নির্বাচনে সরকার অলিখিতভাবে ‘এসপিকে’ চিফ এজেন্ট নিয়োগ করেছে

  নাসিক নির্বাচন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে পরাজিত মেয়র প্রার্থী এডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে পরাজিত মেয়র প্রার্থী এডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার

  • Font increase
  • Font Decrease

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে পরাজিত মেয়র প্রার্থী এডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আমি চিফ এজেন্ট নিয়োগ করেছিলাম নারায়গণঞ্জ মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামলকে। আর সরকার অলিখিতভাবে চিফ এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ করছে এসপি জায়েদুল আলমকে। এই পুলিশ সুপার আমার এতগুলো লোককে গ্রেফতার করে একটা ত্রাসের সৃষ্টি করছে।

মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় আদালতপাড়ায় নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতির নির্বাচন চলাকালীন সময় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমি বেসিক্যালি খুব টেনশনে আছি। আমার লোকগুলি, আমার নেতাকর্মী, আমার  ব্যক্তিগত স্টাফ, ড্রাইভার, মাইক অপারেটর, আমার নিজস্ব দায়িত্বপ্রাপ্ত লোকজন তারা গ্রেফতার অবস্থায় আছে। ডিবি অফিস থেকে আমি গাড়ির চাবিটা নিতে পেরেছি, মোবাইলও নিয়েছি। আমার গাড়িতে যে টাকা ছিল তাও আমি বুঝে পেয়েছি। আমার লোকগুলো বের হতে পারছে না। তাদের জন্য এখন জেলখানায় যাবো। যেহেতু তাদের জামিন হয় নাই তাদের পার্সোনাল ক্যাসে কিছু টাকা পয়সা দেবো, যাতে তাদের খাবারের অসুবিধা না হয়। বাকি নেতা কর্মীদের সাথে আছি, কোন সমস্যা নাই।

তিনি আরও বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার যে মিথ্যা কথা বলে, অসত্য কথা বলে এটা প্রমাণ করলো এই নির্বাচনের মাধ্যমে। সে বলেছিল লেভেল প্লেয়িং ফ্লিড করবে, তা করে নাই। একটা ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করছে এই গ্রেফতারে মাধ্যমে। নির্বাচনের দিনও আমার লোকজন গ্রেফতার করছে। আমার সামনে আইটি স্কুলে পুলিশ এবং ম্যাজিস্ট্রেট পোলিং এজেন্টকে খাবারও দিতে দেয়নি। এই নির্যাতনের মধ্যেও আল্লাহ মানসিক অবস্থা ভালো রাখছে।

আইনজীবী সমিতির নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত আছে, গণতন্ত্র পরিবেশে আছে। আমি এবং আমার মেয়ে ভোট দিয়েছি। আমার দলের সমর্থিত প্যানেল জয় লাভ করেবে বলে আমি আশা করি।

  নাসিক নির্বাচন

নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনে ইসির গণবিজ্ঞপ্তি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নির্বাচন কমিশন ভবন

নির্বাচন কমিশন ভবন

  • Font increase
  • Font Decrease

চার মাস সময় দিয়ে রাজনৈতিক দলের নতুন নিবন্ধন দিতে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। আগ্রহী দলকে নিবন্ধন পেতে আগামী ২৯ আগস্ট পর্যন্ত আবেদনের সময় দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) নির্বাচন কমিশনের ওই বিজ্ঞপ্তিতে আগামী ২৯ আগস্টের মধ্যে নতুন দলগুলোকে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

আবেদনে যেসব কাগজ জমা দিতে হবে-

নিবন্ধনে আগ্রহী দলগুলোকে আবেদনের সঙ্গে দলের গঠনতন্ত্র, নির্বাচনী ইশতেহার (যদি থাকে), দলের বিধিমালা (যদি থাকে), দলের লোগো এবং পতাকার ছবি, দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি বা সমমানের কমিটির সব সদস্যের পদবিসহ নামের তালিকা, দলের নামে রক্ষিত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ও ব্যাংকের নাম এবং ওই অ্যাকাউন্টের সর্বশেষ স্থিতি, দলের তহবিলের উৎসের বিবরণ, দলের নিবন্ধনের দরখাস্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনুকূলে প্রদত্ত ক্ষমতাপত্র জমা দিতে হবে।

এছাড়া নিবন্ধ ফি বাবদ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব বরাবর জমাকৃত অফেরতযোগ্য টাকার ট্রেজারি চালানের কপি জমা দিতে হবে।

একইসঙ্গে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে দরখাস্ত দাখিল করার তারিখ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের যে কোনো একটিতে দলীয় নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে কমপক্ষে একটি আসন লাভের সমর্থনে প্রামাণিক দলিল জমা দিতে হবে। অথবা, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে দরখাস্ত দাখিল করার তারিখ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের যে কোনো একটিতে ওই দলের নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত ভোটের শতকরা পাঁচভাগ ভোট লাভের সমর্থনে কমিশন বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক ইস্যুকৃত প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে।

এ ছাড়াও দলের কেন্দ্রীয় কমিটিসহ একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় দপ্তর, অন্তত এক তৃতীয়াংশ প্রশাসনিক জেলায় কার্যকর জেলা দপ্তর এবং অন্তত ১০০টি উপজেলা বা মেট্রোপলিটন থানায় কার্যকর দপ্তর এবং প্রতি উপজেলায় বা থানায় অন্তত ২০০ ভোটার সদস্য হিসেবে দলের তালিকাভুক্ত থাকার সমর্থনে প্রামাণিক দলিল দাখিল করতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে ড. এটিএম শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন দেশে প্রথমবারের মতো রাজনৈতিক দলগুলোকে নিবন্ধন দেয়। এরপর গত ১৪ বছরে মোট ৪৪টি দলকে নিবন্ধন দিয়েছে ইসি। এর মধ্যে শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় ও আদালতের নির্দেশে পাঁচটি দলের নিবন্ধন বাতিল করা হয়। ফলে বর্তমানে ইসিতে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল রয়েছে ৩৯টি।

  নাসিক নির্বাচন

;

এপিএসসিএল’র বিদ্যুৎ প্রকল্পে ইলিশ প্রজনন বাধাগ্রস্ত হবে



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কলাপাড়ায় (পটুয়াখালী) নির্মাণাধীন এপিএসসিএল’র (আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি) বিদ্যুৎ প্রকল্পের কারণে ইলিশ প্রজনন বাঁধাগ্রস্ত হবে। আন্ধারমানিক চ্যানেলের পানি ও পরিবেশ দুষিত হয়ে এমনটি হবে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)।

বৃহস্পতিবার (২৬মে) বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এবং ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই দাবী করা হয়। এতে মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিওমেটিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আশিকুর রহমান। প্রকল্প নিয়ে একটি আর্থসামাজিক সমীক্ষা’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। 

তিনি বলেন, প্রকল্পের কারণে ২৯ কিলোমিটার পানিপথ ভরাট করা হবে। এই প্রকল্পের আশপাশের শিল্পায়ন কলাপাড়া এলাকার নদী, পানি ও মৎস্য সম্পদসহ সাধারণ মানুষের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। প্রথমে ১৩২০ মেগাওয়াটের কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্কপ্পনা নিলেও, গতবছর তা বাতিল করে এলএনজি অথবা নবায়নযোগ্য জ্বালানী ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্কপ্পনা গ্রহণ করে। এখন এখানে ২৪০০ মেগাওয়াটের এলএনজি ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করতে চায়।

সরকার গতবছর ১০টি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়। এর পেছনে মূল কারণ ছিল ওই বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো যথা সময়ে কাজ এগিয়ে নিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। সেই বাতিল হওয়ার প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে এপিএসসিএল’র প্রকল্পটিও।

সাংবাদিক সম্মেলনে বলা হয়, প্রকল্পের জন্য ৩ ফসলী কৃষিজমি অধিগ্রহণ হয়েছে। ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যাপক অনিয়মের খবর মিলেছে।  

সভাপতির বক্তব্যে এমএস সিদ্দিকী বলেন, বাপা কখনই উন্নয়নের বিপক্ষে নয়। কিন্তু যে উন্নয়ন দেশের কৃষি, পরিবেশ, নদী, জীববৈচিত্র ও প্রাণিসম্পদ ধ্বংস করে সে উন্নয়ন আমরা চাই না। সম্ভাব্য অভিঘাতসমূহ সঠিকভাবে পর্যালোচনা করা জরুরি।

বাপার সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল বলেন, কয়লা ও জীবাশ্ম জ্বালানীভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো যেন এসডিজি বাস্তবায়নে বাধা হয়ে না দাঁড়ায় সেজন্যও সরকারকে সচেতন হতে হবে। কলাপাড়ায় চলমান শিল্পায়ন দেশের মৎস্য সম্পদের, বিশেষভাবে ইলিশ এবং তরমুজ উৎপাদনের উপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

স্থানীয় ভুক্তভোগী ফরিদ উদ্দিন বলেন, এলাকায় একরপ্রতি ৮০ মন ধান হয় প্রতি মৌসুমে। তিন ফসলী এ জমিতে ইরি-বোরো ছাড়াও তরমুজ চাষ হয়। প্রধানমন্ত্রী তিন ফসলী জমিতে যেন কল কারখানা না করা হয়। কিন্তু এখানে করা হচ্ছে। মাত্র ২০ শতাংশ লোক অধিগ্রহণের টাকা পেয়েছে।

  নাসিক নির্বাচন

;

‘ঐক্য ও অগ্রগতির ২৭ বছর’ ডিআরইউ’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘ঐক্য ও অগ্রগতির ২৭ বছর’ ডিআরইউ’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

‘ঐক্য ও অগ্রগতির ২৭ বছর’ ডিআরইউ’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

  • Font increase
  • Font Decrease

 ‘ঐক্য ও অগ্রগতির ২৭ বছর’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে পালিত হয়েছে রাজধানীতে কর্মরত পেশাদার রিপোর্টারদের সবচেয়ে বড় সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) ডিআরইউ প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা, বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, এমপি। সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম হাসিবের সঞ্চালনায় এ সময় সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করেন ডিআরইউ সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু।

ডিআরইউ’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এ বছর ব্যতিক্রমী আয়োজন ছিল বীর মুক্তিযোদ্ধা সদস্যদের সংবর্ধনা দেয়া। সরকারের সমন্বিত তালিকা অনুযায়ী ১৩ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ডিআরইউ সদস্যের হাতে সম্মাননা স্মারক ও উত্তরীয় তুলে দেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক, এমপি।


সংবর্ধনা প্রাপ্তরা হলেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃণাল কৃষ্ণ রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহম্মদ শফিকুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন হাবীব, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাক আহমেদ মোবারকী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল বাশার চপল, বীর মুক্তিযোদ্ধা কার্তিক চ্যাটার্জী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আকরাম হোসেন খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বপন দাশ গুপ্ত, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান সরদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা তালুকদার হারুন, বীর মুক্তিযোদ্ধা শংকর কুমার দে ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হালিম আজাদ।

নসরুল হামিদ মিলনায়তনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সাংবাদিকরা দেশে-বিদেশে বিশ্ব জনমত গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। জাতি এ বীরদের আজীবন স্মরণ করবে। যারা কলম সৈনিক, তারাও মুক্তিযোদ্ধা। যারা চরমপত্র লিখেছেন, তারাও মুক্তিযোদ্ধা। কারণ মুক্তিযোদ্ধা শুধু একদিক থেকে নয়, সার্বিক দিক থেকে সবকিছু মিলিয়েই মুক্তিযোদ্ধা।

সংবর্ধনা পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে এবং স্মৃতিচারণ করে বীর মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশে-বিদেশে যে সাংবাদিকতা হয়েছিল সে সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে, দালিলিকভাবে ইতিহাস সংরক্ষণ করতে হবে। গণমাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের যারা জীবিত আছেন তাদের মূল্যায়ন করতে হবে। প্রজন্মের পর প্রজন্মে মুক্তিযোদ্ধাদের গৌরব প্রবাহিত হবে বলেও এ সময় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা।


ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম হাসিবের সঞ্চালনায় সভাপতির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম মিঠু বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সাংবাদিকদের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। তাদের মধ্যে অনেকেই সামনের সারিতে থেকে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়ে বাংলাদেশকে স্বাধীন করতে জীবন বাজি রেখে ছিলেন। তাদের সম্মান করতে পেরে আমরা গর্বিত।

২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও ডিআরইউ’র সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কাফি এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ও ডিআরইউ’র প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কামাল উদ্দিন সুমন মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন।

দিনব্যাপী আয়োজনে ডিআরইউ কার্যনির্বাহী কমিটির যুগ্ম সম্পাদক শাহনাজ শারমীন, অর্থ সম্পাদক এস এম এ কালাম, দপ্তর সম্পাদক রফিক রাফি, নারী বিষয়ক সম্পাদক তাপসী রাবেয়া আঁখি, তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক কামাল মোশারেফ, ক্রীড়া সম্পাদক মাকসুদা লিসা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাদিয়া শারমিন, আপ্যায়ন সম্পাদক মুহাম্মাদ আখতারুজ্জামান ও কল্যাণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবলু, কার্যনির্বাহী সদস্য হাসান জাবেদ, মাহমুদুল হাসান, সোলাইমান সালমান, সুশান্ত কুমার সাহা, মো: আল-আমিন, এসকে রেজা পারভেজ এবং মো: তানভীর আহমেদসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া সাবেক সভাপতি শাহজাহান সরদার, এম শফিকুল করিম, সাখাওয়াত হোসেন বাদশা, সাইফুল ইসলাম, ইলিয়াস হোসেন, রফিকুল ইসলাম আজাদ ও মুরসালিন নোমানী এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, রাজু আহমেদ, সৈয়দ শুকুর আলী শুভ ও কবির আহমেদ খান উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ঘোড়ার গাড়ি ও বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করা হয়। র‌্যালিটি ডিআরইউ চত্বর থেকে বের হয়ে বারডেম হাসপাতাল (মহিলা ও শিশু) ও শিল্পকলা একডেমি মোড় ঘুরে ডিআরইউ চত্বরে এসে শেষ হয়।

র‌্যালি শেষে ডিআরইউ নসরুল হামিদ মিলনায়তনে কেক কাটা হয়। এছাড়া ডিআরইউ সদস্য ও পরিবারের জন্য দিনব্যাপী বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্প ও সন্ধ্যায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

  নাসিক নির্বাচন

;

রংপুরে হাইটেক পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: লাখো তরুণের কর্মসংস্থান হবে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে মেধা নির্ভর অর্থনীতিতে যাওয়ার জন্য হাইটেক পার্ক হবে সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশের চালিকাশক্তি। লাখ লাখ তরুণের কর্মসংস্থানের ঠিকানা হবে এ হাইটেক পার্ক। রংপুর বিভাগের তরুণদের আর ঢাকা কিংবা বিদেশমুখী হতে হবে না।

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) সকালে রংপুর নগরীর খলিশাকুড়ি বিল এলাকায় ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া হাইটেক পার্কের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সততা, সাহসিকতা ও দূরদর্শিতার কারণে করোনার ধাক্কা সামলেও দেশকে এগিয়ে নিতে পেরেছেন । প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে আমরা এখন ডিজিটাল এবং উন্নত। ২০৪১ সালের মধ্যে আধুনিক স্মার্ট বাংলাদেশ গড়া আমাদের অন্যতম ভিশন।

এর আগে সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ড. এমএ ওয়াজেদ মিয়া হাইটেক পার্ক নির্মাণে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ফলক উন্মোচন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর আদর্শবিষয়ক তথ্যচিত্র ও ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণের তথ্য চিত্র এবং প্রকল্পের উদ্যোগে হাইটেক পার্ক রংপুরের তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এর পাশাপাশি অনুষ্ঠানে ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল আলীম মাহমুদ, জেলা প্রশাসক আসিব আহসান, জেলা পর্যায়ে হাইটেক পার্ক নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক একেএএম ফজলুল হক, আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রাজু, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মণ্ডল প্রমুখ।

ভারতীয় অর্থায়নে রংপুরসহ বাংলাদেশের ১২টি জেলায় হাইটেক পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে এবার রংপুরে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। কথা ছিল ২০১৮ সালে রংপুরে হাইটেক পার্ক নির্মাণ শুরু হবে। কিন্তু নির্মাণকাজ শুরুর আগেই ২০২০ সালের জুনে এই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে নগরীর খলিশাকুড়ি এলাকায় বহুল প্রতীক্ষিত হাইটেক পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হওয়ায় আনন্দিত রংপুরবাসী। ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া হাইটেক পার্কটি দশ একর জায়গার ওপর ১৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে।

  নাসিক নির্বাচন

;