২৪ ঘণ্টায় ৩৪ রকেট হামলা চালিয়েছে রাশিয়া: জেলেনস্কি

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেনে মুর্হুমুর্হ রকেট হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনে অন্তত ৩৪টি রকেট হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

সোমবার (১১ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জেলেনস্কি বলেন, চাসিভ ইয়ার শহরের একটি ভবনে রাশিয়ার রকেট হামলায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন, সেটিসহ ২৪ ঘণ্টায় তারা ৩৪টি রকেট হামলা চালিয়েছে। রাশিয়া এখনও ইউক্রেনে অনবরত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে

চাসিভ ইয়ার শহরের হামলাটিকে 'সন্ত্রাসবাদ' হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ইউক্রেন বলছে, স্টেট টেররিস্ট স্পনসরের তালিকায় রাশিয়ার নাম থাকা উচিত।

রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খেরসনের বাসিন্দাদের সেখান থেকে দ্রুত সরে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে ইউক্রেনের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী। ইউক্রেন সেনারা রাশিয়ায় পাল্টা হামলার পরিকল্পনা করছে বলে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো তাদের যে হাই মোবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেম দিচ্ছে, তাতে যুদ্ধক্ষেত্রে বিপুল পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বাইডেন প্রশাসন ইউক্রেনকে আরও চারটি হিমরাস দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। ফলে ইউক্রেনের হাতে ১২টি হিমরাস থাকবে। এছাড়াও অ্যামেরিকা তাদের প্রচুর গোলাবারুদ সরবরাহ করছে।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ৩,৮০০ ছাড়িয়েছে



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় আঘাত হানা ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলছে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দেশ দুটিতে ৩ হাজার ৮২৩ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এর মধ্যে শুধু তুরস্কেই মারা গেছেন দুই হাজার ৩৭৯ জন। সিরিয়ায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪৪৪ জনে। খবর বিবিসির।

ভূমিকম্পের পর তুরস্কের আবেদনে সাড়া দিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ১৭টি দেশের ২০টি উদ্ধার দল দেশটির উদ্দেশে যাত্রা করে। পরবর্তীতে জরুরি চিকিৎসক দল পাঠানোর কথাও ভাবছেন ইইউ কর্মকর্তারা।

এদিকে ভূমিকম্পের পর উদ্ধার তৎপরতা চলার মধ্যেই আরও কয়েক দফায় কম্পন অনুভূত হয়। এর মধ্যে একটির মাত্রা ছিল ৭.৫৷

তুরস্কের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত দেশটিতে দুই হাজার ৩৭৯ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন ১৪ হাজার ৪৮৩ জন। দেশটিতে অন্তত পাঁচ হাজার ৬০৬টি বহুতল ভবন ধসে পড়েছে।

অন্যদিকে সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত এক হাজার ৪৪৪ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া দেশটিতে সাড়ে তিন হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল- জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল সিরিয়া সীমান্তবর্তী তুরস্কের গাজিয়ানতেপ শহরে।

ভূমিকম্পের পর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান একে ১৯৩৯ সালের পর সবচেয়ে বড় বিপর্যয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন। যে ভূমিকম্পে প্রায় ৩৩ হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল।

এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ভূমিকম্পে হতাহতদের খবর আসার শুরুতে সতর্ক করে জানিয়েছিল, শক্তিশালী এ ভূমিকম্পে শেষ পর্যন্ত মৃত্যু আটগুণ বাড়তে পারে।

ভূমিকম্পে হতাহতদের স্মরণে সাতদিনে জাতীয় শোক ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। স্থানীয় সময় সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক টুইটবার্তায় তিনি এ ঘোষণা দেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সোমবার ভোররাত ৪টা ১৭ মিনিটে সিরিয়ার সীমান্তবর্তী তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮। ভূমিকম্পটি যখন আঘাত হানে, তখন বেশির ভাগ মানুষ ঘুমাচ্ছিলেন।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;

ভূমিকম্প: তুরস্ক-সিরিয়ায় মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার মানুষের সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোরে শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে ঘুম ভাঙে। ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত নিহত ব্যক্তির সংখ্যা ২ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে বলে বিবিসি ও এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল- জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ধসে পড়া ভবনগুলোর ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অনেকে আটকা পড়ে আছেন। এ ঘটনায় তুরস্কে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। দেশটি ৮৪ বছরের মধ্যে এত শক্তিশালী ভূমিকম্প দেখেনি।

তুরস্কের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত তুরস্কে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৪৯৮ জনে দাঁড়িয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, সিরিয়ায় ভূমিকম্পে ৮১০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে।

এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শত শত মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধারকর্মীরা ওই এলাকার বিভিন্ন শহর ও শহরে ধ্বংসাবশেষের স্তূপে অভিযান চালাচ্ছেন। ফলে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল সিরিয়া সীমান্তবর্তী তুরস্কের গাজিয়ানতেপ শহরে। ভূমিকম্পের পর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান একে ১৯৩৯ সালের পর সবচেয়ে বড় বিপর্যয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

তুরস্কের ১০টি শহর ও প্রদেশের স্কুল এক সপ্তাহের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি হাতায়, মারাশ এবং আন্তেপের বিমানবন্দরগুলো বন্ধ বা আংশিকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রচণ্ড শীতের মধ্যে তুষারে ঢাকা রাস্তায় নেমে আসতে বাধ্য হয়। ভূমিকম্পে বহু ভবন ধসে পড়েছে, এসব ভবনের ধ্বংসস্তূপে বহু মানুষ আটকা পড়েছে বলেও খবর আসছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, দেশটির দক্ষিণ-পূর্বের বেশ কয়েকটি শহরের ভবন ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সোমবার ভোররাত ৪টা ১৭ মিনিটে সিরিয়ার সীমান্তবর্তী তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮। ভূমিকম্পটি যখন আঘাত হানে, তখন বেশির ভাগ মানুষ ঘুমাচ্ছিলেন।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;

ভূমিকম্পে তুরস্ক-সিরিয়ায় মৃতের সংখ্যা প্রায় ২০০০



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ায় প্রায় দুই হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।

সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সীমান্তবর্তী এলাকার এই ভূমিকম্পে তুরস্কেই নিহত হয়েছেন ১২’শরও বেশি মানুষ। বিধ্বস্ত হয়েছে হাজার হাজার ঘরবাড়ি।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল- জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, এপর্যন্ত সিরিয়ায় ৭৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল সিরিয়া সীমান্তবর্তী তুরস্কের গাজিয়ানতেপ শহরে। প্রায় ৮৪ বছর পর এমন শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে তুরস্ক। দুই দেশেই হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভূমিকম্পের পর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান একে ১৯৩৯ সালের পর সবচেয়ে বড় বিপর্যয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

এদিকে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশটির সরকারনিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে ভূমিকম্পে অন্তত ২৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৬৪৮ জন। এই অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে আলেপ্পো, হামা, লাতাকিয়া ও তারতুসের মতো শহরগুলো।

সিরিয়ায় বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে হতাহতের খবর দিয়েছে এসব অঞ্চলে উদ্ধারকাজ চালানো দল হোয়াইট হেলমেট। এক টুইট বার্তায় তারা বলছে, ভূমিকম্পে সেখানে অন্তত ১৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৩৪০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। এখনো অনেক পরিবার ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছে। তাই হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

দুর্গত এলাকা থেকে যেসব মর্মান্তিক ছবি পাওয়া যাচ্ছে তাতে বাসাবাড়ি ও সড়কে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া লোকদের সন্ধানকারী উদ্ধারকারী দলগুলোকে মরিয়া হয়ে কাজ করতে দেখা যাচ্ছে।

তুরস্কের ১০টি শহর ও প্রদেশের স্কুল এক সপ্তাহের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি হাতায়, মারাশ এবং আন্তেপের বিমানবন্দরগুলো বন্ধ বা আংশিকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রচণ্ড শীতের মধ্যে তুষারে ঢাকা রাস্তায় নেমে আসতে বাধ্য হয়। ভূমিকম্পে বহু ভবন ধসে পড়েছে, এসব ভবনের ধ্বংসস্তূপে বহু মানুষ আটকা পড়েছে বলেও খবর আসছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, দেশটির দক্ষিণ-পূর্বের বেশ কয়েকটি শহরের ভবন ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সোমবার ভোররাত ৪টা ১৭ মিনিটে সিরিয়ার সীমান্তবর্তী তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮। ভূমিকম্পটি যখন আঘাত হানে, তখন বেশির ভাগ মানুষ ঘুমাচ্ছিলেন।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;

ভূমিকম্পে তুরস্কে ৯ শতাধিক, সিরিয়ায় ৬ শতাধিক মৃত্যু



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে তুরস্কে ৯১২ জন ও সিরিয়ায় ৬০০ জনের বেশি প্রাণহানি হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল- জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সীমান্তবর্তী এলাকায় এই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল সিরিয়া সীমান্তবর্তী তুরস্কের গাজিয়ানতেপ শহরে। প্রায় ৮৪ বছর পর এমন শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে তুরস্ক। দুই দেশেই হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এখন পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে দেশটিতে অন্তত ২ হাজার ৮১৮টি ভবন ধসে পড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ধসে পড়া ভবনগুলোতে অসংখ্য মানুষ আটকা পড়েছে। কর্মীরা ধ্বসংস্তূপের মধ্য থেকে আটকে পড়াদের উদ্ধারে তৎপরতা জোড়ালো করেছে।

ভূমিকম্পের পর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেন, এখন পর্যন্ত তুরস্কে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯১২ হয়েছে। এ ছাড়া ৫ হাজার ৩৮৩ জন আহত হয়েছেন। নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে কত হতে পারে, সে সম্পর্কে কোনো ধারণা দিতে পারছেন না তিনি।

এদিকে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশটির সরকারনিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে ভূমিকম্পে অন্তত ২৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৬৪৮ জন। এই অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে আলেপ্পো, হামা, লাতাকিয়া ও তারতুসের মতো শহরগুলো।

সিরিয়ায় বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে হতাহতের খবর দিয়েছে এসব অঞ্চলে উদ্ধারকাজ চালানো দল হোয়াইট হেলমেট। এক টুইট বার্তায় তারা বলছে, ভূমিকম্পে সেখানে অন্তত ১৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৩৪০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। এখনো অনেক পরিবার ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছে। তাই হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রচণ্ড শীতের মধ্যে তুষারে ঢাকা রাস্তায় নেমে আসতে বাধ্য হয়। ভূমিকম্পে বহু ভবন ধসে পড়েছে, এসব ভবনের ধ্বংসস্তূপে বহু মানুষ আটকা পড়েছে বলেও খবর আসছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, দেশটির দক্ষিণ-পূর্বের বেশ কয়েকটি শহরের ভবন ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে।

তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেইমান সোইলু জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে গাজিয়ানটেপ, কাহরামানমারাস, হতাই, ওসমানিয়ে, আদিয়ামান, মালাটিয়া, সানলিউরফা, আদানা, দিয়ারবাকির ও কিলিস শহর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;