পদ্মা সেতু: নবযুগের ঊষার উন্মেষে বাংলাদেশ

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার


ড. মাহফুজ পারভেজ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

স্বপ্নের দ্বার উন্মোচিত হলো শনিবার (২৫ জুন) মধ্যাহ্নে। আর সঙ্গে সঙ্গে পদ্মা পেরিয়ে নতুন ইতিহাস বিনির্মাণের যাত্রারম্ভ করলো সমগ্র জাতির। হাজার বছরের চরম প্রতিবন্ধকতার অবসানে প্রমত্তা পদ্মার দুই তীর রাখিবন্ধনে একাকার আজ থেকে। নবযুগের ঊষার অরুণালোকে উদ্ভাসিত বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির সামনে অপেক্ষমাণ সম্ভাবনার অপার সমুদ্র আর অবারিত বিশ্ব।

পদ্মা সেতু বাঙালির সম্মিলিত স্বপ্নের সফলতার প্রাণস্পন্দনে আগামীর পথে পুনরুত্থিত করেছে বাংলা, বাঙালিকে। বহু সাধনায় নির্মিত অপরাজিত জাতির গর্ব ও অহং স্মারক হয়ে পদ্মা সেতু বিশ্বের বুকে আরও সমুন্নত করেছে বাংলা ও বাঙালি জাতিসত্তাকে। উন্মুক্ত করেছে দখিনা দুয়ার, যার মাধ্যমে সমুদ্র হয়ে বাংলাদেশ পৌঁছে যাবে সুযোগ ও সম্ভাবনার দুনিয়ায়।  

পদ্মা সেতুর ফলে বদলে গেছে জীবনের গতিপথ। উত্তরের হিমেল বায়ু যেমন থেমে গিয়ে আসে দক্ষিণে নাতিশীতোষ্ণ কোমল হাওয়া, তেমনি বাংলাদেশের উন্মুক্ত হয়েছে দক্ষিণের সমুদ্রগামী পথ, যা পৌঁছে ইন্দো-প্যাসিফিক হয়ে তাবৎ দুনিয়ায়। আর খুলে দেবে সমুদ্র-সংশ্লিষ্ট 'ব্লু ইকোনমি'র অবারিত সিংহদরজা।

বিশ্ব রাজনীতিতে ক্রমশই গুরুত্বপূর্ণ রূপে উদ্ভাসিত 'ইন্দো-প্যাসিফিক' শুধু দুই মহাসাগরকে এককার করেনি, নিরাপত্তা, উন্নয়ন, সমৃদ্ধির দোলা জাগিয়েছে বিশ্বব্যাপীই।  বঙ্গোপসাগর হলো 'ইন্দো-প্যাসিফিক'-এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পদ্মা সেতু বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সংযোগ নিবিড় করেছে বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে। শুধু চট্টগ্রাম বন্দরের উপর চাপ কমাই নয়, মঙ্গলা, পায়রা বন্দরের বিকাশ হবে দ্রুতলয়ে। টেকনাফ থেকে সুন্দরবন পর্যন্ত প্রলম্বিত সমুদ্রতট বাণিজ্য ও মানুষের ভাগ্যের গতি 

দখিনা বাতাস মন ও প্রাণে লাগার মতোই দখিনা দুয়ার উন্মোচনকারী পদ্মা সেতুর কারণ এই বর্ষাতেও অনুভব করা যাচ্ছে বসন্তের ছোঁয়া। পদ্মার দুই তীর ছাড়িয়ে বাংলাদেশের সর্বত্র এখন বাসন্তী শিহরণ। শীতের আড়মোড়া ভেঙে জেগে উঠার মতো নবযুগের নতুন প্রাণপ্রবাহে জেগেছে বাংলাদেশ, বাঙালি জাতি।

পদ্মা সেতুর কারণে জাতীয় জীবনে একটি তাৎক্ষণিক অর্জনের দিকে দৃষ্টি দেওয়া হলে এর সুদূরপ্রসারী অবদান সম্পর্কে আঁচ করা সম্ভব হবে। উল্লেখ্য, বহুল প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু চালুর মধ্য দিয়ে ৯৩ কিলোমিটার কমছে বেনাপোল-ঢাকার দূরত্ব। এতে সময় বাঁচবে চার ঘণ্টা। একইসঙ্গে দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বাড়বে। হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং প্রবৃদ্ধি। বন্দর থেকে পণ্যবোঝাই ট্রাক দ্রুত সময়ে পৌঁছে যাবে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। ফলে একদিকে যেমন পরিবহন খরচ কমবে, অন্যদিকে বাজারে পণ্যের দাম কমবে। এমনই অভিমত বিশেষজ্ঞদের।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে বেনাপোল থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া হয়ে ঢাকার দূরত্ব ২৭৮ কিলোমিটার। এই পথে ঢাকায় যেতে সময় লাগছে আট-নয় ঘণ্টা। মাঝে মধ্যে এর চেয়ে বেশি সময় লাগে। দুর্যোগকালীন ফেরি না পাওয়ায় নদীর পাড়ে কেটে যায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। ফলে আমদানি পণ্য নষ্ট হয়ে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন ব্যবসায়ীরা। বেনাপোল স্থলবন্দর হয়ে আসা বিদেশি পণ্য সঠিক সময়ে ঢাকায় পৌঁছাতে না পারায় বাজারে সংকট তৈরি হয়। সেই সঙ্গে বেড়ে যায় দাম।

পদ্মা সেতু চালুর পর মাওয়া দিয়ে ঢাকার দূরত্ব হবে ১৮৫ কিলোমিটার। ঢাকায় যেতে সময় লাগবে চার-পাঁচ ঘণ্টা। ফলে এ অঞ্চলের মানুষ ও পণ্যবাহী যানবাহন ফরিদপুর ও ভাঙ্গা হয়ে পদ্মা সেতু দিয়ে সহজে ঢাকায় পৌঁছাবে। এছাড়া পচনশীল দ্রব্য; যেমন শাকসবজি, রেণুপোনা দ্রুত সময়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে, এমনকি বিদেশেও পাঠানো সম্ভব হবে। কৃষক, ফুল ও মাছ চাষিদের জন্যও আশীর্বাদ হবে পদ্মা সেতু।

উদাহরণস্বরূপ, দেশের সিংহভাগ কলকারখানা ও গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির ৮০ শতাংশ কাঁচামাল বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি হয়। বন্দর থেকে খালাস করা কাঁচামাল দ্রুত সময়ে শিল্প ও কলকারখানায় পৌঁছে গেলে পরিবহন খরচ কমে যাবে। শিল্প ও কলকারখানা প্রসারিত হবে। কৃষিপণ্যের বাজার প্রসারিত হবে।

এই হলো মাত্র একটি দিক। আরও বহু সম্ভাবনা দেশ ও জাতির সামনে অঙ্কুর থেকে বিকশিত হবে পদ্মা সেতুর মাধ্যমে। ফলে পদ্মা পেরিয়ে নবযুগের ঊষার উন্মেষের সামনে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ, বাঙালি। স্বপ্নের পদ্মা সেতু বাস্তবে রূপায়িত হয়ে বহুমাত্রিক সম্ভাবনার ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে এনে দিয়েছে হাতের মুঠোর মধ্যে। এখন সম্মিলিত কর্তব্য হলো পদ্মা সেতুর মাধ্যমে উন্মোচিত অযুত সম্ভাবনাকে দেশ, জাতি ও মানুষের স্বার্থে ও কল্যাণে কাজে লাগানো।

ড. মাহফুজ পারভেজ,  প্রফেসর, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; অ্যাসোসিয়েট এডিটর, বার্তা২৪.কম।

   

পুলিশ সদস্যের প্রচেষ্টায় আগুন থেকে রক্ষা পেলো ওসমানী হাসপাতাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেট জেলা পুলিশের এক সদস্যের প্রচেষ্টায় অল্পের জন্য বড় ধরণের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা থেকে রক্ষা পেলো এমএজি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতাল।

শনিবার (২ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২নং গেইটের ১০ তলা ভবনের পাশে জেনারেটর রুমের পাশে ময়লার স্তূপে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি বার্তা২৪.কম-কে নিশ্চিত করেছেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা.মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে।

জানা যায়, শনিবার দুপুর ১টা থেকে দেড়টার ভেতরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপতালের ১০ তলা ভবনের জেনারেটর রুমের পাশে হঠাৎ আগুন  লেগে যায়। এসময় লোকজন আগুন আগুন বলে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে ছুটে আসেন ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দায়িত্বরত ও সিলেট জেলা পুলিশের সদস্য মো.জনি চৌধুরী। পরে তিনি বালতি দিয়ে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে আগুন দেখে লোকজন চিৎকার শুরু করলে পাশের একটি চায়ের দোকানে বসে থাকা পুলিশ সদস্য জনি চৌধুরী ছুটে আসেন এবং আগুন নেভান। তাৎক্ষণিক তিনি না এলে অনেক বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো। কারণ পাশেই ছিলো জেনারেটর রুম।

এ বিষয়ে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দায়িত্বরত ও সিলেট জেলা পুলিশের সদস্য জনি চৌধুরী বলেন, পাশের একটি টংয়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলাম। আগুন লেগেছে বলে লোকজন চিৎকার শুনে তাৎক্ষণিক বালতি দিয়ে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসি।

এ ব্যাপারে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা.মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ইতোমধ্যে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি। অগ্নিকাণ্ডের ভিডিওটি দেখে আমার কাছে সন্দেহজনক মনে হচ্ছে। ঘটনাস্থলে অনেকগুলো ঝাঁড়ু এক সঙ্গে ও কাগজপত্র রয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে যদি পাওয়া যায় কেউ অগ্নিকাণ্ড ঘটিয়েছে তাহলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার

;

ভোজ্যতেলের মজুদ ও বিপণন পর্যবেক্ষণ চলছে: ভোক্তার ডিজি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

১ মার্চ থেকে ভোজ্য তেল লিটারে ১০ টাকা কমিয়ে ১৬৩ টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা থাকলেও সেই দামে বিক্রি হচ্ছে না। তাই রূপগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, চট্টগ্রামসহ ৭টি রিফাইনারিতে তেলের উৎপাদন ও মজুদ পর্যবেক্ষণের জন্য ভোক্তা অধিকারের টিম কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক এ. এইচ. এম সফিকুজ্জামান।

শনিবার (২ মার্চ) বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবসের প্রাক্কালে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র আয়োজনে এক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরন।

ভোক্তার ডিজি বলেন, দাম কমানোর সিদ্ধান্ত সহজে কার্যকর হয় না, অথচ দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত দ্রুত কার্যকর হয়। চারটি পণ্যের ট্যাক্স কমালেও বাজারে তার প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, সঠিক সময়ে আমদানির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে না পারলে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে যায়। ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণে আজ প্রয়োজন ভোক্তার সিন্ডিকেট। ভোক্তারা সমন্বিতভাবে কোন দ্রব্য কেনা কমিয়ে দিলে এক সপ্তাহ পরেই তার দাম কমে আসবে, যেমন গরুর মাংস।

এসময় এ. এইচ. এম সফিকুজ্জামান বলেন, বেইলি রোড ট্রাজেডিতে ভোক্তার অধিকার ক্ষুন্ন হয়েছে। একজন গ্রাহক রেস্টুরেন্টে যাবার আগে তার পক্ষে জানা সম্ভব হয় না উক্ত স্থাপনা বিল্ডিং কোড মেনে করা হয়েছে কি না। সেখানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও জরুরি নির্গমন সিড়িসহ অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা সঠিক আছে কি না।

সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, দুষ্টচক্রের কারণে ন্যায্য দামে পণ্য কিনতে না পারায় ভোক্তারা কষ্টে আছে। সিন্ডিকেটের কবল থেকে বের হতে পারছে না ব্রয়লার মুরগি, গরুর মাংস, চিনি, ছোলা, পেঁয়াজ, খেজুরসহ অন্যান্য নিত্যপণ্য। আসন্ন রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে কিনা তা ভাবিয়ে তুলছে ভোক্তাদের। তবে ভ্যাট ট্যাক্স সহনীয় রেখে উন্মুক্ত আমদানি, ডলার সংকট মোকাবিলা, ব্যাংক গুলোকে বাড়তি দামে ডলার বিক্রি না করা, পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করাসহ সর্বোপরি সিন্ডিকেটের কালো হাত ভেঙে দিতে পারলে ভোক্তারা সঠিক দামে পণ্য কিনতে পারবে।

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার

;

ফেনীতে আয়োজিত হলো পুষ্টিভাত উৎসব 



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা-২৪.কম, ফেনী
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

'বসা ভাতে পুষ্টি বেশি, খেলে রোগপ্রতিরোধ হয়; মাড় ফেলে রান্না হলে চাল, ১৫ ভাগ হয় অপচয়' এ প্রতিপাদ্য নিয়ে ফেনীতে পুষ্টিভাত উৎসব আয়োজিত হয়েছে। 

খাদ্যের অপচয় রোধে বিজ্ঞানসম্মত বসাভাতের গুরুত্ব জাতীয় শিক্ষাক্রমের আওতায় মাধ্যমিক স্তরে পাঠ্যভুক্ত হওয়ায় জনসচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের গবেষক কবি ও বিজ্ঞানী গাজী রফিকের মতবিনিময় সভা ও পুষ্টিভাত উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শনিবার (২ মার্চ) দুপুরে শহরের গ্র‍্যান্ড টেস্ট রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এ সভায় বসাভাতের গুরুত্ব উল্লেখ করে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞানী গাজী রফিক।

এসময় তিনি পুষ্টিভাতের বিভিন্ন গুরুত্ব উল্লেখ করে সবাইকে এ বিষয়ে সচেতন হয়ে ভাতের অপচয় রোধে এবং পুষ্টিমান রক্ষায় বসাভাত খাওয়ার অভ্যাস গঠনের আহ্বান জানান।

গবেষক কবি ও বিজ্ঞানী গাজী রফিক বলেন, ভাতের মাড়ে পুষ্টিগুণ বেশি। ভাতের মাড় ফেলে দিলে তার পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়। বসাভাত খেলে ১৫ শতাংশ চাল সাশ্রয় হয় আর মাড় ফেলে দিলে ১৫ শতাংশ অপচয় হয়। বাংলাদেশে এ অর্থবছরে ৩ কোটি ৯০ লাখ মেট্রিক টন চাল উৎপাদন হয়েছে যা আমরা ব্যবহার করব। এ চাল থেকে ১৫ শতাংশ অপচয় হলে প্রায় ৬০ মেট্রিক টন চাল অপচয় হবে। এবং এতে করে পুষ্টি, স্বাস্থ্যর দিকে মানুষ এবং অর্থনৈতিক ভাবে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে৷

তিনি বলেন, এখন যে মিনিকেট চাউল বলে বিক্রি করা হয় এ নামে কোন চাল নেই। চালকে কেটে মিনিকেট নাম দিয়ে বিক্রি করা হয়। এসব চালে কোন গুণাগুণ নেই। বসাভাতে পুষ্টি রয়েছে এতে স্বাস্থ্য ভালো থাকবে এবং দেশ অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হবে। স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে এ পুষ্টিভাত উৎসব আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

আলোচনায় অংশ নিয়ে ফেনী সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ মোক্তার হোসেইন বলেন, বসাভাতের বিষয়ে আমাদের জানার ঘাটতি রয়েছে। এর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে মানুষ এখনও অবগত নয়। মানুষ সচেতন না হলে অদূর ভবিষ্যতে খাদ্য সংকটসহ নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। বসাভাত খেলে খাদ্য সঞ্চয় হবে এটি দেশের উন্নয়নের ধারক হবে। এ বিষয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে বহুল প্রচার প্রচারণা বাড়াতে পারলে মানুষ এ বিষয়ে সতর্ক থাকবে এবং দেশের উন্নয়ন হবে একই সাথে স্বাস্থ্যগত দিক থেকে মানুষ ভালো থাকবে।

এসময় আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন প্রথম আলো ফেনী প্রতিনিধি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক আবু তাহের, দৈনিক ফেনীর সময় সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, দৈনিক ফেনী সম্পাদক আরিফুল আমিন রিজভী, কবি ওবায়েদ মজুমদার।

পুষ্টিভাত উৎসব প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক সাংবাদিক আসাদুজ্জামান দারার সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় ফেনীর গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, আইনজীবী ও বিভিন্ন শ্রেণি প্রেশার মানুষ অংশ নেন। এতে বক্তারা পুষ্টিভাতের গুরুত্ব অনুধাবন করে এ বিষয়ে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা বাড়ানোর আহ্বান জানান। 

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার

;

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ, বেড়েছে ২.২৬ শতাংশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার ১০০ জন। ফলে আগের তুলনায় ২ দশমিক ২৬ শতাংশ বেড়েছে।

শনিবার (২ মার্চ) মোট ভোটারের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।

কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোট ভোটারের ৫ কোটি ৯৭ লাখ ৪ হাজার ৬৪১ জন নারী আর ৬ কোটি ২১ লাখ ৪৪ হাজার ৫৮৭ জন পুরুষ ভোটার।

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার

;