সেভেরোদোনেৎস্ক থেকে ইউক্রেনীয়দের বের হওয়ার সব পথ বন্ধ!

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় শহর সেভেরোদোনেৎস্ক থেকে বের হওয়ার সব পথ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন আঞ্চলিক গভর্নর সেরহি হাইদাই।

তিনি বলেন, অবরুদ্ধ সেভেরোদোনেৎস্ক শহর অভিমুখী তিনটি সেতুর সবগুলোই রুশ হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে। শহরটি এখন কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

সেরহি হাইদাই বলেন, রুশ সেনারা এখনও নগরীটি পুরোপুরি দখল নিতে না পারলেও নগরীর দিকে চলে যাওয়া সব সেতুই এখন বিধ্বস্ত।

ফলে সেখান থেকে বেসামরিক নাগরিকদের বের করে আনা কিংবা সেখানে কোনও পণ্য সরবরাহ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ভারি গোলাবর্র্ষণের কারণে নগরীর বাসিন্দারা এমনিতেও কঠিন পরিস্থিতিতে আছে বলে জানান হাইদাই।

পূর্বাঞ্চলীয় শহরে ভয়ঙ্কর লড়াই চলছে জানিয়ে ইউক্রেনের কর্মকর্তারা বলেছেন, রাশিয়ান আর্টিলারি তাদের বাহিনীকে কেন্দ্র থেকে সরিয়ে দিয়েছে।

রাশিয়া সেভেরোদোনেৎস্ক ও তার নিকটবর্তী শহর লিসিচানস্ক নিয়ন্ত্রণে নিলে পুরো লুহানস্ক অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ পাবে, যার বেশিরভাগই ইতিমধ্যে রাশিয়ান-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

রুশপন্থি এক বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা বলেছেন, পূর্বাঞ্চলীয় এই নগরীর ইউক্রেনীয় সেনাদেরকে আত্মসমর্পণ করতে হবে অথবা মরতে হবে। কারণ, সেখানে এছাড়া আর কোনও বিকল্পপ নেই।

ইউক্রেইনের পূর্বাঞ্চলীয় দনবাস অঞ্চলের সবচেয়ে তুমুল লড়াইটাই হচ্ছে সেভেরোদোনেৎস্কে। আর এখন রাশিয়া নগরীটি দখলের দ্বারপ্রান্তে আছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

সেভেরোদোনেৎস্ক শহরের ‘প্রতি মিটারের’ জন্য ইউক্রেনীয় প্রতিরোধকারীরা লড়াই করে চলছে বলে এর আগে জানিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

নিউইয়র্কে লেখক সালমান রুশদির ওপর হামলা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখক সালমান রুশদি ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (১২ আগস্ট) পশ্চিম নিউইয়র্কে চাতুকুয়া ইনস্টিটিউটে এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিচ্ছেলেন তিনি। খবর দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, চৌতাকুয়া ইনস্টিটিউশনের মঞ্চে থাকা রুশদির দিকে এক ব্যক্তি দৌড়ে গিয়ে তাকে ঘুষি ও ছুরিকাঘাত করে। এসময় লেখক মেঝেতে পড়ে যান।

ঘটনাস্থল থেকে হামলাকারীকে আটকে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

দ্য স্যাটানিক ভার্সেস বইটি লেখার পর থেকেই বুকার পুরস্কারজয়ী সালমান রুশদিকে অসংখ্যবার হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। বইটি ১৯৮৮ সালে ইরানে নিষিদ্ধ হয়। এর এক বছর পর ইরানের প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি রুশদিকে হত্যার ফতোয়া দেন। তার মাথার মূল্য ৩০ লাখ ডলার নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

‘দ্য স্যাটানিক ভার্সেস’ বইটিকে বহু মুসলিম ধর্ম অবমাননাকারী বলে মনে করে থাকে।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;

তালেবানের ধর্মীয় নেতা রহিমুল্লাহ হাক্কানি নিহত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে আত্মঘাতী হামলায় তালেবানের অন্যতম ধর্মীয় নেতা শেখ রহিমুল্লাহ হক্কানি নিহত হয়েছেন। তালেবান প্রশাসনের মুখপাত্র বিলাল কারিমি এ খবর নিশ্চিত করেছেন। খবর আল জাজিরার।

তালেবান প্রশাসনের মুখপাত্র বিলাল কারিমি বলেন, খুব দুঃখের সঙ্গে জানানো হচ্ছে যে সম্মানিত আলেম [শেখ রহিমুল্লাহ হাক্কানি] শত্রুদের কাপুরুষোচিত হামলায় শহীদ হয়েছেন। কাবুলের একটি প্রার্থনা অনুষ্ঠানে হামলার শিকার হন তিনি।

আইএসআইএল (আইএসআইএস) সশস্ত্র গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।

চারটি তালেবান সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, হামলাকারী এমন একজন যিনি আগে তার পা হারিয়েছিলেন । একটি প্লাস্টিকের কৃত্রিম পায়ে বিস্ফোরক লুকিয়ে রেখেছিলেন।

আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ তালেবান কর্মকর্তা বলেন, এই ব্যক্তিটি কে ছিল তা জানার চেষ্টা করছি। কে তাকে শেখ রহিমুল্লাহ হাক্কানির ব্যক্তিগত অফিসে ঢোকার সুযোগ করে দিয়েছে তা বের করার চেষ্টা করছি। এটা আফগানিস্তানের ইসলামিক এমিরেটের জন্য বড় ক্ষতি।

তালেবানের শীর্ষ নেতা হাক্কানি ওপর আগেও প্রাণঘাতী হয়েছে। ২০২০ সালে পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় শহর পেশোয়ারে আইএস বোমা হামলা চালিয়েছিল হাক্কানিকে লক্ষ্য করে। ওই হামলায় সাতজন নিহত হলেও, প্রাণে বেঁচে যান হাক্কানি।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;

ক্রিমিয়ায় বিস্ফোরণে রুশ ৭ যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে: স্যাটেলাইট চিত্র

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অধিভুক্ত ক্রিমিয়ার একটি বিমান ঘাঁটিতে বিস্ফোরণে রাশিয়ার সাতটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে। প্ল্যানেট ল্যাবসের নতুন স্যাটেলাইট ইমেজে উঠে এসেছে এমন তথ্য।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

ওই বিস্ফোরণের দায় প্রকাশ্যে স্বীকার করা থেকে বিরত থেকেছেন ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা। তবে বিস্ফোরণের কারণ নিয়ে রুশ বর্ণনাকে উপহাস করেছেন তারা। রাশিয়ার দাবি সাকি বিমান ঘাঁটির গোলাবারুদে আগুন ধরে বিস্ফোরণ ঘটে।

মঙ্গলবারের (০৯ আগস্ট) ওই বিস্ফোরণ ইউক্রেনীয় হামলায় ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে রাশিয়া হামলা হওয়ার কথা কিংবা বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা অস্বীকার করেছে।

বিস্ফোরণের কয়েক ঘণ্টা পর দেওয়া রাত্রীকালীন ভিডিও বার্তায় ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ফের ক্রিমিয়া উপকূল দখলে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, ইউক্রেন এবং পুরো স্বাধীন ইউরোপের বিরুদ্ধে রাশিয়ার এই যুদ্ধ শুরু হয় ক্রিমিয়া দিয়ে এবং আর তা শেষ করতে হবে ক্রিমিয়া দিয়ে - এর স্বাধীনতার মধ্য দিয়ে।

৯ আগস্টের একটি স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সাকি বিমান ঘাঁটিতে বেশ কয়েকটি ফাইটার জেট বসে আছে ৷ বিস্ফোরণের পর ১০ আগস্টের স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা যায়, অন্তত সাতটি ফাইটার জেটের পুড়ে যাওয়ার চিত্র।

ক্রিমিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণে অন্তত একজন নিহত এবং অন্তত নয়জন আহত হয়েছেন।

২০১৪ সালে পুরো ক্রিমিয়া উপকূল ইউক্রেনের কাছ থেকে দখল করে নেয় রাশিয়া। তবে বেশির ভাগ দেশ এ দখলদারত্বকে স্বীকৃতি দেয়নি। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে রাশিয়ার সেনাদের চলাচল ও রসদ সরবরাহে ক্রিমিয়াকে অন্যতম রুট ও কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। অনেক ইউক্রেনীয় মনে করেন, ক্রিমিয়ার ঘটনার মধ্য দিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হয়েছে।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;

ট্রাম্পের বাড়িতে এফবিআই তল্লাশি করায় রিপাবলিকানরা ক্ষুব্ধ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাড়িতে ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) তল্লাশির ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন কয়েকজন রিপাবলিকান শীর্ষ নেতা।

তারা এই তল্লাশির ব্যাখ্যা চেয়েছেন। তাদের অনেকেই ট্রাম্পের মতো বলেছেন, তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ‘উইচ হান্ট’ চলছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনও মন্তব্য করেনি এফবিআই ।

গত সোমবার (০৮ আগস্ট) দাফতরিক নথিপত্র ব্যবস্থাপনা তদন্তের জন্য ট্রাম্পের ফ্লোরিডার মার–এ–লাগোতে তল্লাশি চালায় এফবিআই। এ ঘটনা তদন্তে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন রিপাবলিকান নেতারা। অনেকে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক গারল্যান্ডকে সরিয়ে দেওয়ারও দাবি তুলেছেন। খবর সিএনএন অনলাইনের।

এই প্রথম কোনো সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাড়িতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তল্লাশি চালাল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এফবিআইয়ের সন্দেহ হোয়াইট হাউস থেকে চলে যাবার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প কোন গুরুত্বপূর্ণ নথি সরিয়েছেন। তাই ট্রাম্পের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।

কংগ্রেসের সংখ্যালঘুবিষয়ক নেতা কেভিন ম্যাককার্থি সতর্ক করে বলেছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হতে পারে। আর এ জন্য অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক গারল্যান্ডকে প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়েছেন ম্যাককার্থি। মেরিক গারল্যান্ডকে কাগজপত্র গুছিয়ে দিন গুনতে বলেছেন তিনি। কেভিন ম্যাককার্থি আরও বলেছেন, ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসকে রাজনীতির অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা অসহনীয় মাত্রায় পৌঁছেছে।

ট্রাম্পের সমর্থনে সরব আরেক রিপাবলিকান মারজোরি টেলর গ্রিন এক টুইটে লিখেছেন, এফবিআই- এর ফান্ড বাতিল করা হোক। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে ‘রাজনৈতিক শত্রুদের বিনাশ করতে’ ব্যবহার করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স এ ঘটনার দায় মেরিক গারল্যান্ডের ওপর চাপিয়েছেন। এক টুইটবার্তায় পেন্স বলেছেন, আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত বাসভবনে নজিরবিহীন তল্লাশি নিয়ে লাখো আমেরিকানদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।

বিবিসিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসের (ডিওজে) সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে ট্রাম্পের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;