‘আমার মেয়র আমি নির্বাচিত করব বলে ভোট দিতে এসেছি’

  নাসিক নির্বাচন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ভোট দিতে এসেছেন শারীরিক প্রতিবন্ধী সামিনা বেগম/ছবি: মেহেদী হাসান রানা

ভোট দিতে এসেছেন শারীরিক প্রতিবন্ধী সামিনা বেগম/ছবি: মেহেদী হাসান রানা

  • Font increase
  • Font Decrease

মুখে নেভি ব্লু রঙের মাস্ক, সবুজ ও কফি রঙের মিশেলে প্রিন্টের শাড়ি। হাতের উপর ভর দিয়ে দ্রুত বেগে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করলেন। সাংবাদিকরা দৃষ্টি আর্কষণ করলেন, এক হাত উঁচু করে স্মার্ট ভোটার আইডি দেখালেন। জিজ্ঞাসা করতেই জানালেন, ‘আমার মেয়র আমি নির্বাচিত করব বলে ভোট দিতে এসেছি’।  

বলছিলাম পঞ্চাশোর্ধ্ব শারীরিক প্রতিবন্ধী সামিনা বেগমের কথা। শারীরিক প্রতিকূলতাকে পাশ কাটিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের হাতের উপর ভর দিয়ে ভোটকেন্দ্রে এসেছেন এই নারী ভোটার।


সামিনা বেগম ভোট প্রদান শেষে বললেন, ‘ইভিএমে ভোট দিতে প্রথমে হাতের ছাপ মিলল না, কয়েকবার দেওয়ার পর ভোট দিতে পেরেছি। ভোট দিয়ে অনেক ভালো লাগছে। আমার মেয়র আমি নির্বাচিত করব বলে ভোট দিতে এসেছি।’

সামিনা বেগমের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের তোলারাম উপজেলায়। তিনি তেলারাম স্কুলে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। সঙ্গে কেউ ছিলেন না, একাই এসেছেন ভোট দিতে।


‘ভোট দিতে আসতে কষ্ট হয়নি’- জানতে চাইলে স্পষ্টভাবে এই নারী ভোটার বলেন, কষ্ট হলেও ভোট তো দিতেই হবে। ভোট দেওয়া আমার অধিকার। সারা বছর মেয়র ও কাউন্সিলররা তো আমাদের দেখাশুনা করবেন। তাই ভোট দিতে এসেছি।

উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল থেকেই ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে। বিশেষ করে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ১৯২ কেন্দ্রে ইভিএমে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। এতে কিছুটা বিড়ম্বনায় পড়লেও এখন পর্যন্ত কোন ধরনের সংঘর্ষ সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। যা সাম্প্রতিক সময়ে নজিরবিহীন ঘটনা বলে যায়।

  নাসিক নির্বাচন

৪০ দিন জামাতে নামাজ আদায় করে সাইকেল পেল তারা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
৪০ দিন জামাতে নামাজ আদায় করে সাইকেল পেল তারা

৪০ দিন জামাতে নামাজ আদায় করে সাইকেল পেল তারা

  • Font increase
  • Font Decrease

শিশু-কিশোরদের নামাজের প্রতি আকৃষ্ট করতে পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছিলেন মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি মো. সুলতান আলী। প্রতিশ্রুতির আলোকে টানা ৪০ দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করায় ১৩ কিশোরকে পুরস্কার হিসেবে বাইসাইকেল দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২৮ জানুয়ারি) বাদ আসর রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ড শিরোইল কলোনি পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদে এই কিশোরদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এছাড়াও প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া অন্য শিশুদের মাঝে স্কুল ব্যাগ, জায়নামাজ ও টুপি বিতরণ করা হয়।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল হক সুমন।

তৌহিদুল হক সুমন বলেন, এমন উদ্যোগ আমাদের সমাজকে সুন্দর করবে। এতে শিশুরা নামাজে আগ্রহী হবে। তাদের দেখে অন্যরাও নামাজে আসবে। তিনি বলেন, তরুণ যুবকরা অসৎপথ ছেড়ে নামাজের দিকে ধাবিত হচ্ছে। এটা ভালো দিক। এসময় তিনি তরুণদের মাদক ছেড়ে পিতা-মাতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবার আহ্বান জানান।

মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি মো. সুলতান আলী বলেন, শিশু-কিশোরদের নামাজে উৎসাহিত করতে নিজ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরস্কারের জন্য ৪০ দিন পাঁচ ওয়াক্ত জামাতের সঙ্গে আদায়ের শর্ত দেওয়া হয়। এতে সফল হয় ১৩ কিশোর। তাদের মাঝে এই সাইকেলগুলো পুরস্কার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া যারা অংশ নিয়েছিল প্রত্যেককে স্কুল ব্যাগ, জায়নামাজ ও টুপি প্রদান করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বায়তুল মোয়াজ্জেম জামে মসজিদের ইমাম মুফতি মুজাহিদুল ইসলাম, প্রভাষক মিজানুর রহমান, মোশাররফ হোসেন, তোফাজ্জল হোসেন, উজ্জ্বল নেওয়াজ প্রমুখ।

  নাসিক নির্বাচন

;

‘মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে রাত-দিন কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে রাত-দিন কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার ও বাকলিয়া ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে শীতবস্ত্র বিতরণের সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, আমাদের নেত্রী, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন যেকোন দুর্যোগে যেন আমরা সবার আগে গিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াই। তার সেই নির্দেশনা মেনে আজ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করছেন।

শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, কয়দিন আগে আমরা দেখতে পেলাম বিএনপি চট্টগ্রামে তাদের দলীয় কার্যালয়ে সমাবেশ করতে চাইলো। পুলিশ তাদের অনুমতিও দিল। কিন্তু এরপরেও বিনা উসকানিতে নিরস্ত্র ট্রাফিক পুলিশের ওপরে হামলা করে রক্তাক্ত করলো। বিএনপি সুযোগ পেলেই তাদের পুরানো রূপে ফিরে যায়। তারা এই সমস্ত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে ক্ষমতায় যেতে চায়। তাই বিএনপি সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে।

চকবাজার কাউন্সিলর কার্যালয়ে ১৬ নং চকবাজার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নুর মোস্তফা টিনুর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নগর আওয়ামী লীগের উপ-দফতর সম্পাদক কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী, চকবাজার থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনছারুল হক, ১৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মাজাহারুল ইসলাম, কাউন্সিলর আব্দুর ছালাম মাসুম, কাউন্সিলর রুমকি সেনগুপ্ত, কাউন্সিলর শাহীন আক্তার রোজী, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা আমিরুল হক রঞ্জু, এডভোকেট নোমান চৌধুরী, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

  নাসিক নির্বাচন

;

ঘোড়াঘাটে বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ১২০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, দিনাজপুর
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার খোদাদাতপুর (চুনিয়াপাড়ায়) জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে জোড়া খুনের পর বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে মামলা হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে অজ্ঞাতনামা এক হাজার ২০০ জনকে আসামি করে মামলাটি করেন উপজেলার ঘোড়াঘাট ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সুনীল চন্দ্র দাস।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে ঘোড়াঘাট থানার ওসি আবু হাসান কবির বলেন, বাড়িঘরে হামলা, আগুন লাগানো, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় স্থানীয় এক গ্রাম পুলিশ অজ্ঞাতনামা এক হাজার ২০০ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। আসামিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তবে হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত চারজনকে আটক করা হয়েছে।

এদিকে শনিবার সকালে খোদাদাতপুর গ্রামে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও গ্রামের দুই পক্ষের লোকজন নিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ বৈঠক আয়োজন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, খোদাদাতপুর গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে গত ২৫ জানুয়ারি সকালে প্রতিপক্ষের হামলায় মনোয়ার হোসেন মীম (২৪) ও রাকিব হোসেন (২৫) নামের দুই যুবক নিহত হয়। পরদিন দুপুরে দুজনের জানাজার সময় নিহত ব্যক্তিদের পক্ষের লোকজন চুনিয়াপাড়ায় বাড়ি বাড়ি ঢুকে অগ্নিসংযোগ করেন বলে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির লোকরা অভিযোগ করেছেন। অগ্নিসংযোগকালে লোকজন লাঠিসোঁটা, দা ও কোদাল নিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালান। এ সময় প্রাণ বাঁচাতে নারী, শিশু ও পুরুষেরা বাড়িঘর ছেড়ে পালান।

মামলার এজাহারে বাদী সুনীল চন্দ্র দাস বলেন, নিহত দুজনের জানাজা ও দাফনের কাজে উপস্থিত খোদাদাতপুর ও পাশের গ্রামের লোকজন লাঠিসোঁটা, দা ও কোদাল নিয়ে চুনিয়াপাড়ায় প্রতিপক্ষের বাড়িসহ আশপাশের বাড়িঘরে হামলা চালান। এ সময় সেখানে উপস্থিত পুলিশসহ গ্রামপুলিশের সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টাকালে হামলাকারীরা চুনিয়াপাড়ার আবদুস সালাম, তোতা মিয়া, নুরুল ইসলাম, হাফিজুর রহমানের বাড়িসহ আশপাশের কিছু টিনের বসতবাড়ি এবং বাড়ির সামনে খড়ের গাদায় আগুন লাগিয়ে দেন। এ ছাড়া নজরুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, আবদুল ওহাব, মোগেন ওরফে মকবুল হোসেনের বাড়িসহ ২০ থেকে ২৫টি বাড়ি ভাঙচুর করেন।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, বাড়িঘরে আগুন লাগানো, ভাঙচুর, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র লুট এবং গরু-ছাগল চুরির ঘটনায় প্রায় সাড়ে ১৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। পরে পার্শ্ববর্তী থানাগুলো থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এসে সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

  নাসিক নির্বাচন

;

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে: আইনমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমান বাস্তবতায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে মন্তব্য করে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আইন হলে তার কিছু অপব্যবহার হয়।

শনিবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ আয়োজিত ‘নিরাপদ ডিজিটাল সমাজ: রাষ্ট্রের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যথেষ্ট প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। যে কারণে এই আইন করা হয়েছে, তা কেউ বলে না। শুধু বলা হয়—বাকস্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ করার জন্য এ আইন করা হয়েছে। যা মোটেও সঠিক নয়।

আইন হলে তার কিছু অপব্যবহার হয়, এটা স্বাভাবিক উল্লেখ্য করে আনিসুল হক বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে পাশ কাটিয়ে কীভাবে অপরাধ করা যায়, সে ব্যাপারেও চেষ্টা হবে। কারণ অপরাধীরা সবসময় একধাপ এগিয়ে থাকার চেষ্টা করে। পুলিশ ও আইনপ্রণেতাদের এখন প্রকৃত অপরাধীদের থেকে দুই ধাপ এগিয়ে থাকার চেষ্টা করতে হবে।

উপাত্ত (ডেটা) সুরক্ষা আইন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, আইন প্রণয়ন করার আগে অংশীজনদের সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হতো না। এখন অংশীজনদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে আইন তৈরি করা হয়। অংশীজনদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা ও পরামর্শ করেই উপাত্ত সুরক্ষা আইন করা হবে। এ নিয়ে বিভ্রান্তির সুযোগ নেই।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, এখন আমরা বিশ্ব নাগরিক (গ্লোবাল সিটিজেন) হয়েছি। আবার বর্তমানে অনেক আন্তঃসীমান্ত অপরাধ হচ্ছে। এসব অপরাধ মোকাবিলায় মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাক্ট প্রণয়ন করা হয়েছে। পৃথিবীর প্রায় সব দেশ এই আইন প্রণয়ন করেছে।

  নাসিক নির্বাচন

;