সংঘাতপূর্ণ ইউপি নির্বাচন

  সালতামামি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে দশমবারের মতো ইউনিয়ন (ইউপি) পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দলীয় প্রতীকের এ নির্বাচন বর্জন করেছে বিএনপি। ফাঁকা মাঠে আওয়ামী লীগ। তবে ফাঁকা মাঠে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচনের পরিবর্তে সহিংসতা-সংঘাতে রূপ নিয়েছে। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে আওয়ামী লীগ নেতারা। এতে নির্বাচন সংঘাতে রূপ নিয়েছে।

তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীর আড়ালে বিএনপি-জামাতের মতাদর্শী ও নেতাকর্মী এ নির্বাচনে অংশ নিতে দেখা গেছে। চার ধাপে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর কাছে ভরাডুবি হয়েছে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর। ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বছর জুড়ে ছিল সহিংসতা-সংঘাত। এখন পর্যন্ত সহিংসতায় ৭০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন।

চতুর্থ ধাপে ইউপি নির্বাচন

গত ২৬ ডিসেম্বর চতুর্থ ধাপে ৮৩৮টি ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আগের তিন ধাপের মত এ ধাপেও বিভিন্ন জায়গা সংঘর্ষ, গুলি বিনিময়, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, প্রকাশ্যে ব্যালট পেপারে সিল, ভোটকেন্দ্র দখলসহ অনিয়মের খবর পাওয়া গেছে।

২৭ ডিসেম্বর রাত ৮টায় চতুর্থ ধাপের ৭৯৬টি ইউপি নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কিছু ইউপির অনানুষ্ঠানিক ফলাফল স্থগিত হওয়ায় সেগুলোর ফল ঘোষণা করা হয়নি। ইসির পরিসংখ্যান অনুযায়ী নির্বাচনে ৩৯০টি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। ৩৯৬টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্তত ৪৮ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে জাতীয় পার্টির ৬ জন প্রার্থী এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২ জন, জাতীয় পার্টি ও জাকের পার্টির ১ জন করে প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

তৃতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচন

২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৯৯২টি ইউপি নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, ৫২৫টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৯৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়। ৪৪৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে একজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

তৃতীয় ধাপ ইউপি নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের একজন করে এবং জাতীয় পার্টির ১৭ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

১ হাজার ৮টি ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও মামলার কারণে ৭টি ইউপি নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল এবং বিভিন্ন কারণে আরও ৯টি ইউপি নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত করা হয়।

দ্বিতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচন

নভেম্বর ১১ তারিখে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। ৮৩৪ ইউপি নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ থেকে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন ৪৮৬ জন প্রার্থী। স্বতন্ত্র থেকে থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন ৩৩০ জন। প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি থেকে ১০ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে চারজন এবং জাতীয় পার্টি (জেপি), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), খেলাফত মজিলিশ ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের একজন করে প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন

জুনের ২১ তারিখ প্রথম ধাপে ২০৪টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১৪৮ জন আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী জয়ী হয়। এদের মধ্যে ১২০ জন সরাসরি ভোটে এবং বাকী ২৮জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।

এছাড়াও ৪৯টি ইউপিতে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচিত হয়। এছাড়া বিরোধী রাজনৈতিক দল থেকে ৭ জন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়।

স্বতন্ত্রদের অধিকাংশই আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন না পেয়ে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন।

চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পর্কে গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতার জন্য সরকার দায়ী, নির্বাচন কমিশন দায়ী। তারা তাদের দায়িত্ব তারা পালন করে নাই। ৬৪ জন লোক মারা গেছে নির্বাচন কমিশন একটা মামলাও করে নাই।

দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় সহিংসতা বেশি হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, সহিংসতা কারণ হচ্ছে নৌকা পাওয়া না-পাওয়ার নিয়ে। যদি দলীয় পরিচয়ে নির্বাচন না হত তাহলে এই মৃত্যুগুলো হত না।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন দলীয় প্রতীকে না করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, এটা হলে অনেকে প্রার্থী হতে পারত। জনগণ ভালো মানুষকে নির্বাচিত করতে পারত।

উল্লেখ্য, বর্তমানে সারাদেশে ৪ হাজার ৫৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ইতিমধ্যে নয় বার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৭৩ সালে প্রথম ইউপি নির্বাচন এবং সর্বশেষ ২০১৬ সালে নবম ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও ১৯৭৭, ১৯৮৩, ১৯৮৮, ১৯৯২, ১৯৯৭, ২০০৩, ২০১১ ইউপি নির্বাচন হয়েছে। চলতি ২০২১ সালে জুন জুলাই মাস থেকে শুরু হয়েছে দশম ইউপি নির্বাচন।

  সালতামামি

পাতাল রেলের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেলের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে রূপগঞ্জের পূর্বাচল সেক্টর ৪-এ উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন তিনি।

৫২ হাজার ৫৬১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে তৈরি হতে যাচ্ছে এই পাতালরেল। রূপগঞ্জের পীতলগঞ্জ থেকে শুরু হয়ে জোয়ার সাহারার নতুনবাজারে পাতালরেল যুক্ত হবে কমলাপুর-বিমানবন্দর মেট্রোরেলের রুটের সাথে।

জানা গেছে, বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল যাবে মাটির নিচ দিয়ে। তবে পীতলগঞ্জ থেকে নতুনবাজার পর্যন্ত ৩০০ ফুট সড়কের ওপর দিয়ে যাবে রেললাইন।

ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, ২০৩০ সালের মধ্যে এই ছয়টি মেট্রো রেলের নির্মাণকাজ পর্যায়ক্রমে তিন ধাপে শেষ করা হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০২৮ সালের মধ্যে এমআরটি লাইন-৫ নর্দান রুটের নির্মাণকাজ শেষ করা হবে। তৃতীয় পর্যায়ে ২০৩০ সালের মধ্যে এমআরটি লাইন-৫ : সাউদার্ন রুট, এমআরটি লাইন-২ এবং এমআরটি লাইন-৪ নির্মাণকাজ শেষ করা হবে।

  সালতামামি

;

এক কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি বিক্রয়কারী সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য ১ কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৯৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটিতে এ অনুমোদন দেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, টিসিবির জন্য ১ কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার। এতে খরচ হবে ১৯৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, টিসিবির মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে গ্লোবাল করপোরেশন থেকে এ সয়াবিন তেল কেনা হবে।

জরুরি ভিত্তিতে ১ কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার জন্য নির্দেশক্রমে প্রত্যাশামূলক অনুমোদন দেয়া হয় বলে জানায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এতে সই করেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শাম্মী ইসলাম।

  সালতামামি

;

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে সবার জন্য খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনের পাশাপাশি জনগণের জন্য নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে নিরলস কাজ করে চলেছে।

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) ‘জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের জনগণের জন্য পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো ‘জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস-২০২৩’ পালিত হচ্ছে জেনে তিনি আনন্দিত। দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘নিরাপদ খাদ্য, সমৃদ্ধ জাতি; স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার চাবিকাঠি’ যথাযথ হয়েছে বলেও তিনি মনে করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তি মানুষের সাংবিধানিক অধিকার। মানুষের এই অধিকার পূরণ করতে আমাদের সরকার ‘নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩’ প্রণয়ন করেছে এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠাসহ সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান তৈরি করেছে। পাশাপাশি, ভেজাল খাদ্য প্রতিরোধে অন দ্য স্পট স্ক্রিনিং, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে এবং যারা খাদ্যে ভেজাল দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এছাড়াও নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির বিষয় মাথায় রেখে ‘কৃষি সম্প্রসারণ নীতি-২০২০’ প্রণয়ন করা হয়েছে এবং এসডিজি বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমাদের অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় কৃষি সংশ্লিষ্ট যাবতীয় বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের সরকার সারাদেশে ১০০ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছে যেখানে কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে ওঠার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি অর্জনে কৃষি গবেষণা এবং উন্নয়ন, কৃষি উপকরণ সরবরাহ, কৃষি সম্প্রসারণ, সেচ কাজে পানির সাশ্রয়ী ব্যবহার, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মোকাবিলা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও মানব সম্পদ উন্নয়ন এই ৬টি থিম্যাটিক বিষয় লক্ষ্য রেখেই প্রতিটি উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সার, বীজ ও সেচের সঙ্গে সঙ্গে কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণের ওপর ব্যাপক জোর দিয়েছে এবং এতে করে খাদ্যের অপচয় এবং অনিরাপদ খাদ্যের ঝুঁকি হ্রাস পাচ্ছে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের সংবিধানে মৌলিক বিষয়গুলো যেমন: অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি খাদ্যকেই সব থেকে বেশি গুরুত্ব প্রদান করেন। খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে জাতির পিতা এ দেশে কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহ প্রতিষ্ঠা ও কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে উল্লে¬খযোগ্য কার্যক্রম হাতে নিয়েছিলেন যা আজ পর্যন্ত দেশের কৃষি উৎপাদন এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক খাদ্য সংকটের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে বাংলাদেশকে রক্ষার জন্য সকলকে সচেতন হতে হবে এবং যার যেখানে যতটুকু পতিত জমি আছে তা চাষের আওতায় এনে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে।
তিনি মনে করেন, খাদ্যের উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে খাদ্যের নিরাপদতা ও পুষ্টিমান বজায় রাখা জরুরি। যিনি উৎপাদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত, তার যেমন সচেতনতা প্রয়োজন, তেমনি যিনি ভোগ করবেন, তার ক্ষেত্রেও নিরাপদতা প্রত্যয়টি অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। তাই সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানকে একযোগে কাজ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আশা করেন, জনসাধারণের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অংশীজনদের প্রায়োগিক ভূমিকার মাধ্যমে আমরা খাদ্য উৎপাদন, আমদানি, প্রক্রিয়াকরণ ও বাজারজাতকরণে সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করে সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সক্ষম হবো। তিনি ‘জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস-২০২৩’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

  সালতামামি

;

‘জনস্বাস্থ্য নিশ্চিতে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের বিকল্প নেই’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

  • Font increase
  • Font Decrease

জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের কোনো বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

‘জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস-২০২৩’ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) দেয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, নিরাপদ খাদ্যের জন্য খাদ্য উৎপাদনে নিরাপদ প্রযুক্তি ও নিরাপদ খাদ্য উপকরণ ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি।

মো. আবদুল হামিদ বলেন, জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘নিরাপদ খাদ্য, সমৃদ্ধজাতি: স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার চাবিকাঠি’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে।

আবদুল হামিদ বলেন, সকলের জন্য পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) একটি অন্যতম অনুষঙ্গ। এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে অন্তত ৭টি লক্ষ্যমাত্রা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিরাপদ খাদ্যের সাথে সম্পর্কিত।

রাষ্ট্রপতি বলেন, জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবারের কোনো বিকল্প নেই। অনিরাপদ খাদ্য গ্রহণের কারণে দেহে ক্যান্সার, কিডনি রোগসহ নানারকম মরণব্যাধি বাসা বাঁধে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সমন্বয়ে আইনের যথাযথ প্রয়োগ, খাদ্য উৎপাদন, আমদানি, পরিবহন, প্রক্রিয়াজাত ও বাজারজাতকরণের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত নজরদারি বৃদ্ধি এবং নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও বেগবান করতে হবে।

তিনি জানান, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এ লক্ষ্যে ১৩টি বিধিবিধান তৈরি করে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি আশা করি, দেশের খাদ্য উৎপাদনকারী ও ব্যবসায়ীসহ সমাজের প্রত্যেকে খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন। মেধা ও মননে উৎকর্ষ ও কর্মক্ষম একটি জাতি গঠনে সকলের জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করাই হোক জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবসে আমাদের সকলের অঙ্গীকার।

  সালতামামি

;