন্ধ না হলে কঠোর কর্মসূচির হুমকি

ছাত্রদলের ওপর পুলিশি নির্যাতন বন্ধ না হলে কঠোর কর্মসূচির হুমকি

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশি হামলা, মামলা ও গ্রেফতার বন্ধ না হলে কঠোর কর্মসূচির হুমকি দিয়েছে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল।

শনিবার (২১ মে) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হয়রানির প্রতিবাদে এ সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটি।

সাইফ মাহমুদ জুয়েল বলেন, এই অবৈধ সরকারের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ সময় অতিক্রম করছে প্রিয় মাতৃভূমি৷ ঈদুল ফিতরের পর অল্প কয়দিনের ব্যবধানে কোন কারণ ছাড়াই কয়েকবার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বারবার গ্রেফতারের চেষ্টা ছাত্রসমাজকে খুবই মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ করেছে৷ আমরা ছাত্রদল এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, এ অবৈধ সরকার তাদের ক্ষমতার প্রথম মেয়াদ থেকেই বিরোধী দল ও মতের মানুষের উপর খড়গহস্তে নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়ে আসছে৷ জেল-জুলুম আর অত্যাচার-নির্যাতনকেই ক্ষমতায় টিকে থাকার মানদণ্ড হিসেবে বেছে নিয়েছে৷ না হলে বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো বর্তমানে যখন কোন নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন কর্মসূচির চালিয়ে যাচ্ছে ঠিক সেসময় ছাত্রদল সভাপতিকে বারবার গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে হয়রানি, গভীর ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়৷

ছাত্রদল সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার কোনদিনই রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে ছিল না৷ তাদের রাজনৈতিক শিষ্টাচারহীনতার বহু উদাহরণ এদেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে৷ সেই তালিকায় সর্বশেষ যুক্ত হলো ছাত্রদল সভাপতিকে বিনা কারণে বারবার গ্রেপ্তারে ও হয়রানির অপচেষ্টা।

তিনি বলেন, ছাত্রদল সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ শুক্রবার দিবাগত রাতে ধানমন্ডিতে নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করছিলেন৷ এসময় সাত-আটজন সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণের প্যান্টের বেল্ট ধরে টানাহেঁচড়া করে তাকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। তাদের সাথে দুই গাড়ি পুলিশ ছিল। কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ ও তার সাথে থাকা ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের ৪৫-৫০ নেতা কর্মীর উপর পুলিশ অশালীন আচরণ ও মারধরের ঘটনা ঘটায়।

সাইফ জুয়েল বলেন, উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে থেকে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সভাপতিকে গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয়ে সেখান থেকে ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক আজিজুর রহমান আজিজ ও কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আব্দুর রহমান বাবুকে বেধড়ক মারধর করে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়৷

তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে নয়াপল্টন বিএনপি কার্যালয় থেকে বাসায় যাওয়ার পথে গুলশান থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আশরাফুল ইসলাম জাসামকে কাকরাইল মোড় থেকে পুলিশ উঠিয়ে নিয়ে যায়৷ অনেক খোঁজাখুঁজির পর আজ সকালে রাজধানীর ডিওএইচএস এলাকায় চোখ ও হাত বাধা অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়৷

অবিলম্বে আটক ছাত্রদলের সকল নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি জানান সাইফ মাহমুদ জুয়েল।

সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, সিনিয়র সহ সভাপতি রাশেদ ইকবাল খান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবু আফসার মোহাম্মদ ইয়াহিয়া উপস্থিত ছিলেন।

  বাজেট অর্থবছর ২০২১-২২

;