শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে ভোটগ্রহণ হচ্ছে: ডিসি

  নাসিক নির্বাচন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নারায়ণগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোস্তাইন বিল্লাহ বলেছেন, আমরা বেশ কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি। মানুষ অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে ভোট দিচ্ছেন। এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠে থাকবেন।

রোববার (১৬ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় আদর্শ স্কুল কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ডিসি মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, আমরা এখনও কোনও প্রার্থীর কাছ থেকে অভিযোগ পায়নি। আমরা যেহেতু মেশিনে (ইভিএম) কাজ করছি, সামান্য সমস্যা দেখা যেতে পারে। কিছু কিছু জায়গায় ভোটগ্রহণ স্লো হচ্ছে। নারীরা ভোট দিচ্ছেন তিনটি আলাদা আলাদা মেশিনে। তাই ভোটগ্রহণ একটু স্লো হচ্ছে। কোনো মেশিন (ইভিএম) বিকল হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে কাজ করছে। গোয়েন্দারাও কাজ করে যাচ্ছে।

  নাসিক নির্বাচন

বগুড়ায় হত্যা মামলার আসামিকে গলা কেটে খুন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বগুড়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ার শেরপুরে এনামুল হক (৩৫) নামের হত্যা মামলার আসামিকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) সকাল ৯টায় গাড়িদহ ইউনিয়নের হাপুনিয়া মহাবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত এনামুল হক হাপুনিয়া কলোনি এলাকার মোতালেবের ছেলে।

স্থানীয় জানান, সাত বছর আগে হাপুনিয়া এলাকার সালমা খাতুন নামের এক নারীকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছিল এনামুল হক। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হলে সেই মামলায় তিন বছর কারা ভোগ করে। এরপর ৪ বছর আগে জামিনে মুক্তি পায়। জামিনে মুক্তি নিয়ে আসার পর থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন ভাবে এলাকায় চলাফেরা করে। এনামুল অনেক রাত পর্যন্ত বাজার এলাকার আশেপাশে ঘোরাফেরা করে সকালে বাড়িতে ফিরত। বুধবার রাতেও এনামুল স্থানীয় বাজার এলাকায় ঘোরাফেরা করে।

বৃহস্পতিবার সকালে স্কুল মাঠে শহীদ মিনারের পাশে তার মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

নিহত এনামুল হক তার খালা জাহানারা খাতুন এর বাড়িতে থাকতেন।

জাহানারা খাতুন জানান, এনামুল মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। তাকে একটি টিনের ঘর দেওয়া হয়েছিল সেই ঘরটি বিক্রি করেছে। পরে আবারও একটি ছোট্ট কুঁড়ে ঘর দেওয়া হয়েছে সারা রাত বাজার এলাকায় ঘোরাফেরা করে সকাল বেলা বাড়িতে এসে সে ওই কুঁড়ে ঘরে ঘুমাতেন। আজ সকালে সে আর বাড়িতে ফেরেনি। সকাল সাড়ে ৮টায় এলাকাবাসী তার মরদেহ দেখে আমাকে খবর দেয়।

শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)শহীদুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহের গলায় ও পেটে ছুরির আঘাত পাওয়া গেছে। জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।

  নাসিক নির্বাচন

;

সিরাজগঞ্জে ট্রাক-লেগুনার সংঘর্ষ, নিহত ৫



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ট্রাক-লেগুনার মুখোমুখি সংঘষে লেগুনার চার যাত্রী নিহত হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় ৫ জন আহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) ভোরে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের জেলার সলঙ্গা থানার রামারচর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো, নাটোর জেলার ছোটপাকা গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে মকুল হোসেন (৩৫), আবুল হোসেনের ছেলে মনির হোসেন (৩২), বাসাবাড়িয়া গ্রামের জমির উদ্দিনের ছেলে মকবুল হোসেন (৩৫), জুমাইগর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে হায়দার আলী (৪০) ও আব্দুল হালিম (৩৬)।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লুৎফর রহমান বলেন, ভোরে সিরাজগঞ্জ রোড এলাকা থেকে একটি লেগুনা নাটোরের দিকে যাচ্ছিল। লেগুনাটি সলঙ্গার রামারচর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পাথরবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই চার জনের মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ট্রাক ও লেগুনা থানা আনার হয়েছে। মরদেহগুলো সিরাজগঞ্জ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।

  নাসিক নির্বাচন

;

পুলিশ ক্যাম্প বসানো হবে পাহাড়ে প্রত্যাহারকৃত সেনাক্যাম্পগুলোতে



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাঙামাটি
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি

  • Font increase
  • Font Decrease

পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় যে বাহিনী প্রয়োজন সে বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফিরিয়ে আনতে র‌্যাবসহ আরো বেশি পুলিশ মোতায়েন করা হবে। তিনি বলেন আমাদের পুলিশ অনেক সক্ষম পুলিশ এখন যে কোন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে প্রস্তুত।

পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রত্যাহারকৃত সেনা ক্যাম্পগুলোতে আর্মড পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হবে এমন মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তার আগে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় পুলিশের এপিবিএন হেডকোয়ার্টার স্থাপন করা হবে।পরবর্তীতে প্রত্যাহারকৃত সেনা ক্যাম্পগুলোতে এপিবিএন পুলিশের ক্যাম্প সম্প্রসারণের কাজ শুরু হবে।

পার্বত্য অঞ্চলের সন্ত্রাসীদের প্রতি ইঙ্গিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা জলদুস্য ও চরমপন্থী মুক্ত করেছি, সেই জায়গায় এখানেও আমরা শান্তিশৃঙ্খলা সবার প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত করব, যেখানে যা প্রয়োজন হয় তা করা হবে, সরকার পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বদ্ধ পরিকর বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

বুধবার রাতে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে তিন পার্বত্য জেলার আইন শৃংখলা সংক্রান্ত বিশেষ সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।রাত পৌনে ৮টার দিকে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর ঊশৈসিং এমপি, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় সন্তু লারমা, খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার এমপি, খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, সংরক্ষিত আসনের মহিলা সংসদ সদস্য বাসন্তি চাকমা, মন্ত্রী পরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজির আহমেদ, র‌্যাবের মহাপরিচালক আব্দুল্লাহ মামুন, ডিজিএফআই প্রধান মেজর জেনারেল আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানগণ, তিন পার্বত্য জেলা প্রশাসকগণসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে তিন পার্বত্য জেলার প্রতিনিধি, সেনা, পুলিশ, বিজিবিরঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে অনুষ্ঠিত উক্ত বিশেষ বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল আরো বলেন, পাহাড়ে শান্তি স্থাপনের লক্ষ্যে আমি ২ বছর আগে রাঙামাটিতে এসে হেডম্যান, কার্বারী, জনপ্রতিনিধি ও তিন পার্বত্য জেলার রাজা উনাদের নিয়ে আলাপ আলোচনা করেছি তাদের একটা অনুরোধ ছিলো এই এলাকার শান্তির জন্য, তারা নানান ধরণের সাজেশন দিয়েছিলেন, তাদের ভয়ংকর পরিস্থিতির কথা বলছিলেন, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী এবং দল উপদলের মারামারি কথা বলছিলেন। আমরা আজকে ঘোষণা দিয়ে যাচ্ছি, তিন জেলায় তিনটি আর্মস পুলিশ ব্যাটালিয়ন আসবে, যার সদর দপ্তর হবে রাঙামাটি। এই তিন ব্যাটালিয়নের পুলিশ সদস্যরা ধীরে ধীরে পরিত্যক্ত ক্যাম্পগুলোতে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করবে। আপাতত আমরা ৩০টি অস্থায়ী ক্যাম্পে পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি, প্রথমধাপে তিনটি ক্যাম্প বসানো হবে, বৃহস্পতিবার এর ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করা হবে।

এর আগে রাঙামাটি সার্কিট হাউজে সন্ধ্যা ৬টার দিকে পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেএসএস সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় সন্তু লারমার সাথে একান্ত বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

  নাসিক নির্বাচন

;

অস্ত্রের মুখে জিয়া রাষ্ট্রপতি সায়েমকে পদত্যাগে বাধ্য করেছিলেন: জয়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে অস্ত্রের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছিলেন তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়।

তিনি বলেন, জিয়া রাষ্ট্রপতি সায়েম সাহেবকে কথাও দিয়েছিল সে নির্বাচন এর ব্যবস্থা করবে। কিন্তু সে নির্বাচনে জিয়া সামরিক বাহিনীর প্রধান ও সামরিক আইন প্রশাসক এর পদে থেকে নিজেই নিজেকে হ্যাঁ না ভোট আয়োজন করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করে, যা জাতির সাথে সত্যিই এক বড় রকমের তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়।

বুধবার (২৫ মে) রাতে তাঁর ভ্যারিফাইড ফেসবুক পেজে রাষ্ট্রপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম এর লেখা ‘অ্যাট বঙ্গভবন: লাস্ট ফেজ’ বই থেকে উদ্বৃতি দিয়ে এই মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয় তার ভেরিফায়েড ফেসবুক স্টেটাসে রাষ্ট্রপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম এর লেখা ‘অ্যাট বঙ্গভবন : লাস্ট ফেজ’ বই থেকে উদ্বৃত করে লেখেন, বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম তার বইয়ে লিখেছেন, “জিয়া বঙ্গভবনে আসতেন মধ্যরাতে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে, তার সাঙ্গপাঙ্গরা অস্ত্র উঁচিয়ে রাখতো। আমি প্রায়ই মনে করতাম এটাই বোধহয় আমার শেষ রাত। সংবিধানের ৪ টি মূল স্তম্ভ বাতিল সংক্রান্ত একটি সামরিক ফরমান আমার কাছে স্বাক্ষরের জন্য আসে। আমি ঐ ফরমানে স্বাক্ষর না করে, তা রেখে দেই। পরদিন রাত ১১টায় বুটের শব্দে আমার ঘুম ভাঙে। সেনাপ্রধান জিয়া অস্ত্রশস্ত্রসহ বঙ্গভবনে আমার শয়নকক্ষে প্রবেশ করেন। জিয়াউর রহমান আমার বিছানায় তার বুটসহ পা তুলে দিয়ে বলেন, ‘সাইন ইট’। তার একহাতে ছিল স্টিক, অন্য হাতে রিভলভার।”

বিচারপতি সায়েম বলেন, “আমি কাগজটা পড়লাম। আমার পদত্যাগপত্র। যাতে লেখা- ‘অসুস্থতার কারণে আমি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করলাম।’ আমি জিয়াউর রহমানের দিকে তাকালাম। ততক্ষণে আট-দশজন অস্ত্রধারী আমার বিছানার চারপাশে অস্ত্র উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। জিয়া আবার আমার বিছানায় পা তুলে আমার বুকের সামনে অস্ত্র উঁচিয়ে বললেন, ‘সাইন ইট’। আমি কোনোমতে সই করে বাঁচলাম।”

‘আমি কোনমতে সাইন করে জীবন বাঁচলাম’ শিরোনামে লেখা জয় তাঁর ফেসবুক স্টেটাসে বলেন, রাষ্ট্রপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম তাঁর লেখা ‘অ্যাট বঙ্গভবন: লাস্ট ফেজ’ বই থেকে অনেক অজানা ইতিহাস জানা যায়, যা দীর্ঘদিন ধামাচাপা দিয়ে রেখেছিল বিএনপি।

বইটি থেকে আরও জানা যায়, রাষ্ট্রপতি সায়েমের একটাই দুঃখ ছিল যে, তিনি বাংলাদেশে নির্বাচন করে জনগণের প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে যেতে পারেননি।

সজিব ওয়াজেদ জয় বলেন, তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়া কিভাবে অস্ত্রের মুখে বাংলাদেশের সংবিধানকে অগ্রাহ্য করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছিলো তা জানতে পারবেন এই ছোট এনিমেটেড ভিডিও থেকে। জিয়া রাষ্ট্রপতি সায়েম সাহেবকে কথাও দিয়েছিল সে নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। কিন্তু সে নির্বাচনে জিয়া সামরিক বাহিনীর প্রধান ও সামরিক আইন প্রশাসকের পদে থেকে নিজেই নিজেকে ‘হ্যাঁ’ ‘না’ ভোট আয়োজন করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করে, যা জাতির সাথে সত্যিই এক বড় রকমের তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়।

বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম ‘অ্যাট বঙ্গভবন: লাস্ট ফেজ’ বইটি ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত হয়। ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার ৭ দিনের মধ্যে বইটি বাজেয়াপ্ত এবং নিষিদ্ধ হয়।

  নাসিক নির্বাচন

;