বরিশালে মুক্তিযুদ্ধের চিত্র, তথ্য ও দলিলপত্র প্রদর্শনী শুরু

  বিজয়ের ৫০ বছর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,বার্তা২৪.কম,বরিশাল
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বরিশালে দিনব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের চিত্র, তথ্য ও দলিলপত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ৮ টায় নগরীর বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির (বিআরইউ) শহীদ জননী সাহান আরা বেগম স্মৃতি মিলনায়তনে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়।

বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে দিনব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের তথ্য ও দলিলপত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড মোঃ ছাদেকুল আরেফিন।

মুক্তিযুদ্ধের তথ্য ও দলিলপত্র প্রদর্শনী

উদ্বোধন শেষে  উপাচার্য বলেন,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান , মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা এই তিনে কোন আপোষ নেই। আর তরুণ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরছেন  বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ধারাবাহিক সরকার গঠন করায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে  বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি   রেজিস্ট্রার ড বাহাউদ্দীন গোলাপ, বিআরইউ সাবেক সভাপতি, মুক্তিযুদ্ধের গবেষক আনিসুর রহমান খান স্বপন, সুশান্ত ঘোষ,  আলী জসীম, বিআরইউ সভাপতি নজরুল বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক মিথুন সাহা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে প্রধান অতিথি উপাচার্য প্রফেসর ড মোঃছাদেকুল আরেফিন বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে মুক্তিযুদ্ধের দলিলপত্র প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন।

মুক্তিযুদ্ধের চিত্র, তথ্য ও   দলিলপত্র প্রদর্শনীর বিষয়ে  বিআরইউ সাবেক সভাপতি, মুক্তিযুদ্ধের গবেষক আনিসুর রহমান খান স্বপন বার্তা২৪.কম কে জানান, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্মিলিত প্রায় সাড়ে তিনশত বই,দলিল পত্র,ছবিসহ বিভিন্ন প্রচার ও প্রশিক্ষনের নির্দশন প্রদর্শনীর জন্য উন্মুক্ত  রাখা হয়েছে।

  বিজয়ের ৫০ বছর

পাঠ্যবইয়ে কেউ ইচ্ছাকৃত ভুল করে থাকলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ সরকার কখনো ইসলামের বিরুদ্ধে কিছু করেনি, করবেও না বলে মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, নতুন পাঠ্যবইয়ে যা নেই, তা নিয়ে অপপ্রচার চলছে। তবে কোনো ভুলভ্রান্তি থাকলে তা সংশোধন করা হবে।

অপপ্রচারে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চিলে কান নিয়েছে শুনে চিলের পেছনে না দৌড়ে নিজের কানে হাত দিয়ে দেখুন। কান নিজের কাছে আছে কিনা। তবে পাঠ্যবইয়ে কেউ ইচ্ছাকৃত ভুল করে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃতী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, যা ভুল হয়েছে তা সংশোধন করা হয়েছে। আরও করা হচ্ছে। এজন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি কাজ করছে। ওয়েবসাইটে গিয়েও কেউ মতামত দিতে পারেন। ভাষা বা তথ্যগত কোনো ভুল থাকলে অবশ্যই সংশোধন করা হবে। এছাড়া পাঠ্যবই প্রণয়নের সময় কেউ ইচ্ছাকৃত কোনো ভুল করে থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

পরে কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯টি অনুষদের ৫টি শিক্ষাবর্ষের স্মাতক ও ৬টি শিক্ষাবর্ষের স্মাতকোত্তর ১০৩ কৃতী শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদক ও সনদপত্র দেন শিক্ষামন্ত্রী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার।

 

  বিজয়ের ৫০ বছর

;

ঢাকায় ২৭ ফেব্রুয়ারি চালু হচ্ছে আর্জেন্টিনার দূতাবাস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকায় আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি চালু হতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনার দূতাবাস।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার দূতাবাস চালুর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি দু’দিনের সফরে ঢাকায় আসছেন আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো ক্যাফিয়েরো। ওই দিনই উদ্বোধন হতে পারে আর্জেন্টিনার দূতাবাস।

মূলত, বাংলাদেশে মেসি-ডি মারিয়াদের দেশের দূতাবাস চালু নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয় ফুটবল গত বিশ্বকাপের পরই। ফুটবল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রতি এ দেশের মানুষের ভালোবাসা ও শক্ত সমর্থন আলোচিত হয়েছিল গোটা বিশ্বে। একটি খেলার মাধ্যমে দু’দেশের মানুষের মধ্যে যে আবেগের সেতুবন্ধন সৃষ্টি হয়, তাকে আরও শক্ত করতে দু’দেশের শীর্ষ পর্যায় থেকেই শুরু হয় আলাপ-আলোচনা। এরই ধারাবাহিকতায় এবার বাংলাদেশের মাটিতে খুলছে আর্জেন্টিনার দূতাবাস।

গত বছরের ডিসেম্বরে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ফুটবলের শিরোপা জয়ের পর অভিনন্দন জানিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজকে চিঠি পাঠান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই শুভেচ্ছা বার্তার প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে লবার্তো ফার্নান্দেজও পাল্টা চিঠি দেন। সেই চিঠিতে ছিল এই দূতাবাস চালুর ইঙ্গিত।

  বিজয়ের ৫০ বছর

;

পরিবেশ ও জলবায়ু রক্ষায় কাজ করছে চসিক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
চসিক মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী

চসিক মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আজকে পরিবেশ হুমকির মুখে। পরিবেশকে রক্ষা করতে পারে মানুষের সচেতনতা ও নাগরিক দায়িত্ববোধ।

সোমবার ( ৩০ জানুয়ারি) বিকাল ৪টায় নগরের চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামের পরিবেশ বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এ্যাড ভিশন বাংলাদেশের ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

চসিক মেয়র বলেন, নাগরিক দায়িত্ববোধকে নিজেদের দায়িত্ব মনে করে চট্টগ্রামের পরিবেশ রক্ষায় প্রত্যক্ষভাবে নানা সামাজিক কাজে নাগরিক সচেতনতা তৈরি করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এ্যাড ভিশন বাংলাদেশ। এটাকে পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনের প্রতিকৃতও বলা যায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন এ্যাড ভিশন বাংলাদেশের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও নগর আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর।

সংগঠনের চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা শেখ নওশেদ সারোয়ার পিল্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার উদ্বোধন করেন ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্ট এন্ড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো আব্দুল আজিজ। সাংবাদিক ও উপস্থাপক আমিনুল হক শাহীন ও বাচিক শিল্পী সোমা মুৎসুদ্দির পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চসিক প্যানেল মেয়র আলহাজ্ব মো গিয়াসউদ্দিন, কাউন্সিলর আব্দুস সালাম মাসুম, আব্দুল মান্নান, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি দেবাশীষ নাথ দেবু, দারিদ্র্য বিমোচন ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান চৌধুরী রানা, পটিয়া উপজেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মহানগর যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহানারা সাবের, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির সমন্বয়ক স ম জিয়াউর রহমান, কাট্রলী আর্থসামাজিক সমবায় সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ ইউসুফ, সাধারণ সম্পাদক মৌসুমী চৌধুরী।

আলোচনা সভা শেষে সংগঠনের ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ১৫ জন ব্যক্তিকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।

  বিজয়ের ৫০ বছর

;

১ ফেব্রুয়ারি বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে ঐতিহ্যবাহী অমর একুশে গ্রন্থমেলা শুরু হচ্ছে বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি)। ওইদিন বিকেল ৩টায় বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বাংলা একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মোহাম্মদ নুরুল হুদা একথা জানান।

ওইদিন প্রধানমন্ত্রী বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত সাতটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচনসহ ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২২’ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বাংলা একাডেমির সভাপতি লেখক সেলিনা হোসেন এবং স্বাগত বক্তব্য রাখবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মোহাম্মদ নুরুল হুদা। এবারের গ্রন্থমেলার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘পড় বই, গড় দেশ : বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমির সচিব (যুগ্ম সচিব) এ এইচ এম লোকমান, বিকাশের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা মীর নওবুত আলী এবং ক্রস ওয়ার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মারুফ।

২০২০ সালে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের কারণে ঐতিহ্যবাহী গ্রন্থমেলা শুরু হয় ২ ফেব্রুয়ারি। আর বৈশ্বিক করোনাভাইরাস মহামারির কারণে, ২০২১ সালে ১৮ মার্চ এবং ২০২২ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গ্রন্থমেলা শুরু হয়।

গ্রন্থমেলা কর্মদিবসে বিকাল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এবং সরকারি ছুটির দিনে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং দুপুরে খাবার ও নামাজের জন্য এক ঘণ্টা বিরতি থাকবে বলে জানিয়েছেন অমর একুশে গ্রন্থমেলা কমিটির সদস্য সচিব ড. কে এম মুজাহিদুল ইসলাম।

৬০১টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯০১টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বাংলা একাডেমি মাঠে ১১২টি প্রতিষ্ঠানকে ১৬৫টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৪৮৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৩৬টি স্টল বরাদ্দ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তাছাড়া এ বছর মোট ৩৮টি প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ করা হয়েছে। গত বছর ৫৩৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৭৪টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে ১৫৩টি স্টল থাকবে, যা ২০২২ সালে ছিল ১২৭টি, ২০২১ সালে ১৪০টি এবং ২০২০ সালে ১৫৫টি।

যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গ্রন্থমেলা ভেন্যু ও এর আশেপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে এবং মেলার ১১ লাখ বর্গফুট জায়গার প্রতিটি স্থান সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে।

বাংলা একাডেমির পরিচালক (প্রশাসন, মানবসম্পদ ও পরিকল্পনা বিভাগ) মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, স্টল ও প্যাভিলিয়ন এবং প্রবেশ ও প্রস্থান পয়েন্টের ব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। শৃঙ্খলা ও মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করা হবে এবং আগের অ্যানালগ তথ্য বোর্ডগুলোর পরিবর্তে ডিজিটাল বোর্ড স্থাপন করা হবে।

ড. মুজাহিদ বলেন, আমরা এ বছর দুটি কারণে এই ধরনের পরিবর্তন এনেছি- এক, বাংলা একাডেমির কাছে মেট্রোরেল স্টেশন থাকা; দুই, প্রকাশকদের অনুরোধে ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স এলাকা থেকে মেলার মূল আঙিনায় ১৮২টি স্টলসহ সাতটি প্যাভিলিয়ন স্থানান্তর করা।

এবারের বইমেলায় স্টল স্থাপনে বড় ধরনের পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে, কারণ আগের গুচ্ছ পদ্ধতি পরিবর্তন করা হচ্ছে এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অভ্যন্তরে ৭৩৬টি স্টলের সবগুলোই এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে দর্শনার্থীরা মেলার যেকোনো কোণে দাঁড়িয়ে পুরো মেলাপ্রাঙ্গণ দেখতে পারেন। এছাড়া প্রকাশকদের অনুরোধে ১৮২টি স্টলসহ সাতটি প্যাভিলিয়ন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন এলাকা থেকে মেলার মূল ভেন্যুতে স্থানান্তর করা হয়েছে। আর একারনে মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় প্রবেশের মূল ফটক পরিবর্তন করা হয়েছে। বাংলা একাডেমির ঠিক বিপরীতে অবস্থিত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মন্দির গেটটিই হবে প্রবেশের প্রধান ফটক।

ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের কাছে পুলিশ, আনসার ও ফায়ার সার্ভিসের মতো সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের স্টল স্থাপন করা হয়েছে এবং মূল ভেন্যুর বাইরে দুটি স্থান ফুড কোর্টের জন্য রাখা হয়েছে এবং অনুমোদনহীন, খোলা বা রাস্তার পাশের দোকানের মতো কোনো খাবারের দোকান থাকবে না। ‘শিশু চত্বর’ও আগের স্থান থেকে এ বছর সাধুসঙ্গ এলাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

মুজাহিদুল বলেন, বিগত বছরের মতো এবারও মেলার মূল মঞ্চ হবে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে, বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও ‘লেখক বলছি’ মঞ্চ তৈরি করা হবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে। এবারের গ্রন্থমেলার আরেকটি সংযোজন হচ্ছে ‘ডিজিটাল বোর্ড’, যা মেলার মূল পয়েন্টগুলোতে দৃশ্যমান হবে, যাতে নতুন প্রকাশিত বইসহ বিভিন্ন ধরনের তথ্য থাকবে, যাতে দর্শনার্থীরা সহজে অবহিত হতে পারেন। গ্রন্থমেলায় নিয়ম-কানুন ও নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে টাস্কফোর্স প্রথম দিন থেকেই ‘হার্ডলাইনে’ থাকবে । প্রকাশকদের প্রতিদিন মেলাপ্রাঙ্গণে আসা প্রতিটি নতুন বইয়ের তথ্য বাংলা একাডেমিতে জমা দিতে বলা হয়েছে।

এবারের গ্রন্থমেলা শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে চারটি পুরস্কার দেওয়া হবে। এর মধ্যে বইয়ের বিষয়বস্ত ও মান বিবেচনা করে ২০২২ সালে প্রকাশিত সর্বোচ্চ সংখ্যক বইয়ের জন্য ‘চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার’ দেওয়া হবে। বইয়ের শিল্প বিবেচনায় সেরা বইয়ের জন্য, তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ‘মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’ এবং শিশুদের ওপর ভিত্তি করে লেখা সেরা বইকে ‘রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই স্মৃতি পুরস্কার’ দেওয়া হবে। এবারের গ্রন্থমেলায় যারা অংশ নেবেন, সেরা অলঙ্করণ বিবেচনা করে তাদের মধ্য থেকে একটি স্টলকে ‘শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’ দেওয়া হবে।

  বিজয়ের ৫০ বছর

;