সীতাকুণ্ড অগ্নিকাণ্ড: সিআইডিকে আলামত সংগ্রহের নির্দেশ আইজিপির

  সীতাকুণ্ডে ডিপোতে আগুন


ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ

  • Font increase
  • Font Decrease

সীতাকুণ্ডের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল থেকে সিআইডিকে সব ধরণের আলামত সংগ্রহ করার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ।

মঙ্গলবার (৭ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে হতাহত রোগীদের পরিদর্শন করতে এসে গণমাধ্যমকে তিনি এসব কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, তদন্তের জন্য দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। একটি সরকারিভাবে আরেকটি ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে। দুই কমিটিতে সিআইডি থেকে বিশেষজ্ঞ দেয়া হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পরেই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে৷ যারা দোষী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ডিপোতে কাজ করতে গিয়ে কর্মীরা আহত হয়েছেন এবং ফায়ারম্যান ও পুলিশ উদ্ধার করতে গিয়ে আহত হয়েছে। এরই মধ্যে তদের চিকিৎসায় প্রধানমন্ত্রী বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

বিএম ডিপোতে দুর্ঘটনার তিনদিন পর পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও ব্রিফিং সেন্টার খুলেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি কেয়ার সেন্টারের সামনে মঙ্গলবার সকালে তারা এ বুথ চালু করে।

শনিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ডিপোতে আগুন লাগে। আগুন লাগার পর রাসায়নিকের কনটেইনারে একের পর এক বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটতে থাকলে বহু দূর পর্যন্ত কেঁপে ওঠে। অগ্নিকাণ্ড ও ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৩ জন হয়েছে।

গণতন্ত্রে রাজনৈতিক সহিংসতার কোন স্থান নেই: শেখ তাপস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস

  • Font increase
  • Font Decrease

গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থায় নাশকতা ও সহিংসতার কোন স্থান নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ৩টায় সেগুনবাগিচা সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্রে ‘স্বাধীনতা বিরোধী দুষ্কৃতিকারীদের সাম্প্রতিক তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ সহায়তা’ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ ফজলে নূর তাপস এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি, বিএনপি-জামায়াত চক্র ধ্বংসলীলা চালিয়ে, সন্ত্রাস-নৈরাজ্য সৃষ্টি করে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উৎখাত করার অপচেষ্টা ও ষড়যন্ত্র করেছে। যার ফলে দেশের সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। তারা দেশের সম্পদ নষ্ট করেছে। তাদেরকে ঢাকাবাসী ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানাচ্ছি। তারা গণতান্ত্রিক ধারা ভুলুণ্ঠিত করে সন্ত্রাসের পথ বেঁছে নিয়েছে। তাদেরকে গণতন্ত্রের ধারায় ফিরে আসার আহবান জানাই। গণতন্ত্রে রাজনৈতিক সহিংসতার কোন স্থান নেই। গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে না এলে, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নাশকতার জন্য তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সরকারকে অনুরোধ জানাই।

নাশকতার ধারা অব্যাহত রাখলে ভবিষ্যতে সহিংসতাকারী ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্টকারীদেরকে নির্মূল করা হবে বলে ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস হুঁশিয়ার দেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য আ.ফ.ম. বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসীরা রক্তের হোলি খেলায় মেতে উঠেছে। যে কারণে আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে কারফিউ জারি করা হয়েছে। যার ফলে মেহনতী মানুষ, দিনমজুর, সাধারণ মানুষের কষ্ট হচ্ছে। তাই, সাধারণ মানুষের কষ্ট নিবারণ করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

সকল অশুভ শক্তিকে ঐকবদ্ধভাবে মোকাবিলার ঘোষণা দিয়ে বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, সন্ত্রাসী বাহিনীকে প্রতিহত করতে গিয়ে আমাদের অনেক নেতা-কর্মী আহত হয়ে আইসিউতে আছে। তারা ট্রেনিং দিয়ে প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসীদের নিয়ে এসে ঢাকায় জড়ো করেছে। কিন্তু আমরা পরাজিত হইনি। আমরা সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করেছি। অচিরেই এদের খুঁজে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। সকল অশুভ শক্তিকে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে মোকাবিলা করব, প্রতিহত করব।

২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ রতনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। খাদ্য সামগ্রীতে ৫ কেজি চাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি ডাল, ১ লিটার তেল ও ১ কেজি লবণ রয়েছে।

  সীতাকুণ্ডে ডিপোতে আগুন

;

বিআরটিএ কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে গ্রাহক



স্টাফ করেস্পন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি- বিআরটিএ

ছবি: সংগৃহীত, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি- বিআরটিএ

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ সারাদেশের বিভিন্ন জায়গায় হামলা, ভাঙচুর, সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুরের ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এ থেকে নিস্তার পায়নি রাজধানীর বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি-ও (বিআরটিএ)।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুলাই) এখানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন নাশকতাকারীরা। ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় প্রতিষ্ঠানটি। এতে করে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সেবাগ্রহণকারীরা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বরে অবস্থিত বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-১ সার্কেল অফিসের সামনে গিয়ে দেখা যায়, গ্রাহকদের ভিড়। মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন সেবা, ফিটনেস সেবা, লাইসেন্স বায়োমেট্রিক, ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত সেবা, মালিকানা বদলিসহ, ইঞ্জিন পরিবর্তন, ট্যাক্স টোকেন ইত্যাদি নেওয়ার জন্য গ্রাহকদের প্রচণ্ড ভিড়। কিন্তু অফিসের বিভিন্ন কক্ষে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের কারণে সংরক্ষিত সার্ভার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বন্ধ রয়েছে সব ধরনের সেবা প্রদান। এতে গ্রাহকেরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।

ক্ষতিগ্রস্ত ঢাকার বিআরটিএ'র কার্যালয়, ছবি- সংগৃহীত


ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য বায়োমেট্রিক করাতে সাভার থেকে এসেছেন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। বায়োমেট্রিকের শেষ তারিখ ২৫ জুলাই। কিন্তু সব ধরনের সেবা বন্ধ থাকায় বায়োমেট্রিক করাতে পারেননি তিনি।

রাজধানীর ধানমণ্ডি এলাকা থেকে সাদ্দাম হোসেন এসেছেন প্রাইভেটকার চালনার লাইসেন্স করাতে। বিআরটিএ থেকে তাকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত সময়সীমা দিয়েছে। কিন্তু দফায় দফায় সময় বাড়ানোর অভিযোগ করে সাদ্দাম হোসেন বলেন, আগুন লেগেছে আজ ১ সপ্তাহ। কিন্তু তারা আমাকে প্রায় বছরখানেক ধরে ঘোরাচ্ছে। সার্ভারে সমস্যা থাকলে ম্যানুয়ালি কোনো কাগজ দিক আমাদের! তাহলে সার্জেন্ট আটকালে আমরা তো সেটাও দেখাতে পারি। কিন্তু এখন তো কোনোকিছুই করতে পারছি না!

নারায়ণগঞ্জ থেকে সোহেল এসেছেন তার ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করাতে। কিন্তু অনেক সময় ধরে দাঁড়িয়েও কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে পারেননি তিনি।

ডাটা সার্ভার নষ্ট বলে ব্যানার টানিয়ে তারা আর কিছু জানায় না বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ২০২১ থেকে এখন পর্যন্ত হাঁটছি। শুধু তারিখ বাড়ানোর সিল দেয় আর অপেক্ষা করতে বলে ‘সিলের পর সিল’ মারতেই থাকে। ৪ বছর ধরে ঘুরছি। আমরা গরিব মানুষ। সার্জেন্ট তো এসব দেখে না। কেস দিলেই ভোগান্তি!

এসব অভিযোগের বিষয়ে খোঁজ নিতে বিআরটিএ’এর উপপরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মাদ রফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, হামলাকারীদের নাশকতায় আমাদের হেড অফিসের ডেটাসেন্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সে কারণে আমাদের অনলাইন সংক্রান্ত সব সেবা বন্ধ আছে। আমরা ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছি। তারা আলোচনা করছেন। যতদ্রুত সম্ভব, সার্ভার ঠিক করার প্রক্রিয়া চলছে। যাদের ১৬ জুলাই পর্যন্ত তারিখ দেওয়া আছে, তাদের ক্ষেত্রে ২ মাস সময় বৃদ্ধি করার ব্যবস্থা করা হবে।

  সীতাকুণ্ডে ডিপোতে আগুন

;

কোটা আন্দোলনে সহিংসতায় সিসিক’র ক্ষতি ১৪ কোটি টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: খুলে নিয়ে গেছে রাস্তার ব্যারিকেড

ছবি: খুলে নিয়ে গেছে রাস্তার ব্যারিকেড

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশব্যাপী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রভাব পড়ে সিলেটেও। আন্দোলন চলাকালে নগরীর বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এরমধ্যে সিলেট সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সংহিসতার ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতচিহ্ন এখনো রয়ে গেছে নগরীজুড়ে।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের তথ্যমতে, আন্দোলনচলাকালে প্রায় ১৪ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে সিলেট নগরীর আখালিয়া ও ধোপাদীঘিরপাড় এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি হয়। এছাড়া সিসিকের ময়লার গাড়ি ও ডাস্টবিন ভাংচুর করা হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, সুবিদবাজার থেকে তেমুখী মুখ পর্যন্ত সড়ক বিভাজকগুলো ভাঙা হয়েছে। মাঝখানে সৌন্দর্যবধনের জন্য লাগানো গাছ ও রেলিং ভেঙে ফেলা হয়েছে। সিলেট নগরীর পত্রিকাপয়েন্ট খ্যাত করিম উল্ল্যা মার্কেটের সামনে ও ধোপাদিঘীরপাড় এলাকায় ভাঙচুর করা হয়েছে।

স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়টি এ সড়কের পাশেই। ফলে ছাত্রদের আন্দোলনের সময় আখালিয়া এলাকায় অনেকে লোহার গ্রিল দিয়ে বানানো সড়ক বিভাজক ভেঙে নিয়ে গেছে। অনেকে আবার সেগুলো বিভিন্ন ভাঙারি দোকানে বিক্রি করেছেন বলে তারা ধারণা করছেন। আর দোকান মালিকরা ট্রাকে সেগুলো অন্য স্থানে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

এব্যাপারে সিলেট সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে নগরীর বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর হয়েছে। নগরীর বন্দরবাজার থেকে ধোপাদিঘীরপাড় ও সুবিদবাজার থেকে তেমুখী সড়কে লোহা দিয়ে বানানো ডিভাইডার, রেলিং ও সৌন্দর্যবধনে লাগানো গাছের ক্ষতি করা হয়েছে।

এছাড়াও সিটি করপোরেশনের ময়লা ফেলার ১৫টি ট্রাক, দুই শতাধিক ডাস্টবিন ও বিদ্যুতের খুঁটি ভাঙচুর হয়েছে। এতে সিটি করপোরেশেনের ১৪ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।’

তিনি বলেন, শাবিপ্রবি এলাকায় সিসিকের ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়েছে। সুবিদবাজার থেকে তেমুখী সড়ক (বিশ্ববিদ্যালয় এলাক) পর্যন্ত সাড়ে ৭কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাতে আমাদেরকে বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছি।

  সীতাকুণ্ডে ডিপোতে আগুন

;

পুলিশ মারলে ১০ হাজার, ছাত্রলীগ মারলে ৫ হাজার: ডিবির হারুন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ

  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ার যুবদল নেতা নুরে আলম সিদ্দিকি পিটন লন্ডন থেকে নির্দেশনা পান পুলিশ মারলে ১০ হাজার এবং ছাত্রলীগ মারলে ৫ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এই নির্দেশনার পর মাঠে দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া হয় নুরে আলম সিদ্দিকির দুলাভাই মো. আব্দুল আজিজ ওরফে সুলতানকে। সেই সুলতানকে গ্রেফতারের পর এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ।

ডিবি বলছে, গ্রেফতার আব্দুল আজিজ ছাত্রদের মিছিলের ভেতর টাকার বিনিময়ে টোকাই ও ছিন্নমূল শ্রেণির লোকদের ঢুকিয়ে তাদের দিয়ে দেশব্যাপী হত্যা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজের মাধ্যমে ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর জন্য জামায়াত-শিবির ও বিএনপির ক্যাডারদের নির্দেশনা দিয়ে আসছিল। টাকার বিনিময়ে টোকাই ও ছিন্নমূলদের দিয়ে রাজধানীর উত্তরা ও আব্দুল্লাহপুরসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে এবং নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

গ্রেফতার মো. আব্দুল আজিজ ওরফে সুলতান

তিনি বলেন, সরকার পতনের আন্দোলন বাস্তবায়নের জন্য গ্রেফতার মো. আব্দুল আজিজ সুলতান টোকাই ও ছিন্নমূল শ্রেণির লোকদের দিয়ে একজন ছাত্রলীগকে মারলে ৫ হাজার টাকা এবং একজন পুলিশ সদস্য মারলে ১০ হাজার টাকা প্রদান করার জন্য জামায়াত-শিবির ও বিএনপির ক্যাডারদের নির্দেশনা প্রদান করে। এরই ধারাবাহিকতায় গ্রেফতার আসামির প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা টাকার বিনিময়ে টোকাই ও ছিন্নমূলদের দিয়ে রাজধানীর উত্তরা ও আব্দুল্লাহপুরসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে এবং নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়।

পুলিশের যদি মনোবল ভেঙে দেওয়া যায় তাহলে জামায়াত-শিবির ও বিএনপির যে ষড়যন্ত্র তা সফল হবে। সেই মানসিকতা নিয়েই গত বছরের ২৮ অক্টোবরও পুলিশের ওপর হামলা করেছিল। সে সময় একজন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশ হাসপাতাল ও প্রধান বিচারপতির বাসভবন ভাঙচুর করা হয়। স্বাধীনতা বিরোধী চক্রটি আবারও পুলিশের বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন-হামলা ও কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে ঝুলিয়ে হত্যা করেছে। এটা কি কোনো সভ্য দেশের মানুষের পক্ষে সম্ভব, প্রশ্ন মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের।

  সীতাকুণ্ডে ডিপোতে আগুন

;