আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের/ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের/ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন ও শফিউল আলম নাদেলের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন ওয়াসিকা আয়েশা খান।

বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাত ৯টার পর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের কমিটিতে নতুন করে স্থান পাওয়া নেতাদের নাম ঘোষণা করেন।

গত ২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে ৮১ সদস্যের কমিটির ৪২ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। ৩৯ জনের নাম ঘোষণা বাকি ছিল। বৃহস্পতিবার এই ৩৯ জনের নাম ঘোষণার কথা থাকলেও ৩২ জনের নাম ঘোষণা করেছেন ওবায়দুল কাদের।

এখনো দলের কোষাধ্যক্ষ, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক, ধর্ম সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক এবং তিনজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্যের নাম ঘোষণা বাকি রয়েছে।

এ ব্যাপারে ওবায়দুল কাদের বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির বেশকিছু পদে দায়িত্বপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়নি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নেতাকর্মীরা রয়েছেন, তাদের প্রতি সুবিচার করার বিষয় আছে। এসব বিবেচনায় ৩২ জনের নাম ঘোষণা করা হলো।

কমিটিতে এলেন যারা
সাংগঠনিক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল
অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক : ওয়াসিকা আয়েশা খান
তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক: সেলিম মাহমুদ
উপ-প্রচার সম্পাদক : আমিনুল ইসলাম
উপ দপ্তর সম্পাদক: সায়েম খান
শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক: হাবিবুর রহমান সিরাজ 

কার্যনির্বাহী সদস্য
আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, খ ম জাহাঙ্গীর, নুরুল ইসলাম ঠান্ডু, বদর উদ্দিন কামরান, দীপঙ্কর তালুকদার, অ্যাডভোকেট আমিরুল আলম, আক্তার জাহান, ডাক্তার মুশফিক, অ্যাডভোকেট রিয়াজুল কবির কাওছার, মেরিনা জামান কবিতা, পারভিন জামান কল্পনা, হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, অ্যাডভোকেট সফুরা খাতুন, অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম, আনোয়ার হোসেন, আনিসুর রহমান, শাহাবুদ্দিন ফরাজী, ইকবাল হোসেন অপু, গোলাম রব্বানী চিনু, মারুফা আক্তার পপি, উপাধ্যক্ষ রেমন্ড আরেং, গ্লোরিয়া সরকার ঝর্ণা। 

কেন্দ্রীয় কমিটির নতুন সদস্যদের নাম ঘোষণা শেষে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, আগামী ৩ জানুয়ারি নতুন কমিটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে।

গত ২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনে প্রথম দফায় ৮১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। কাউন্সিলররা শেখ হাসিনাকে সভাপতি এবং ওবায়দুল কাদেরকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করেন। সেদিন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও কমিটির ৪২ জন সদস্যের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল।

প্রথম দফায় কমিটিতে থাকা সদস্যরা হলেন

সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য
সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, কাজী জাফরউল্লাহ, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, নুরুল ইসলাম নাহিদ, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পীযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্য, ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, রমেশ চন্দ্র সেন, অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খান, আবদুল মতিন খসরু, শাজাহান খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান।


যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
মাহাবুব-উল-আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, ড. হাছান মাহমুদ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। এদের মধ্যে নতুনভাবে যুক্ত হয়েছেন ড. হাছান মাহমুদ এবং আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।

সাংগঠনিক সম্পাদক
আহমেদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হক, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, এস এম কামাল হোসেন ও মির্জা আজম। এর মধ্যে আহমেদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হক ও আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন আগের কমিটিতেও একই পদে ছিলেন। আর আগের কমিটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য থেকে সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন বাকি দু’জন।

অন্যান্য সম্পাদকীয় পদ
আওয়ামী লীগের বিদায়ী কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্যদের মধ্যে আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলি, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক হয়েছেন হারুনুর রশিদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আব্দুর সবুর ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস নতুন কমিটিতেও নিজ নিজ সম্পাদক পদ ধরে রেখেছেন।

বাকি সম্পাদক পদগুলোর মধ্যে আইন বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন নজিবুল্লাহ হিরু, দফতর সম্পাদক হয়েছেন ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হয়েছেন ড. আব্দুস সোবাহান গোলাপ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মেহের আফরোজ চুমকী।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

রাষ্ট্রপতি প্রার্থী কে হবেন, ঠিক করবেন শেখ হাসিনা: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়ভার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সংসদীয় দলের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি সংসদীয় দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী চূড়ান্ত করতে দলীয় সভাপতিকে একক ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করি। তখন সভায় উপস্থিত সবাই তা সমর্থন করে।

ইতিমধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে আগ্রহী প্রার্থীদের।১৯ ফেব্রুয়ারি দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আগামী ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে।

১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সংসদ সদস্যদের ভোটে। আর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) তাতে নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ওই আইনের সপ্তম ধারায় বলা হয়েছে, নির্বাচনী কর্মকর্তা নির্ধারিত দিন, সময় ও স্থানে মনোনয়নপত্র পরীক্ষা করবেন। প্রার্থী একজন হলে এবং পরীক্ষায় তার মনোনয়নপত্র বৈধ বিবেচিত হলে কমিশন তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করবেন। তবে একাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হলে নির্বাচনের জন্য তাদের নাম ঘোষণা করবে ইসি।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;

আ.লীগের সংসদীয় দলের বৈঠক শুরু, কে হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কে হচ্ছেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি! এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। এরমধ্যে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী নির্বাচনে মঙ্গলবার (৭ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টায় বৈঠকে বসেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংসদীয় দল।

এতে সভাপতিত্ব করছেন আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সূত্র জানায়, সোমবার পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি পদে দুটি নাম বেশি আলোচনায় রয়েছে। তারা হলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা মসিউর রহমান। এ ছাড়া আলোচনায় রয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোশাররফ হোসেন।

ইতিমধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে আগ্রহী প্রার্থীদের।১৯ ফেব্রুয়ারি দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আগামী ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে।

১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সংসদ সদস্যদের ভোটে। আর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) তাতে নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ওই আইনের সপ্তম ধারায় বলা হয়েছে, নির্বাচনী কর্মকর্তা নির্ধারিত দিন, সময় ও স্থানে মনোনয়নপত্র পরীক্ষা করবেন। প্রার্থী একজন হলে এবং পরীক্ষায় তার মনোনয়নপত্র বৈধ বিবেচিত হলে কমিশন তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করবেন। তবে একাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হলে নির্বাচনের জন্য তাদের নাম ঘোষণা করবে ইসি।

আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সবশেষ ষষ্ঠ সভা হয় ১২ জানুয়ারি। ওই সভায় প্রবীণ রাজনীতিক মতিয়া চৌধুরীকে সংসদ উপনেতা করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;

অনেকেই সরকারের বিরোধিতাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা মনে করে: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
অনেকেই সরকারের বিরোধিতাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা মনে করে: জিএম কাদের

অনেকেই সরকারের বিরোধিতাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা মনে করে: জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের এমপি বলেছেন, দেশের মানুষের পক্ষে সরকারের ভুল-ত্রুটি ধরিয়ে দিতে সরকারের সমালোচনা করছি, সরকারের সমালোচনা কখনোই রাষ্ট্রদ্রোহিতা হতে পারে না। অনেকেই সরকারের বিরোধিতাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা মনে করেন।

মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয়ে কুমিল্লা জেলা জাতীয় পার্টি নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

জিএম কাদের আরও বলেন, সমালোচকদের মুখ বন্ধ করতে চেষ্টা করা হচ্ছে। আমাদের রাজনীতি দেশের মানুষের জন্য তাই, আমরা দেশের মানুষের জন্য কথা বলি। সরকার দেশের মানুষের মাঝে বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। সরকারি দল না করলে চাকরি মেলে না, ব্যবসা করা যায় না। স্বাধীনতার আগে পাকিস্তানীরা আমাদের সাথে বৈষম্য করেছিল। সেই বৈষম্যের বিরুদ্ধেই আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এখনো দেশের মানুষ বৈষম্যের শিকার। দেশের মানুষের সাথে বৈষম্য হচ্ছে স্বাধীনতার চেতনা পরিপন্থী।

তিনি বলেন, নির্বাচনে আমরা জোটবদ্ধ হওয়াকে বন্ধুত্ব মনে করি। জোটবদ্ধ হওয়া মানে ক্রীতদাস হওয়া নয়, জোটবদ্ধ মানে দাসত্ব নয়। আমরা রাজনীতি করি, দেশের মানুষের স্বার্থই আমাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মানুষ বিভিন্নভাবে নিষ্পেশিত হচ্ছে। প্রতিদিন দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাচ্ছে। আবার মানুষের আয়ও কমে যাচ্ছে। এ কারণেই মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। দেশের মানুষ সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কুমিল্লা মহানগর আহ্বায়ক রওশন আরা মান্নান এমপি, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক এয়ার আহমেদ সেলিম, সদস্য সচিব হুমায়ুন কবির মুন্সি বক্তব্য রাখেন।

উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা প্রফেসর গোলাম মোস্তফা, মমতাজ উদ্দিন, যুগ্ম মহাসচিব মোঃ বেলাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হেলাল উদ্দিন, এনাম জয়নাল আবেদীন, দফতর সম্পাদক-২ এমএ রাজ্জাক খান প্রমুখ ।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;

যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তন দৃশ্যমান: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ওবায়দুল কাদের, ফাইল ছবি

ওবায়দুল কাদের, ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের আমলে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার আমলে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তন দৃশ্যমান। এখন অগ্রাধিকার হলো অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিশৃঙ্খলাকে নিয়ন্ত্রণে আনা। এ জন্য প্রয়োজন জনগণের সচেতনতা।’

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর মৎস ভবন মোড়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) উদ্যোগে সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন।

ইজিবাইকগুলো নীতিমালার মধ্যে নিয়ে আসার কাজ শেষ পর্যায়ে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, মেট্রোরেলের পিলারে যারা পোস্টার লাগিয়েছেন তারা নিজ দায়িত্বে সেগুলো সরাবেন, অন্যথায় ব্যবস্থা নেয়া হবে। সড়কে নিরাপত্তা সবাই চায়, ফলে সবাইকেই এগিয়ে আসতে হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন পর্যন্ত আমাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রতিদিন আছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে যে কর্মসূচি তা পাল্টাপাল্টি কোনো কর্মসূচি নয়। জনগণের জানমাল রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য। আর তাই নির্বাচনের আগে আমাদের দলীয় কর্মসূচি থাকবে।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, আমরা আমাদের কর্মসূচি পালন করছি, কোনো সংঘাতে যাচ্ছি না। ২০১৩-১৪ সালে আমরা দেখেছি তারা (বিএনপি) কর্মসূচির নামে আগুন সন্ত্রাস, রেল স্টেশন, ভূমি অফিস পুড়িয়ে দিয়েছিল। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেয়া আমাদের কর্তব্য। কাজেই সারা বাংলাদেশে আগামী নির্বাচন পর্যন্ত সতর্ক পাহারায় থাকবো।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আজকের সংসদীয় বৈঠকে এটা এজেন্ডা আকারে আসতে পারে। আজ সবকিছু হয়ে যাবে এমন নয়। ১৯ তারিখ নির্বাচন, তার আগে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটিই বাস্তবায়ন করা হবে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে চিন্তা ভাবনা করছেন। তিনি শেষ পর্যন্ত যেটা সিদ্ধান্ত নেবেন সেটি আমাদের দল মেনে নেবে। আমাদের সভাপতির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। এমনও হতে পারে আমরা সংসদীয় দলের প্রধানের কাছে দায়িত্ব দিতে পারি।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;