ইউক্রেনে শপিং সেন্টারে হামলাকে যুদ্ধাপরাধ বললেন জি-৭ নেতারা

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেনের পোলটাভা অঞ্চলের ক্রেমেনচুক শহরের একটি শপিং সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। তবে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। খবর বিবিসির।

ইউক্রেনে শপিং সেন্টারে হামলাকে জি-৭ নেতারা জঘন্য বলে নিন্দা করেছেন। তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, নিরপরাধ বেসামরিক মানুষের ওপর নির্বিচারে হামলা একটি যুদ্ধাপরাধ।হামলার জন্য রাশিয়াকে দায়ী করেন তারা।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, মধ্যাঞ্চলীয় শহর ক্রেমেনচুকের একটি জনাকীর্ণ শপিং সেন্টারে ওই হামলার সময় ভেতরে এক হাজারের বেশি মানুষ ছিল। সেখানে ব্যাপক উদ্ধার তৎপরতা চলছে।

জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক বেসামরিক স্থাপনার ওপর এমন হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন। 

পোলটাভা অঞ্চলের গভর্নর দিমিত্রো লুনিন এই হামলাকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি একে যুদ্ধাপরাধ বলেও অভিহিত করেছেন।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

ক্রিমিয়া সেতু পরিদর্শনে পুতিন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ক্রিমিয়া সেতু পরিদর্শনে পুতিন

ক্রিমিয়া সেতু পরিদর্শনে পুতিন

  • Font increase
  • Font Decrease

ক্রিমিয়ার সঙ্গে রাশিয়ার একমাত্র সংযোগ স্থাপনকারী ব্রিজ ক্রিমিয়া সেতু পরিদর্শন করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সেতুটি পরিদর্শনে যান পুতিন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

গত ৮ অক্টোবর সেতুটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে সেতুটি আংশিকভাবে ধসে পড়ে। নিহত হয় অন্তত তিনজন। ওই বিস্ফোরণের ঘটনাকে মস্কোর জন্য একটি বড় আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছিল। এর দুই মাসের মাথায় সেতুটি পরিদর্শনে গেলেন পুতিন।

পরিদর্শনকালে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর সেতুটির মেরামতের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গেও কথা বলেন পুতিন।

আনুষ্ঠানিক নাম কের্চ ব্রিজ হলেও ক্রিমিয়া উপদ্বীপের সঙ্গে রাশিয়ার সংযোগ স্থাপন করায় এটি ক্রিমিয়া সেতু নামেও পরিচিত।

রুশ প্রেসিডেন্টের দপ্তর ক্রেমলিনের প্রকাশিত ছবিতে পুতিনকে সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে কথা বলতে দেখা গেছে। একটি ভিডিওতে পুতিনকে সেতুতে হাঁটতে দেখা গেছে।

ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর রশদ সরবরাহের প্রধান পথ হিসেবে কের্চ প্রণালীর ওপর দিয়ে এই সেতুটি ব্যবহার করে আসছিল মস্কো। ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্রিজটিকে ইউক্রেনীয় বাহিনীর একটি বড় টার্গেট হিসেবে দেখা হচ্ছিল। রাশিয়া কর্তৃক ক্রিমিয়া দখলের চার বছর পর ২০১৮ সালে সেতুটির উদ্বোধন করেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর চার বছরের মাথায় ২০২২ সালে সেখানে বড় ধরনের বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় কেউ দায় স্বীকার না করলেও ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের উপদেষ্টা মাইখাইলো পোডোলিয়াক বলেছেন, “ক্রিমিয়া সেতু দিয়ে শুরু। অবৈধ সবকিছু ধ্বংস করতে হবে, চুরি যাওয়া সবকিছু ইউক্রেনকে ফেরত দিতে হবে, রাশিয়ার দখলে থাকা সবকিছু থেকে তাদের বহিষ্কার করা হবে।”

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;

হিজাব ইস্যুতে পিছু হটার ইঙ্গিত তেহরানের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

হিজাব আইন নিয়ে পিছু হটার ইঙ্গিত দিল ইরান। দু’মাসের হিজাব-বিরোধী প্রতিবাদ আন্দোলনের পর দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল মুহম্মদ জাফর মোনাজেরি বলেছেন, হিজাব আইনে কোনও পরিবর্তন করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইন ও বিচারবিভাগ।

সংবাদ সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

তবে হিজাব আইনে ঠিক কী ধরনের পরিবর্তন আনা হতে পারে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি।

ইরানের অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, গত বুধবার সংসদের সাংস্কৃতিক কমিশনের সঙ্গে দেখা করেছেন আইন ও বিচারবিভাগের যৌথ প্রতিনিধি দল। হিজাব আইনে পরিবর্তনের বিষয়ে তাদের মধ্যে বিস্তারিত কথা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

গত শনিবারই দেশের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি জানিয়েছিলেন, ইরানের সাধারণতন্ত্র এবং ইসলামিক প্রতিষ্ঠানগুলো সাংবিধানিকভাবে শক্ত ভিতের উপর প্রতিষ্ঠিত। তবে একই সঙ্গে তার দাবি, দেশের সংবিধানে নির্দিষ্ট কিছু প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বদল আনা সম্ভব। প্রেসিডেন্টের এই বার্তার মধ্যেই সম্ভাব্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত ছিল বলে অনেকে মনে করেছিলেন। তবে গোঁড়া এবং রক্ষণশীল ইসলামিক শাসনের নিয়ন্ত্রণাধীন ইরানে হিজাব আইন কতটা শিথিল করা হবে, তা নিয়ে সন্দিহান অনেকেই।

গত দু’মাস ধরেই হিজাব-বিরোধী আইনে উত্তাল ইরান। গত ১৬ সেপ্টেম্বর ইরানের কুর্দি অঞ্চলের বাসিন্দা, ২২ বছরের তরুণী মাহসা আমিনিকে আটক করে সে দেশের নীতি পুলিশ। মাহসার অপরাধ ছিল, তিনি ঠিক করে হিজাব পরেননি। পুলিশি হেফাজতেই রহস্যজনক ভাবে মাহসার মৃত্যু হয়। তার পরই তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন শহর এবং শহরাঞ্চলে হিজাব খুলে, চুল কেটে রক্ষণশীল ইসলামিক শাসনের বিরুদ্ধে সরব হন দেশটির নারীরা।

প্রতিবাদের রেশ গিয়ে পৌঁছায় ফুটবলের ময়দানেও। বিশ্বকাপের প্রথম খেলায় জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে গলা মেলাননি সে দেশের খেলোয়াড়রা। গ্যালারিতেও দেখা যায়, মাহসা আমিনির নাম লেখা জার্সি পরে নীরবে প্রতিবাদ দেখিয়ে যাচ্ছেন দেশটির তরুণীরা। আন্তর্জাতিক মঞ্চেও এ নিয়ে রীতিমতো কোণঠাসা হতে হয় ইরানকে। এত দিনে হিজাব নিয়ে নিজেদের নিশ্চল অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিল তেহরান প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৩ সালের পর ইরানের আইন অনুযায়ী প্রতিটি মেয়েকে বাধ্যতামূলক ভাবে হিজাবে মাথা ঢাকতে হয়। হিজাব না পরলে, এমনকি ঠিকভাবে না পরলেও সে দেশের সেনা, নীতি পুলিশ এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;

বিমানবন্দরের ২ কিলোর মধ্যে ৫জি স্টেশন স্থাপন না করার নির্দেশ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এয়ারটেল, রিলায়েন্স জিও ও ভোডাফোনকে অবিলম্বে ভারতীয় বিমানবন্দরগুলোর ২ দশমিক ১ কিলোমিটার পরিসরের মধ্যে সি-ব্যান্ড ৫জি বেস স্টেশনগুলো ইনস্টল না করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে দেশটির টেলিকমিউনিকেশন বিভাগ।

কারণ সি-ব্যান্ড ৫জি সমস্যা তৈরি করতে পারে। বিমানের রেডিও (রাডার) অল্টিমিটারের সঙ্গে, যা তারা টেকঅফ এবং অবতরণের সময় নির্ভর করে এবং পাহাড়ে বিধ্বস্ত হওয়া এড়াতে সহায়তা করে।

আইএএনএস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, টেলিকম কোম্পানিগুলোতে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, রানওয়ের উভয় প্রান্ত থেকে ২১০০ মিটার এবং ভারতীয় বিমানবন্দরগুলোর রানওয়ের কেন্দ্র লাইন থেকে ৯১০ মিটার এলাকায় কোনও ৫জি/ আইএমটি বেস স্টেশন থাকবে না।

বেস স্টেশন, নোডাল বা রিপিটার স্থাপন করা হয়েছে ৫৪০ মিটার এলাকা ঘিরে, সর্বোচ্চ শক্তি অবশ্যই ৩৩০০-৩৬৭০ হার্জ রেঞ্জের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে, চিঠিতে বলা হয়েছে৷

এয়ারটেল নাগপুর, বেঙ্গালুর, নতুন দিল্লি, গুয়াহাটি এবং পুনে বিমানবন্দরে ৫জি বেস স্টেশন ইনস্টল করেছে, যেখানে জিও দিল্লি-এনসিআর এলাকায় ৫জি বেস স্টেশন ইনস্টল করেছে।

ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয় বাফার এবং সুরক্ষা অঞ্চলের স্কেচ প্রদান করেছে এবং বিমান পরিচালনার জন্য নিরাপত্তা উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে বিমানবন্দর এলাকায় এবং এর আশেপাশে সি-ব্যান্ড ৫জি স্পেকট্রাম প্রয়োগ করার সময় প্রশমন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করেছে।

যেহেতু উচ্চ-গতির ৫জি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাইলটরাও বিমানের রেডিও (রাডার) অল্টিমিটারের সঙ্গে ঘন ঘন সমস্যার রিপোর্ট করছেন।

আইইইই স্পেকট্রাম (বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যাগাজিন) নাসার এভিয়েশন সেফটি রিপোর্টিং সিস্টেমের প্রতিবেদনের বিশ্লেষণ অনুসারে, এই বছরের শুরুতে উচ্চ-গতির ৫জি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের রোলআউটের পরে ত্রুটিপূর্ণ এবং ব্যর্থ অল্টিমিটারের অভিযোগ বেড়েছে, যা ব্যবহার করে অনুরূপ সি-ব্যান্ড ফ্রিকোয়েন্সি।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে টেনেসির ওপরে অন্তত তিনটি ফ্লাইট একই সঙ্গে অল্টিমিটার ত্রুটির সম্মুখীন হয়েছিল যা “নির্ধারিত উচ্চতা বজায় রাখা অসম্ভব, একজন পাইলটের মতে।

একটি জেট তার অটোপাইলট সম্পূর্ণভাবে হারিয়েছে এবং অবতরণের সময় ফায়ার ট্রাক অপেক্ষা করছে বলে জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে, নিউ অরলিন্সের লুই আর্মস্ট্রং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে যাওয়ার সময় একটি যাত্রীবাহী বিমানটি এক হাজার ফুট নীচে উড়ে যাওয়ার সময় অনিয়মিত নিম্ন-উচ্চতা সতর্কতার সম্মুখীন হয়েছিল।

গত মার্চ মাসে, লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অটোপাইলটে অবতরণ করা একটি বাণিজ্যিক জেট হঠাৎ মাটি থেকে মাত্র ১০০ ফুট উপরে একটি আক্রমণাত্মক অবতরণে চলে যায়।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;

নিউইয়র্কে ঘরের ভেতরও চলছে ড্রোনে নজরদারি!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নিউইয়র্কে ঘরের ভেতরও চলছে ড্রোনে নজরদারি!

নিউইয়র্কে ঘরের ভেতরও চলছে ড্রোনে নজরদারি!

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে সাধারণ মানুষের ঘরের ভেতরও ডিজিটাল নজরদারি বা গুপ্তচরবৃত্তি চালাচ্ছেন সিটি পুলিশের ড্রোন। নিউইয়র্ক সিটির পাঁচটি বৃহত্তম পৌরসভায় ড্রোনগুলো নজরদারি চালাচ্ছে।

নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টসহ আরও কয়েকটি এজেন্সি এসব কর্মসূচি কার্যকর করছে ড্রোনের মাধ্যমে। ইতিমধ্যেই নিউইয়র্ক সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন এই গুপ্তচরবৃত্তিকে সাধারণ মানুষের প্রাইভেসিতে আঘাত বলে উল্লেখ করেছেন।

জানা যায়, রাস্তায় চলাচলসহ সাইড ওয়াকে দাঁড়িয়ে কথা বলা, ওপেন স্পেসে সমাবেশসহ এপার্টমেন্ট বিল্ডিংয়ের জানালা দিয়েও বায়োমেট্রিক সারভাইল্যান্স প্রযুক্তির মাধ্যমে ফেশিয়াল রিকগনিশন, গেইট বা চলাফেরা রিকগনিশন, ইমোশন রিকগনিশন অথবা আচরণ রিকগনিশন করা হচ্ছে।

সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের বরাত দিয়ে গণমাধ্যম লিখছে, বর্তমানে কমপক্ষে ৩৩টি সরকারি মালিকানাধীন ড্রোন প্রায় নিউ ইয়র্ক সিটির আকাশে খুব নিচু দিয়ে উড়ে যাচ্ছে। এইসব ড্রোনের মধ্যে ১৯টি নিউ ইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের। পুলিশের এই ডিজিটাল গুপ্তচরবৃত্তিকে নিউ ইয়র্ক সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন কোনো নিয়মতান্ত্রিক রেগুলেশন খুঁজে পায়নি। বরং তা সাধারণ মানুষের প্রাইভেসিতে আঘাত হানছে বলে অভিযোগ করেছে।

বিশেষ করে এপার্টমেন্টের পাশ দিয়ে উড়ে জানালা দিয়ে ভিতর দেখাকে তারা মেনে নিতে পারছে না। তাছাড়া রাস্তায় চলাফেরাতেও আর মানুষের স্বাধীনতা থাকছে না বলে উল্লেখ করেছে।

সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের গবেষণায় বলা হয়েছে, এইসব ড্রোন উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এবং মিলিটারি গ্রেডের টেকনোলজি। তাদের গবেষণায় উঠে এসেছে নিউ ইয়র্ক স্টেটের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি ৫৩০টি ড্রোনের রেজিস্ট্রেশন করেছে। এর মধ্যে ৩২৭টি ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান।

উল্লেখ্য নিউ ইয়র্ক সিটিতে কোনো প্রাইভেট এবং কমার্শিয়াল ড্রোন ব্যবহার বা অপারেশন নিষিদ্ধ। তবে নিউ জার্সিতে সম্প্রতি যে ৫০০টি ড্রোন ব্যক্তিগত ও কমার্শিয়াল ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয়েছে, তা এতই উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন যে হাডসন নদীর নিউ জার্সি তীর থেকে তা ম্যানহ্যাটানকে পর্যবেক্ষণ করতে পারে। এইসব ড্রোন মাঝে মাঝে হাডসন-নদী পার হয়ে নিউ ইয়র্কের সীমান্তেও ঢুকে পড়ে।

সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন বলছে, ড্রোনের মাধ্যমে পাওয়া বায়োমেট্রিক তথ্য যদি ভুলও হয়, তবু এনওয়াইপিডির সদস্যরা তা বিশ্বাস করে এবং উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেফতার করে। সম্প্রতি নিউ ইয়র্ক সিটিতে অপরাধ বহুলাংশে বেড়ে যাওয়ায় মেয়র এরিক এডামস উচ্চ অপরাধপ্রবণ এলাকার বিভিন্ন ভবনের ছাদ থেকে ড্রোনের মাধ্যমে গুপ্তচরবৃত্তির অনুমতি দেয়ার খবরটি ফাঁস করে দেয় নিউ ইয়র্ক পোস্ট।

নিউ ইয়র্ক সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন এই গবেষণার প্রেক্ষিতে এনওয়াইপিডির কাছ থেকে তাদের ড্রোনের সারভাইল্যান্সে ধরা পড়া তথ্যসমূহ পাবলিক রেকর্ড হিসাবে প্রকাশের অনুরোধ জানিয়েছে।

সিভিল লিার্টিজ ইউনিয়নের কর্মকর্তারা স্টেট আইনপ্রণেতাদের অনুরোধ জানিয়েছেন, তারা যেন এই মর্মে বিল পাশ করে যে ড্রোনের মাধ্যমে কোনো প্রতিবাদ সভায় গুপ্তচরবৃত্তি করা যাবে না। সেই সঙ্গে যে কোনো ড্রোন-সার্চের আগে যেন তারা আদালতের ওয়ারেন্ট নিয়ে নেয়। এবং ফেশিয়াল রিকগনিশন সফটওয়্যার ব্যবহার নিষিদ্ধ করে।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;