Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো
ভেজিটেবল মমো, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

নেপালি খাবার মমোর কদর আমাদের দেশেও কিন্তু অনেক।

বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে বেশ চড়া দামেও পাওয়া যায় ভিন্ন ঘরানার সুস্বাদু এই খাবারটি। কিন্তু সমস্যাটা সেখানেই, মজার এই খাবারের দামটা খুব বেশি।

অনেকেই ভিন্নমাত্রার খাবারের মাঝে মমো খেতে খুব ভালোবাসেন। বারবার রেস্টুরেন্টে মমোর জন্য বাড়তি খরচ না করে বাড়িতে অল্প কিছু উপাদানেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার নেপালি খাবার মমো।

ভেজিটেবল মমো তৈরিতে যা লাগবে

মমোর বাইরের আবরন তৈরিতে যা লাগবে

১. এক কাপ ময়দা।

২. আধা চা চামচ তেল।

৩. স্বাদমতো লবণ।

৪. ২-৩ টেবিল চামচ অথবা পরিমাণমতো পানি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/13/1563010704116.JPG

মমোর পুর তৈরিতে যা লাগবে

১. দেড়-দুই কাপ সবজি কুঁচি (গাজর, ক্যাপসিকাম, বাঁধাকপি, শিমের বিচি)

২. দুইটি পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. ৩-৪টি পেঁয়াজ কলি কুঁচি।

৪. ৩-৪ কোয়া রসুন কুঁচি।

৫. দেড় চা চামচ সয়া সস।

৬. আধা চা চামচ কালো গোলমরিচের গুঁড়া।

৭. এক টেবিল চামচ তেল।

৮. স্বাদমতো লবণ।

ভেজিটেবল মমো যেভাবে তৈরি করতে হবে

১. ময়দা, লবণ ও তেল একসাথে মিশিয়ে এতে পানি যোগ করে ময়দার কাই তৈরি করে ৩০ মিনিটের জন্য একপাশে ঢেকে রাখতে হবে।

২. ভিন্ন একটি কড়াইতে তেল গরম করে রসুন কুঁচি ৩-৪ ভেজে নিতে হবে। এতে পেঁয়াজ কুঁচি দিয়ে  কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে সবজি কুঁচি দিয়ে দিতে হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/13/1563010737279.JPG

৩. চুলার জ্বাল বাড়িয়ে সবজি কিছুক্ষণ ভেজে এতে সয়া সস, লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া দিতে হবে। চুলার জ্বাল কিছুটা কমিয়ে পেঁয়াজের কলি কুঁচি দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে নামিয়ে নিতে হবে।

৪. এবারে ময়দার কাই সমান দুইভাবে ভাগ করে প্রতি ভাগকে বেলে ৬-৭ ইঞ্চি লম্বা রোল তৈরি করে ছোট ছোট সমানভাগে কেটে নিতে হবে। প্রতিটি ময়দার টুকরোকে ছোট বল বানিয়ে ভেজা ন্যাকড়াতে ঢেকে রাখতে হবে।

৫. কিছুক্ষণ পর এই বলগুলো বেলে পাতলা ও ছোট রুটির মতো তৈরি করতে হবে। এই রুটিগুলোর মাঝের অংশ হালকা মোটা ও কিনারার অংশ পাতলা রাখতে হবে।

৬. এভাবে সবগুলো বলের রুটি তৈরি হলে, একে একে প্রতিটি বলের ভেতর সবজির পুর দিয়ে মমোর মুখ মুড়ে দিতে হবে এবং ভেজা ন্যাকড়াতে ঢেকে রাখতে হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/13/1563010751289.JPG

৭. এবারে চুলায় বড় পাতিলে পানি দিয়ে উচ্চ জ্বালে ফুটিয়ে নিতে হবে। তার উপরে ঝাঁঝরিকাটা পাত্র বসিয়ে তার উপরে তৈরিকৃত মমোগুলো দিয়ে দিতে হবে। একটা মমোর সাথে আরেকটা মমো যেন না লাগে এমন দূরত্বে মমো রাখতে হবে। মমো বসানো হয়ে গেলে ঝাঁঝরিকাটা পাত্রের উপরের অংশ ঢেকে ৫-৬ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হলে ঢাকনা খুলে মমোতে হাত দিয়ে দেখতে হবে স্টিকি হয়ে আছে কিনা। যদি না থাকে তবে বুঝতে হবে মমো হয়ে গেছে। সাথে সাথে নামিয়ে নিতে হবে। নতুবা বেশিক্ষণ রাখা হলে মমো নষ্ট হয়ে যাবে।

সবগুলো মমো হয়ে গেলে নামিয়ে সস ও চাটনির সাথে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: ঘরে তৈরি সবজি সিঙ্গারা

আরও পড়ুন: ক্লাসিক ভেজিটেবল চাওমিন

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র