নারায়ণগঞ্জে নৌকার জয়, আইভীর হ্যাটট্রিক

  নাসিক নির্বাচন


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নজিরবিহীন উৎসবমুখরতা আর জনগণের পূর্ণ ম্যান্ডেটে নারায়ণগঞ্জ নগরীর তৃতীয়বারের মতো মেয়রের মুকুট পেলেন ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভি। প্রায় দ্বিগুণ ভোটে তৈমুরকে হারিয়েছেন তিনি। নতুন মোড়কে পুরাতন মেয়রের শপথ গ্রহণ অব্দি অপেক্ষা করতে হবে পালা নগরবাসীকে।

রোববার (১৬ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিশাল ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেছেন আহাম্মদ আলী চুনকার জ্যেষ্ঠ কন্যা আইভী। ১৯২টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন সর্বমোট ১,৫৯০৯৭ ভোট। তার নিকটতম হ্যাভি ওয়েট প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার পেয়েছেন ৯২,১৬৬ ভোট। ক্ষমতাসীন দলের আমলে নারায়ণগঞ্জের মত ভীতি সঞ্চারকারী স্থানে এমন সুষ্ঠ নির্বাচন আশার আলো দেখাবে বলে মনে করছেন নগরের সচেতন নাগরিকরা। নির্বাচনে আইভী-তৈমুর কোনও ইশতেহার না দিলেও অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারা।

নগরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি, দ্বিখণ্ডিত শীতলক্ষ্যাকে একটি সেতুতে এক করা। একপাশের শহর আর অন্য পাশের বন্দরকে যেন এক করে দেন নগর অভিভাবকরা। সেই হাল ধরার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন বিগত দুই টার্মের নির্বাচিত ও বর্তমান মেয়র আইভী।

প্রচারণার সময় তিনি বলেছিলেন, ‘দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে চেষ্টা করব প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে কদম রসুল ব্রিজটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করানোর। কারণ এটা অলরেডি অনেক কাজ হয়ে গিয়েছে। অল্প একটু বাকি আছে। ওই কাজটিকে প্রাধান্য নিয়ে অন্যান্য কাজগুলো করব।’

তৃতীয়বারের মত নাসিকের গদিতে বসতে চলেছেন আইভী। নতুন এই মেয়াদে কতটুকু সফল হবেন সেটা দেখতে হলে অপেক্ষা করতে হবে আনুষ্ঠানিকভাবে নাসিকের কার্যক্রম শুরু হওয়া পর্যন্ত।

এর আগে সকাল ৮টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। নারায়ণগঞ্জ সিটির ১৯২ কেন্দ্রে ইভিএমে ভোট হয়েছে। নির্ধারিত সময় অধিকাংশ কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শেষ হলেও কয়েকটি কেন্দ্রের সামনে লাইনে থাকা ভোটাররা ৪টার পরেও ভোট দিয়েছেন। ভোট গ্রহণে কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবে বেশকিছু কেন্দ্র ভোটারের আঙুলের ছাপ না মেলায় ভোট দিতে দেরি হয়েছে।

২০১১ সালের ৫ মে প্রতিষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন। সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার পর ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম নির্বাচনে ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী এক লাখ ৮০ হাজার ৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্তে ভোট থেকে সরে দাঁড়ান অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার। 

২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে সেলিনা হায়াৎ আইভী ১ লাখ ৭৫ হাজার ৬১১ ভোটে আবার নির্বাচিত হন। সেবার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাখাওয়াত হোসেন পান ৯৬ হাজার ৪৪ ভোট।

এবার অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারকে বড় ব্যবধানে তৃতীয় বারের মতো মেয়র হলেন আইভী।

   

রায়পুরে এখনো চলছে মা-মনি স্পেশালাইজড ডায়াগনস্টিক সেন্টার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে লাইসেন্স না থাকায় মা-মনি স্পেশালাইজড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। কিন্তু প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে কার্যক্রম চলমান রেখেছে কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায়ও প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম চলমান দেখা গেছে।

এরআগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি জেলা সিভিল সার্জন আহাম্মদ কবীর ওই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য ব্যবস্থাপনা পরিচালককে চিঠি ইস্যু করেন। সেখানে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স নেই। মেডিকেল প্র্যাকটিস এন্ড প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ল্যাবরেটরিস (রেজুলেশন) অর্ডিন্যান্স-১৯৮২ অনুযায়ী বেসরকারি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠানটির সকল কার্যক্রম পত্র জারীর পরবর্তী দিন থেকে বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশ প্রদান করে। চিঠিটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক, জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপারসহ আরও ৮টি দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মা-মনি স্পেশালাইজড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নিয়মিত প্রসূতিদের অস্ত্রোপাচার করা হচ্ছে। সেখানে অস্ত্রোপাচারে সম্প্রতি একাধিক নবজাতক মৃত্যু ঝুঁকিতে রয়েছে।

জেলা প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেরুন হাসান রাজু বলেন, সকল প্রতিষ্ঠানকেই লাইসেন্স করতে বলা হয়েছে। আমাদের সদস্য হতে হলে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক। লাইসেন্স করতে বলা ছাড়া সাংগঠনিকভাবে আমাদের অন্য কোন ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই।

এ ব্যাপারে জানতে হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. অন্তরা কর্মকারের মোবাইলফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

লক্ষ্মীপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. আহাম্মদ কবীর বলেন, ইতিমধ্যে লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানকে আমরা কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছি। যারা বন্ধ রাখছে না তাদের বিরুদ্ধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সহযোগিতায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান চালানো হবে। নির্দেশনা না মানলে সিলগালা করে দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা রয়েছে, লাইসেন্স না পাওয়া পর্যন্ত কোনো ভাবেই প্রতিষ্ঠান চালানো যাবে না।

  নাসিক নির্বাচন

;

বাংলাদেশের সাথে সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপনে আগ্রহী সুইজারল্যান্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
(বাম থেকে) বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান

(বাম থেকে) বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের সাথে সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপনে আগ্রহ দেখিয়েছে সুইজারল্যান্ড।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খানের সাথে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি সুইজারল্যান্ডের এ আগ্রহের কথা জানান।

মন্ত্রী সুইজারল্যান্ডের আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মাঝে এয়ার সার্ভিস এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত হবে। এরপর আমরা দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনা করব।

ফারুক খান বলেন, বাংলাদেশের অবস্থান আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল রুটের মধ্যে হওয়ায় এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে একটি অন্যতম প্রধান এভিয়েশন হাবে রূপান্তরে কাজ করছে সরকার। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল, কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ ও নতুন টার্মিনাল নির্মাণসহ দেশের সকল বিমানবন্দরের এভিয়েশন অবকাঠামোর উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। আগামী অক্টোবরে থার্ড টার্মিনাল চালু হওয়ার পর আকাশপথের বিদ্যমান যাত্রী সংখ্যা ও কার্গোর পরিমাণ কয়েক বছরের মধ্যেই দ্বিগুণ হবে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে পর্যটনের অপার সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য কাজ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ বছরেই তার বাস্তবায়ন শুরু হবে। এছাড়াও বিদেশি পর্যটকদের জন্য কক্সবাজারসহ দেশের আরো বেশ কিছু জায়গায় নিবিড় পর্যটন অঞ্চল তৈরি করা হচ্ছে। সেখানে সুইজারল্যান্ড বিনিয়োগ করলে তাদের সকল সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি ভিসা সহজীকরণ ও ই-ভিসা চালু করা নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে কাজ চলছে।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত বলেন, এয়ার সার্ভিস এগ্রিমেন্ট নিয়ে বাংলাদেশ টিমের সাথে কাজ করাটা ছিল আমাদের জন্য আনন্দের। বাংলাদেশ টিম নেগোসিয়েশনে প্রশংসনীয় দক্ষতা দেখিয়েছে। তাদের দক্ষতা ও সহযোগিতার জন্য সুইজারল্যান্ডের সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছে।

রেতো রেংগলি আরও বলেন, ‘‘বাংলাদেশে গত ১৫ বছরে অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে। বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাবে রূপান্তরের যে কাজ চলছে তা দ্রুত বাস্তবায়ন হবে। বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে বিনিয়োগের জন্য সুইজারল্যান্ডের বিনিয়োগকারীদের সাথে কথা বলবো। বিনিয়োগের জন্য একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন যাতে বাংলাদেশ সফর করে সেই ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করব। এছাড়াও পর্যটনের উন্নয়নের জন্য যে মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হয়েছে তা বিনিয়োগকারীদের নিকট প্রেরণ করব।’’

  নাসিক নির্বাচন

;

রাষ্ট্রপতির বইয়ের ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশিত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
রাষ্ট্রপতির বইয়ের ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশিত

রাষ্ট্রপতির বইয়ের ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশিত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ‘এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ’ বইটির ইংরেজি সংস্করণ‘ “Bangladesh will Go a Long Way” আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বঙ্গভবনে আগামী প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ও প্রকাশক ওসমান গনি এবং বইটির সম্পাদনা সমন্বয়ক পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ডিন ও গবেষক ড. এম আবদুল আলীম রাষ্ট্রপতির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বইটি হস্তান্তর করেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গ্রন্থের ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশ করায় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

বইটির মাধ্যমে পাঠক সমাজ বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ, আওয়ামী লীগের ইতিহাস, শেখ হাসিনার নেতৃত্ব, পদ্মা সেতুর কাল্পনিক দুর্নীতি, সমসাময়িক রাজনীতি, আর্থ-সামাজিক বাস্তবতা ও দিন বদলের পালাসহ বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্পর্কে জানতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এসময় রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, পাঠকপ্রিয়তা পেলে তাঁর এ প্রচেষ্টা সার্থক হবে এবং ভবিষ্যতে লেখালেখির জন্য আরো আগ্রহ ও অনুপ্রেরণা পাবেন।

বিভিন্ন তথ্যবহুল প্রবন্ধ সমৃদ্ধ ২৩২ পৃষ্ঠার এই বইটিতে বিধৃত হয়েছে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের শৈশব থেকে শুরু করে পুরো জীবনের কথা; তাঁর সংগ্রাম, রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধ, জেলজীবন, কর্মজীবন, সংসার-জীবন, চিন্তাদর্শ তথা সবকিছুর পরিচয়।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মোঃ জয়নাল আবেদীন, সচিব সংযুক্ত মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম খান এবং অনুবাদক অধ্যাপক দুলাল আল মনসুর উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এই বইতে ১৯৯৯ সাল থেকে ২০২৩ সালের মার্চ পর্যন্ত মো. সাহাবুদ্দিনের লেখা একুশটি কলাম ও স্মৃতিচারণমূলক লেখা, তিনটি সাক্ষাৎকার এবং তাঁর জীবন সম্পর্কিত একটি দীর্ঘ প্রবন্ধ স্থান পেয়েছে।

এছাড়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে তাঁর দুষ্প্রাপ্য ও ঐতিহাসিক কিছু আলোকচিত্র বইটিতে যুক্ত করা হয়েছে।

  নাসিক নির্বাচন

;

চট্টগ্রামে এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিতির হার বাড়ছেই



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডর অধীনে অনুষ্ঠিত মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় অনুপস্থিতির হার যেন বাড়ছেই। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টায় শেষ হওয়া ইংরেজি (আবশ্যিক) দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষাতেও অনুপস্থিত ছিল ১ হাজার ১৪৫ জন পরীক্ষার্থী। ১ লাখ ৩২ হাজার ৬৫২ জনের মধ্যে উপস্থিত ছিল ১ লাখ ৩১ হাজার ৫০৭ জন।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সচিব ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র নাথ।

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শুরু হওয়া এসএসসি বাংলা (আবশ্যিক) ১ম পত্র পরীক্ষায় ৫টি জেলার (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) ২১৯টি কেন্দ্রে ১ লাখ ২৫ হাজার ১৪৭ জনের মধ্যে উপস্থিত ছিল ১ লাখ ২৪ হাজার ৩৩৮ জন শিক্ষার্থী। মোট অনুপস্থিত ছিল ৮০৯ জন।

রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলা (আবশ্যিক) ২য় পত্র পরীক্ষায় ১ লাখ ২৫ হাজার ১৪৭ জনের মধ্য়ে উপস্থিত ছিল ১ লাখ ২৪ হাজার ৩৩১ জন পরিীক্ষার্থী। অর্থাৎ মোট অনুপস্থিতি বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৮১৬ জনে।

এরপর মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ইংরেজি (আবশ্যিক) ১ম পত্র পরীক্ষায় ১ লাখ ৩২ হাজার ৬৫২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিল ১ লাখ ৩১ হাজার ৫১৯ জন। অর্থাৎ অনুপস্থিতির সংখ্যা আরও বেড়ে হয়েছিল ১১৩৩।

আজ বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ইংরেজি (আবশ্যিক) দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার দিনও অনুপস্থিতির হার আরও বেড়ে যায়। এ দিন ১ লাখ ৩২ হাজার ৬৫২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিল ১ লাখ ৩১ হাজার ৫০৭ জন। অর্থাৎ অনুপস্থিত ছিল ১ হাজার ১৪৫ জন পরীক্ষার্থী।

অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র নাথ বলেন, পরীক্ষার্থীরা কেন পরীক্ষা দিতে আসছে না, এর সঠিক কারণ জানা যাচ্ছে না। তবে, আমরা যতটুকু জেনেছি, অনেকেই ধারণা করেছিল যে, শর্ট সিলেবাসে পরীক্ষা হবে। কিন্তু এবছর আর সে সুযোগ রাখা হয়নি। সম্পূর্ণ সিলেবাসের প্রস্তুতির অভাবে অনেকেই পরীক্ষা না দিয়ে থাকতে পারে। তবে, পরীক্ষা যারা দিচ্ছে না, তাদের মধ্যে মেয়েদের সংখ্যাটা বেশি। কেননা, দুইজন মেয়ের কথা আমরা জেনেছি, যারা স্বামী ও অভিভাবকদের বাধার কারণে তারা পরীক্ষা দিতে পারছে না। আমরা সেই ছাত্রীদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি।

তিনি আরও বলেন, এ পর্যন্ত সবগুলো পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আমরা নকলের ব্যাপারে যথারীতি জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছি। চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের পক্ষ থেকে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সকলের সহায়তা কামনা করছি।

  নাসিক নির্বাচন

;