নির্বাচনে সরকার অলিখিতভাবে ‘এসপিকে’ চিফ এজেন্ট নিয়োগ করেছে

  নাসিক নির্বাচন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে পরাজিত মেয়র প্রার্থী এডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে পরাজিত মেয়র প্রার্থী এডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার

  • Font increase
  • Font Decrease

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে পরাজিত মেয়র প্রার্থী এডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আমি চিফ এজেন্ট নিয়োগ করেছিলাম নারায়গণঞ্জ মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামলকে। আর সরকার অলিখিতভাবে চিফ এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ করছে এসপি জায়েদুল আলমকে। এই পুলিশ সুপার আমার এতগুলো লোককে গ্রেফতার করে একটা ত্রাসের সৃষ্টি করছে।

মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় আদালতপাড়ায় নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতির নির্বাচন চলাকালীন সময় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমি বেসিক্যালি খুব টেনশনে আছি। আমার লোকগুলি, আমার নেতাকর্মী, আমার  ব্যক্তিগত স্টাফ, ড্রাইভার, মাইক অপারেটর, আমার নিজস্ব দায়িত্বপ্রাপ্ত লোকজন তারা গ্রেফতার অবস্থায় আছে। ডিবি অফিস থেকে আমি গাড়ির চাবিটা নিতে পেরেছি, মোবাইলও নিয়েছি। আমার গাড়িতে যে টাকা ছিল তাও আমি বুঝে পেয়েছি। আমার লোকগুলো বের হতে পারছে না। তাদের জন্য এখন জেলখানায় যাবো। যেহেতু তাদের জামিন হয় নাই তাদের পার্সোনাল ক্যাসে কিছু টাকা পয়সা দেবো, যাতে তাদের খাবারের অসুবিধা না হয়। বাকি নেতা কর্মীদের সাথে আছি, কোন সমস্যা নাই।

তিনি আরও বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার যে মিথ্যা কথা বলে, অসত্য কথা বলে এটা প্রমাণ করলো এই নির্বাচনের মাধ্যমে। সে বলেছিল লেভেল প্লেয়িং ফ্লিড করবে, তা করে নাই। একটা ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করছে এই গ্রেফতারে মাধ্যমে। নির্বাচনের দিনও আমার লোকজন গ্রেফতার করছে। আমার সামনে আইটি স্কুলে পুলিশ এবং ম্যাজিস্ট্রেট পোলিং এজেন্টকে খাবারও দিতে দেয়নি। এই নির্যাতনের মধ্যেও আল্লাহ মানসিক অবস্থা ভালো রাখছে।

আইনজীবী সমিতির নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত আছে, গণতন্ত্র পরিবেশে আছে। আমি এবং আমার মেয়ে ভোট দিয়েছি। আমার দলের সমর্থিত প্যানেল জয় লাভ করেবে বলে আমি আশা করি।

  নাসিক নির্বাচন

ফ্রি কলসেন্টার থেকে আইনি পরামর্শ পেয়েছেন ১৪৯৮১৮ জন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি আইনি সহায়তা জাতীয় হেল্পলাইন কলসেন্টারে (টোল ফ্রি-১৬৪৩০) এক লাখ ৪৯ হাজার ৮১৮ জন আইনি পরামর্শ সেবা পেয়েছেন। জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) মাধ্যমে এ সেবা দেয়া হয়েছে।

সরকারি আইনি সহায়তা জাতীয় হেল্পলাইন কলসেন্টারে (টোল ফ্রি-১৬৪৩০) সেবাটি ২০১৬ সালের ২৮ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেছিলেন। সে থেকে ২০২২ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত প্রাপ্ত এই আইনি সেবার তথ্য জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়েছে।

জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, কলসেন্টার স্থাপনের পূর্বে হটলাইনের মাধ্যমে সেবা দেয়া হয় ১৭ হাজার ৩২৮ জনকে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি তথা এর জন্য উদ্যোগ গ্রহণ ৭৪ হাজার ১০৫ টি মামলায় এবং এতে উপকারভোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৩৫ হাজার ৪৫৯ জন। ২০১২ সাল হতে ২০২২ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত ১ লাখ ২ হাজার ৪৫ জন কারাবন্দীকে ৬৪ জেলা কমিটির মাধ্যমে আইনি সহায়তা দেয়া হয়।

সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ, দেশের সব নিম্ন আদালত, শ্রম আাদালতে সরকারি খরচায় অসচ্ছল জনগোষ্ঠীকে লিগ্যাল এইড দেয়া হয়।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বা ক্ষুদ্র জাতি সত্তা সম্প্রদায়ের দেশের সর্বোচ্চ আদালতে আইনি সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে যোগ্যতা আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালায় ইতিমধ্যে নিশ্চিত করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল,অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে সরকারি খরচে আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন-২০০০’ প্রণয়ন করে। ২০০০ সালে তৎকালীন শাসন আমলে আইনটি প্রনয়ন করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার। তারপরের সরকারগুলো আইনটি কার্যকরে উল্লেখযোগ্য কোন পদক্ষেপ নেয়নি। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর আওয়ামী লীগ দরিদ্র ও অসচ্ছল জনগণের বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিতে আইনটি কার্যকরে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং তা অব্যাহত রয়েছে।

২০০০ সালে প্রনীত এই আইন অনুযায়ী ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা’ গঠন করা হয়। এর ব্যাপ্তি সুপ্রিমকোর্ট, দেশের সকল জেলা, অধঃন্তন আদালত, শ্রম আদালত, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত এখন প্রতিষ্ঠিত। জেলা কমিটি গঠন, প্রতিটি জেলা জজ আদালতে এর কার্যালয় রয়েছে। নানা প্রচার, প্রচরণা, সেমিনার-কর্মশালা ও প্রকল্পের মধ্য দিয়ে এ সেবা এখন মানুষের দোড়গোড়ায়। তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে এখন এ সেবাকে অরো সহজ করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার নিজস্ব ওয়েবসাইট রয়েছে ।

  নাসিক নির্বাচন

;

আজ জাতীয় শিশু পুরস্কার দেবেন রাষ্ট্রপতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা-২০২০, ২০২১ পুরস্কার বিতরণ করবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এক অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন তিনি।

বিকেল সোয়া চারটায় এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি। এতে সভাপতিত্ব করবেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা অ্যাকাডেমির চেয়ারম্যান লাকি ইনাম। আলোচনায় অংশ নেবেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হাসানুজ্জামান কল্লোল।

এ উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগকে অভিনন্দন জানিয়ে বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাণীতে তিনি বলেন, শিশুদের সুপ্ত সম্ভাবনার বিকাশ, তাদের অধিকার রক্ষা এবং শিশুবান্ধব এক বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এটি অবশ্যই মন্ত্রণালয়ের একটি বাস্তবোচিত উদ্যোগ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের পথ অনুসরণ করে ডিজিটাল বাংলাদেশের মতো একটি ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠার জন্য শিশুরা আগামী দিনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে।

বাংলাদেশ শিশু অ্যাকাডেমি আয়োজিত ২০২০ এবং ২০২১ সালের জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতাটি সারাদেশের উপজেলা থেকে জেলা, জেলা থেকে বিভাগ এবং বিভাগ থেকে জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ী শিশুদের অংশগ্রহণে ৩০টি বিষয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রতিযোগিতায় প্রায় সাড়ে ৬ লাখ শিশু অংশগ্রহণ করে।

প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪৭৪ জন শিশু এ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবে। ২০২০ সালের ছয়জন ও ২০২১ সালের ছয়জনসহ মোট ১২ জন রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করবে।

অনুষ্ঠানে শিশুর উন্নয়ন, বিকাশ ও সুরক্ষা বিষয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। এ উপলক্ষে স্মারকগ্রন্থ ‘আলোর ফুল’ প্রকাশিত হবে। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

  নাসিক নির্বাচন

;

রাজশাহীতে শেখ হাসিনার জনসভা আজ, শহরজুড়ে উৎসবের আমেজ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

দীর্ঘ পাঁচ বছর পর আজ রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। তার আগমন ঘিরে গোটা রাজশাহীজুড়ে যেন উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে রাজশাহী নগরীকে।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে রাজশাহীর মাদরাসা মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় তিনি ১৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজশাহীতে বিভিন্ন চলমান ৩১টি উন্নয়ন প্রকল্পের ফলক উন্মোচন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। জনসভকে ঘিরে আওয়ামী লীগের নেতাদের ছবি সংবলিত ব্যানার-ফেস্টুন ও তোরণে ভরে গেছে পুরো শহর। সড়ক বিভাজকগুলোতে করা হয়েছে রঙ।

এর আগে ২০১৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী সফরে এসে এ মাদরাসা মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে সফল করতে সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় একাধিক নেতা। দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ আজ শনিবার স্থানীয় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলন করেন। তথ্যমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর এ জনসভায় বিপুল পরিমাণ মানুষ অংশ নেবে। শহরজুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সাদরে বরণ করতে রাজশাহী মহানগরীকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। সর্বত্র শোভা পাচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সংবলিত ব্যানার-ফেস্টুন। এসব ব্যানারে সরকারের উন্নয়নচিত্র বেশি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

  নাসিক নির্বাচন

;

করোনার টিকায় ব্যয় ৪০ হাজার কোটি টাকা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মানিকগঞ্জ
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

  • Font increase
  • Font Decrease

বিনামূল্যে দেশের মানুষকে করোনাভাইরাসের টিকা দিতে সরকারের প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

শনিবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জাগীর উচ্চবিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন ও বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

জাহিদ মালেক বলেন, করোনাকালে আওয়ামী লীগ সরকার শুধু বিনামূল্যে চিকিৎসা ও টিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, গরিব ও দুস্থদের মধ্যে খাদ্য এবং টাকার ব্যবস্থাও করেছে। তবে এ সময়ে বিরোধী দলকে জনকল্যাণমূলক কোনো কাজ করতে দেখা যায়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের করোনা ভ্যাকসিনের জন্য প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করেছেন। প্রতিটি মানুষকে করোনার ভ্যাকসিন দিতে প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।

তিনি বলেন, বিএনপি শুধু ক্ষমতা চায়, তার জন্য দেশে বিশৃঙ্খলা করে। কিন্তু মুখে কখনো বলে না যে, আমরা ক্ষমতায় গেলে মানুষের জন্য রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল নির্মাণ করবো। তাদের শুধু ক্ষমতা দরকার। কারণ ক্ষমতায় আসলেই লুটপাট করা যায়। বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকাকালে সার, বিদ্যুৎ লুটপাট করেছে। তখন লোকজন বিদ্যুৎ পায়নি; বাংলাদেশের মানুষ তা জানে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা রাজনীতি করি দেশের উন্নয়নের জন্য, আমরা আশা করি আপনাদের রাজনীতিও উন্নয়নের জন্যই হবে। আমরা আপনাদের শত্রু নই। শত্রুতা করে রাজনীতি করলে উন্নয়ন ব্যহত হবে, অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে, বাংলাদেশের মানুষের ক্ষতি হবে। বেশি দেরি নাই প্রায় ১ বছর আছে নির্বাচনে আসুন। তার আগে আপনাদের দলের নেতা ঠিক করুন। কারণ নেতাবিহীন দলের কোনো ক্ষমতায় আসার সুযোগ নাই।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সামনের নির্বাচন আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের মানুষের কাছে সরকারের উন্নয়নের কথা জানাতে হবে। আপনারা যদি এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চান; তাহলে নৌকা মার্কাকে পুনরায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, পৌরসভার মেয়র রমজান আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেল, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধরণ সম্পাদক সুদেব সাহা, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আরশেদ আলী বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ প্রমুখ।

  নাসিক নির্বাচন

;