আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের/ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের/ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন ও শফিউল আলম নাদেলের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন ওয়াসিকা আয়েশা খান।

বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাত ৯টার পর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের কমিটিতে নতুন করে স্থান পাওয়া নেতাদের নাম ঘোষণা করেন।

গত ২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে ৮১ সদস্যের কমিটির ৪২ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। ৩৯ জনের নাম ঘোষণা বাকি ছিল। বৃহস্পতিবার এই ৩৯ জনের নাম ঘোষণার কথা থাকলেও ৩২ জনের নাম ঘোষণা করেছেন ওবায়দুল কাদের।

এখনো দলের কোষাধ্যক্ষ, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক, ধর্ম সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক এবং তিনজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্যের নাম ঘোষণা বাকি রয়েছে।

এ ব্যাপারে ওবায়দুল কাদের বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির বেশকিছু পদে দায়িত্বপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়নি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নেতাকর্মীরা রয়েছেন, তাদের প্রতি সুবিচার করার বিষয় আছে। এসব বিবেচনায় ৩২ জনের নাম ঘোষণা করা হলো।

কমিটিতে এলেন যারা
সাংগঠনিক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল
অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক : ওয়াসিকা আয়েশা খান
তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক: সেলিম মাহমুদ
উপ-প্রচার সম্পাদক : আমিনুল ইসলাম
উপ দপ্তর সম্পাদক: সায়েম খান
শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক: হাবিবুর রহমান সিরাজ 

কার্যনির্বাহী সদস্য
আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, খ ম জাহাঙ্গীর, নুরুল ইসলাম ঠান্ডু, বদর উদ্দিন কামরান, দীপঙ্কর তালুকদার, অ্যাডভোকেট আমিরুল আলম, আক্তার জাহান, ডাক্তার মুশফিক, অ্যাডভোকেট রিয়াজুল কবির কাওছার, মেরিনা জামান কবিতা, পারভিন জামান কল্পনা, হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, অ্যাডভোকেট সফুরা খাতুন, অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম, আনোয়ার হোসেন, আনিসুর রহমান, শাহাবুদ্দিন ফরাজী, ইকবাল হোসেন অপু, গোলাম রব্বানী চিনু, মারুফা আক্তার পপি, উপাধ্যক্ষ রেমন্ড আরেং, গ্লোরিয়া সরকার ঝর্ণা। 

কেন্দ্রীয় কমিটির নতুন সদস্যদের নাম ঘোষণা শেষে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, আগামী ৩ জানুয়ারি নতুন কমিটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে।

গত ২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনে প্রথম দফায় ৮১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। কাউন্সিলররা শেখ হাসিনাকে সভাপতি এবং ওবায়দুল কাদেরকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করেন। সেদিন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও কমিটির ৪২ জন সদস্যের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল।

প্রথম দফায় কমিটিতে থাকা সদস্যরা হলেন

সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য
সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, কাজী জাফরউল্লাহ, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, নুরুল ইসলাম নাহিদ, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পীযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্য, ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, রমেশ চন্দ্র সেন, অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খান, আবদুল মতিন খসরু, শাজাহান খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান।


যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
মাহাবুব-উল-আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, ড. হাছান মাহমুদ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। এদের মধ্যে নতুনভাবে যুক্ত হয়েছেন ড. হাছান মাহমুদ এবং আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।

সাংগঠনিক সম্পাদক
আহমেদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হক, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, এস এম কামাল হোসেন ও মির্জা আজম। এর মধ্যে আহমেদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হক ও আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন আগের কমিটিতেও একই পদে ছিলেন। আর আগের কমিটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য থেকে সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন বাকি দু’জন।

অন্যান্য সম্পাদকীয় পদ
আওয়ামী লীগের বিদায়ী কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্যদের মধ্যে আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলি, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক হয়েছেন হারুনুর রশিদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আব্দুর সবুর ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস নতুন কমিটিতেও নিজ নিজ সম্পাদক পদ ধরে রেখেছেন।

বাকি সম্পাদক পদগুলোর মধ্যে আইন বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন নজিবুল্লাহ হিরু, দফতর সম্পাদক হয়েছেন ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হয়েছেন ড. আব্দুস সোবাহান গোলাপ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মেহের আফরোজ চুমকী।

   

খালেদা জিয়ার সঙ্গে আমীর খসরুর সাক্ষাৎ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে খালেদা জিয়ার গুলশনের বাসভবন ফিরোজায় যান তিনি। রাত ৯টা ৫মিনিটে আমীর খসরু সেখান থেকে বের হন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি জানান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সম্প্রতি কারামুক্ত হয়ে আজ বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন।

এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ৩ মাসের বেশি সময় কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পান মির্জা ফখরুল ও আমীর খসরু।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ: গণতন্ত্র মঞ্চ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা বলেছেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) গণতন্ত্র মঞ্চের উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নাগরিক ঐক্যের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব আনোয়ারকে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে এবং রাজনৈতিক দমন-পীড়ন বন্ধের দাবিতে সমাবেশ তারা এসব কথা বলেন।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণের হাঁকডাক সত্ত্বেও বাজারের দামের ঊর্ধ্বগতি রোধে সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ। বাজার নিয়ন্ত্রণের কোন পদক্ষেপ যে কাজ করছে না, এটা এখন সরকারি স্বীকার করছে। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে সরকার এখন বিরোধী দলের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে নেতৃবৃন্দ বলেন, বিরোধী দল যদি বাজারে দাম বাড়িয়ে দিতে পারে তাহলে আপনারা ক্ষমতায় আছেন কেন? আসলে সরকার নিজেই এখন সিন্ডিকেটে পরিণত হয়েছে। সে কারণে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম বেড়েই চলেছে। জনগণের পকেট হাতিয়ে নেওয়া দুর্বৃত্তদের স্বার্থ রক্ষার্থেই কাজ করছে সরকার। আর তার মাশুল দিতে গিয়ে জনগণের জীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে। নেতৃবৃন্দ সরকারের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

তারা বলেন, অবৈধ সরকার সর্বত্র ভয়-ত্রাস আর দমন পীড়ন করে মানুষের কণ্ঠ রোধ করতে চাইছে। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার খামারবাড়ি এলাকায় নাগরিক ঐক্যের গণতন্ত্রের পক্ষে গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে হামলা করে নাগরিক ঐক্যের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব আনোয়ারকে গুরুতর আহত করার ঘটনা তারই ধারাবাহিকতা। এইভাবে গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতেও হামলা প্রমাণ করে এক অজানা আতঙ্ক সরকারকে তাড়া করে ফিরছে। সে কারণে হামলা-মামলা, গ্রেফতার এবং গুম-খুনের আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়ে সরকার নিজেদের ভয় কাটানোর চেষ্টা করছে। আজ সকালে ১২ দলীয় জোটের মিছিলেও পুলিশের হামলার তীব্র নিন্দা জানান নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, অতীতের স্বৈরাচারীরাও এই পথে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিল। শেষ পর্যন্ত পার পায়নি। জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন সকল ভয়-ত্রাস মোকাবিলা করে বিজয়ী হয়েছে। এই সরকারও শেষ রক্ষা করতে পারবে না।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান রিজু। সমাবেশ পরিচালনা করেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল তারেক। সমাবেশ শেষে একটি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;

জাপায় সরকারি দলের এজেন্ট ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় নেতা জিএম কাদের বলেছেন, আমাদের দলের মধ্যে সরকারি দলের এজেন্ট ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারা আমাদের দল করে কিন্তু রাজনীতি করে অন্য দলের।

শনিবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয়ে নিজ জন্মদিনের আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এমন মন্তব্য করেন।

জিএম কাদের আরও বলেন, আমাদের দল করে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা নেয় কিন্তু রাজনীতি করার সময় তারা সরকারি দলের রাজনীতি করে। যখনই আমরা সঠিক রাজনীতি করতে চাই, তখনই আমাদের দলকে ভেঙে আরেকটি দল সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়। এটা সরকারই করে, যাতে আমরা স্বাধীনভাবে রাজনীতি করতে না পারি। আগে আমরা পরজীবী হলেও আমাদের একটা পছন্দ ছিলো, আমরা যেকোন পক্ষে যেতে পারি, আমাদের বার্গেনিং পয়েন্ট ছিলো। এখন আমরা বন্দি হয়ে গেছি, একজনের কাছেই যেতে হবে। আমরা সঠিক রাজনীতি করতে গেলেই.... একজন একটা ডাক দেবেন, সরকার মদদ দেবেন, মিডিয়া কাভারেজ দেবে আর আমাদের দল ভেঙে আইনের মাধ্যমে লাঙ্গল নিয়ে নেয়ার হুমকী দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, দল বাঁচাই না রাজনীতি বাঁচাই এই সমস্যায় জাতীয় পার্টি ভঙ্গুর হয়ে যাচ্ছে। কারণ, আমরা লোভ-লালসা থেকে দূরে থাকতে পারি না। আমাদের দলে থেকে যারা অন্য দলের রাজনীতি করে তাদের আমরা দল থেকে বের করে দিতে পারি না। রাজনীতি বাঁচাতে আমাদের ঝুঁকি নিতে হবে। সরকার আমাদের দুর্বল করতে আমাদের মাঝেই একটি জোট বানিয়ে রাখছে। আমরা সঠিক রাজনীতি করতে গেলেই সরকার আমাদের দল ভেঙে দেওয়ার অপচেষ্টা করে। যারা জাতীয় পার্টি ব্যবহার করে অন্য দলের রাজনীতি করতে চায় তাদের দল থেকে বের করে দিতে হবে। এটা করতে পারলেই জাতীয় পার্টি টিকবে।

তিনি বলেন, ১৯৯০ সালের পর জাতীয় পার্টি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়েছে। ক্ষমতার বাইরে থাকলে আমাদের দেশের দলগুলো টিকতে পারে না। ক্ষমতাসীনরা জুলুম-নির্যাতন করে আমাদের রাজনীতি করতে দেয়নি। যারা ক্ষমতাসীন দল করতে এসেছিলো তারা নব্বই সালের পর দল ছেড়ে চলে গেছে। তারা দল বা দেশের স্বার্থ দেখেনি।

২০০৮ সালে যখন আমরা মহাজোট করেছি, তখন অনেকেই বলেছে, আমরা পরজীবী হয়ে গেছি। তারা বলেছেন, আমরা নাকি অন্যের সহায়তা ছাড়া নির্বাচনে জয়ী হতে পারিনা। দেশের বড় দুটি দলের নির্বাচনে অল্প ভোটের ব্যবধানে জয় পরাজয় নির্ধারণ হয়। সেই অল্প ভোট তো আমরা দিতে পারতাম। আমরা যদি পরজীবী হই তারপরও আমাদের কাছে টানতে প্রতিযোগিতা ছিলো। সেখানে আমাদের একটি বার্গেনিং পয়েন্ট ছিলো, আমরা বার্গেনিং করে অনেক কিছু আদায় করতে পারতাম। ২০১৪ সালের পর থেকে আমরা বার্গেনিং করার শক্তি হারিয়ে ফেলেছি। এখন আমাদের বলা হয় গৃহপালিত রাজনৈতিক দল। দেশও জাতির কাছে গৃহপালিত বিরোধীদলের প্রয়োজনীয়তা নেই। 

আমরা একটি দলের কাছে বন্দি হয়ে গেলে জনগণের কাছে আমাদের প্রয়োজন থাকবে না। আর জনগণ কেন এমন দলকে ভোট দেবে? দলকে বাঁচাতে হলে গৃহপালিত অপবাদ থেকে বের হতে হবে। যারা গৃহপালিত হবার জন্য দায়ী তাদের বর্জন করতে হবে। আমাদের দলে থেকে অন্যদলের রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না। সরকারকে অনুরোধ করবো দেশের রাজনীতি শেষ করবেন না। রাজনৈতিক দলগুলোকে রাজনীতি করতে দেন। সবাইকে ধ্বংস করে সরকার একক রাজনীতি করবে এটা দেশ ও জাতির জন্য ভালো হবে না। 

তিনি বলেন, আরো কিছু দিন পরে আমার সঠিক মূল্যায়ন হবে। এখন যারা আমাকে মূল্যায়ন করছেন সেটা হয়তো সঠিক হচ্ছে না। সময়ের ব্যবধানে সব কিছুই পরিষ্কার হয়ে যাবে। 

গেলো নির্বাচনে আমি অনেক কিছুই শিখেছি। দেখেছি... রাজনীতি কত বেশি নোংরা হতে পারে আবার কত বেশি মহৎ হতে পারে। দেখেছি, ক্ষুদ্র স্বার্থের জন্য মানুষ কত বেশি নিচে নেমে যেতে পারে। দেখেছি, দেশ ও জাতির জন্য মানুষ কত বেশি ত্যাগ স্বীকার করতে পারে। এগুলো আমার চলার পথে পাথেও হয়ে থাকবে।

জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর উত্তর এর আহ্বায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা তৈয়বুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক এ্যাড. সালমা ইসলাম এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আব্দুস সবুর আসুদ, এ্যাড. মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, নাজমা আখতার, মোস্তফা আল মাহমুদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টির সভাপতি শেরীফা কাদের, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর উত্তর এর আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা তৈয়বুর রহমান। ফুলেল শুভেচ্ছা জানান অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর এর সকল থানার নেতৃবৃন্দ।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;

মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা সফররত যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল, ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট ও এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ইউএসএআইডি) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন বিএনপি নেতারা।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তিনটায় রাজধানীর গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলে এ বৈঠক শুরু হয়েছে।

এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

তিনি জানান, বৈঠকে উপস্থিত আছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য, পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ।

তিন দিনের সফরে আজ সকালে ঢাকায় পৌঁছান মার্কিন এই প্রতিনিধিদল। এ দলে আফরিন আক্তার ছাড়া আরও আছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (এনএসসি) দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক জ্যেষ্ঠ পরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল এইলিন লুবাখার, যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএআইডি) সহকারী প্রশাসক মাইকেল শিফার।

জানা গেছে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে পারস্পরিক স্বার্থের অগ্রগতির জন্য কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার, চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করবেন তারা। তরুণ সমাজকর্মী, সুশীল সমাজ, শ্রম সংগঠক এবং মুক্ত গণমাধ্যমের বিকাশে নিযুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গেও বৈঠক করবেনতারা। প্রতিনিধি দলটির আগামী সোমবার পর্যন্ত ঢাকায় থাকবেন বলে জানা গেছে।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;