বাংলাদেশ সুবর্ণ পঞ্চাশ

  বিজয়ের ৫০ বছর


কনক জ্যোতি ও শাহ ইসকান্দার আলী স্বপন, কন্ট্রিবিউটিং করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বসভায় সৌরভে, গৌরবে ধ্বনিত হচ্ছে যৌবনদীপ্ত বাংলাদেশের সুবর্ণ পঞ্চাশ। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের সৌধ ছুঁয়ে মাথা উঁচিয়ে দাঁড়িয়েছিল যে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ, পঞ্চাশ বছরের বীরোচিত পদভারে ২০২১ সালে সে দেশ বিশ্বের বিস্ময়। অর্জন ও সম্ভাবনার এক নতুন দিগন্তের নাম সবুজে-শ্যামলে বর্ণিল বাংলাদেশ।

ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশ এখন 'স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী'র মাহেন্দ্রক্ষণে। ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর নয়মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানের কাছ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বিজয় অর্জনের ৫০ বছরপূর্তি পালনের জন্য বাংলাদেশ সরকার ঘোষণা করেছে একটি বার্ষিক পরিকল্পনা। সরকার ২৬ মার্চ ২০২১ থেকে ১৬ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালনের ঘোষণা দিয়েছে। ইতিহাসের প্রদীপ্ত ধারাবাহিকতায় একই সঙ্গে চলছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে 'মুজিব বর্ষ'। স্মৃতি, সত্তা, ভবিষ্যতের আবহমান বাংলাদেশ আর বাঙালি জাতি উদ্বেলিত চিত্তে ধ্বনিত করছে স্বাধীনতা ও বিজয়ের সুবর্ণ বার্তা।

২০০৮ সালের সংসদীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইস্তেহারের মধ্যে ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীকে সামনে রেখে "রূপকল্প ২০২১" ঘোষণা করে, যেখানে ২০২১ সালের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি উন্নয়নশীল, ডিজিটাল ও আধুনিক রাষ্ট্রে পরিণত করার প্রত্যয় দেয়া হয়, যা এখন বাস্তবায়নের পথে দ্রুত ধাবমান।

পঞ্চাশ বছরে বাংলাদেশের সাফল্যজনক অর্জন শুধু দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলেই নয়, সারা বিশ্বের জন্যই ঈর্ষণীয় দৃষ্টান্ত। জনপদের প্রতিটি ক্ষেত্রে আর মানুষের জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে স্বাধীনতা ও বিজয়ের আলোকশিখা দেদীপ্যমান হয়েছে উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার বাস্তব ও ইতিবাচক অভিঘাতে। দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষার প্রসার, নারী উন্নয়ন, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমিয়ে উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খোদ জাতিসংঘ বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে গৌরবান্বিত করেছে।

বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণ, মহেশখালীতে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ, মিরসরাইয়ে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরসহ সারা দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে। ধান, ফল, মাছ উৎপাদনে বিস্ময়কর বিকাশ হয়েছে। স্বাস্থ্যক্ষেত্রে, প্রসূতি ও মাতৃমৃত্যু রোধে, ডায়রিয়া প্রতিরোধে শিশুদের টিকাদান কর্মসূচিতে এবং বৈশ্বিক মহামারি করোনার প্রচণ্ড আঘাতের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহসিক ও অকুতোভয় বাংলাদেশ বিশ্বের সামনে রচনা করেছে 'সাকসেস স্টোরি'।

বিশ্বের স্পটলাইটে 'ডিজিটাল বাংলাদেশ'-এর স্বপ্ন বাস্তবে উদ্ভাসিত। প্রযুক্তি, কলাকৌশল থেকে কৃষি খাত পর্যন্ত লিপিবদ্ধ অভূতপূর্ব সাফল্যের আখ্যান বাংলাদেশের স্বর্ণালী অর্জন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের নিবিড় সমন্বিত ব্যবস্থাপনায়, ক্ষুদ্রঋণের ব্যবহারে, দারিদ্র বিমোচনে, বনায়ন ও বৃক্ষরোপণে, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সূচকের ইতিবাচক পরিবর্তনে, সার্বিক জীবনমানের উন্নতিতে বাংলাদেশে এগিয়ে চলেছে দুর্নিবার গতিতে।

বাংলাদেশ সুবর্ণ পঞ্চাশে সারা বিশ্ব অনুভব করেছে সাফল্যের বজ্রনির্ঘোষ।  ২০২০ সালের সূচক অনুযায়ী বাংলাদেশ বিশ্বের ৪১তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ, যে অর্থনৈতিক বিকাশের ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৩৫ সাল নাগাদ বাংলাদেশ বিশ্বের মোট ১৯৬টি দেশের মধ্যে ২৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে।

যে বাংলাদেশ একসময় ছিল শোষিত, বঞ্চিত, অবহেলিত, দারিদ্র্যপীড়িত, সে ইমেজ ইতিহাসের অতল গর্ভে বিলীন। যে বাংলাদেশকে নিয়ে পশ্চিমা-বিশ্ব উপহাস করত ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ বলে, সে বাংলাদেশ স্বনির্ভর ও আত্মমর্যাদায় ভাস্বর। বঙ্গবন্ধুর অনিঃশেষ অনুপ্রেরণায় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী, সুদক্ষ, সৃজনশীল ও সাহসী নেতৃত্বে বাংলাদেশ সুবর্ণ পঞ্চাশে বিশ্বের বিস্ময়, উন্নয়নের রোলমডেল।

বাংলাদেশ প্রতিপক্ষের অসহযোগিতাকে পদদলিত করে স্বঅর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করে। মহাশূন্যে উপগ্রহ পাঠায়। দক্ষিণ এশিয়ায় মানব উন্নয়ন সূচকে, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে বাংলাদেশে এগিয়ে চলে সবার আগে। উত্তেজনা ও সংঘাতের বাতাবরণে বাংলাদেশ শান্তির বার্তাবহ। শরণার্থী ও বিপন্নদের কাছে বাংলাদেশ শাশ্বত মানবিক মুখ।

যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের মধ্যে বাংলাদেশের স্থপতি  বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখিয়েছেন, সুবর্ণ পঞ্চাশে সেই অম্লান স্বপ্ন বাস্তবায়িত হচ্ছে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে ও কঠোর পরিশ্রমে।  অফুরন্ত সম্ভাবনার বাংলাদেশ স্বাধীনতা ও বিজয়ের অনির্বাণ চৈতন্যে রাশি রাশি স্বর্ণালী অর্জনের মাধ্যমে রচনা করেছে এমন এক নিজস্ব পথ, যা বিশ্বের সামনে হয়েছে অনুপ্রেরণার উৎস আর বাংলাদেশ ও বাঙালিকে প্রতিষ্ঠিত করেছে মর্যাদার হিমালয়-প্রতীম উচ্চতায়। 

   

ইতিহাসের পাতায় আজ ২৪ ফেব্রুয়ারি



ফিচার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
প্রিন্স চার্লস এবং লেডি ডায়ানা

প্রিন্স চার্লস এবং লেডি ডায়ানা

  • Font increase
  • Font Decrease

মানব সভ্যতার ইতিহাসে ঘটে নানা ঘটনা। বছর পার হয়ে গেলেও, সেসব স্মৃতি রয়ে যায় অমলিন। বছর পরিবর্তনের সাথে সাথে সেই তারিখগুলো তার ইতিহাসের স্মৃতি বয়ে নিয়ে আসে বার বার। আজ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ইতিহাসের পাতা স্মৃতিচারণ করলে পাওয়া যায় বেশ কিছু ঐতিহাসিক ঘটনা। চলুন তবে আজ জেনে নিই, না জানা অনেক কিছু।

১৯৫৫ সালে এই দিনে যুক্তরাজ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। তুষারপাতের ফলে ৩০ ফুট মোটা স্তর পড়ে এবং ৭০টির বেশি রাস্তায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এইদিন অতিরিক্ত কম তাপমাত্রার কারণে হাজার হাজার ভেড়া মারা গিয়েছিল।

কিন্ডার গার্ডেনের শিক্ষকতা ছেড়ে ব্রিটেনের রাজ পরিবারে লেডি ডায়ানার প্রবেশের পথ প্রশস্ত হয়েছিল এই দিনেই। ১৯৮১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রিন্স চার্লস এবং লেডি ডায়ানার বাগদান সম্পন্ন হয়। ব্রিটিশ রাজ পরিবারের এই বিয়ে বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে সাড়া জাগানো বিয়ের অনুষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

২০২২ সালের এই দিনে রাশিয়ার বর্তমান নেতা ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে একটি ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই যুদ্ধ দ্বিতীয় বছর পেরিয়ে তিনে, সহসাই এ যুদ্ধ থামার কোনো লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না। দিন দিন সংকট আরও জটিল হওয়ায় ক্লান্ত ও হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন ইউক্রেনের নাগরিকরা।

৮ম পোপ গ্রেগরি ১৫৮২ সালে আজকের তারিখে দিন গণনার নতুন পদ্ধতি ঘোষণা করেছিলেন। সেই দিনপঞ্জিকা ‘গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার’ নামে পরিচিত ছিল।

১৭৩৯ সালে কার্নালের যুদ্ধে ইরানের শাসক নাদির শাহের সেনাবাহিনী ভারতের মুঘল সম্রাট মুহাম্মদ শাহের বাহিনীকে পরাজিত করেছিল।

  বিজয়ের ৫০ বছর

;

৪ মাসের শিশুর বিশ্ব রেকর্ড



ফিচার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
শিশু কৈবল্যের বিশ্ব রেকর্ড

শিশু কৈবল্যের বিশ্ব রেকর্ড

  • Font increase
  • Font Decrease

কোনটা পাখি, কোনটা বই! শাকসবজি, ছবি-নবকজাতকদের বুদ্ধিমত্তায় এসব চিহ্নিত করা দুষ্কর ব্যাপার। সাধারণত দেড়-দু’বছর বয়েসে শিশুরা এসব আলাদা করতে শুরু করে।

মাত্র ৪ মাস বয়স। এসময় শিশুরা সাধারণত বুকের ওপর ভর দেওয়া শিখতে শুরু করে। শারীরিক অসুবিধা হলে কান্না করা ছাড়া আর বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করতে সামর্থ্য হওয়ার কথা নয়! প্রতিদিন দেখা পারিবারিক সদস্যদের চিনতেও অনেক শিশু হিমশিম খায়। সেই বয়সেইসর্বোচ্চ জিনিস চিহ্নিত করতে পারার বিশ্ব রেকর্ড অর্জন করা, যেন অবিশ্বাস্য ব্যাপার!   

২-৪ টি নয়, পুরো ১২০টির বেশি চিহ্নিত করে নোবেল ওয়ার্ল্ড রেকর্ডেসের সনদ অর্জন করেছে ৪ মাস বয়সী শিশু। ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের নাদিগামা শহরে জন্ম হয়েছিল সেই শিশুর। তার নাম কৈবল্য। তার মা হেমার নজরেই প্রথম মেয়ের প্রতিভা ধরা পড়ে এবং তিনি তা প্রকাশ্যে আনার সিদ্ধান্ত নেন।

একটি ভিডিওতে শিশু কন্যার বিভিন্ন বস্তু চিনতে পারার একটি ভিডিও করে তিনি কর্তৃপক্ষকে পাঠায়। যা দেখে নোবেল ওয়ার্ল্ড রেকর্ড দলের সকল অবাক হয়ে যায়। তারপর তারা শিশু কৈবল্যের প্রতিভা পরীক্ষা করে এবং তাকে যোগ্য মনে করে স্বীকৃতি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়।

কৈবল্যের বাবা মা এতে অনেক বেশি আনন্দিত। মেয়ের জন্য তারা সকলের কাছে আশির্বাদ প্রার্থনা করেন। সকলের ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন।   

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

  বিজয়ের ৫০ বছর

;

ইতিহাসের পাতায় আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি



ফিচার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তৈরি করা শহীদ মিনার

১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তৈরি করা শহীদ মিনার

  • Font increase
  • Font Decrease

ক্যালেন্ডারে সালের সংখ্যার পুনরাবৃত্তি না ঘটলেও প্রতি বছর ঘুরে ফিরে আসে একই তারিখ! ইতিহাসে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনাও, প্রতি বছরের সাথে ঘুরে ঘুরে স্মরণ করে মানুষ। আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক,  বিশ্বের ইতিহাসে আজকের দিনে কি হয়েছিল।

১৯৫২ সালে ভিত্তি স্থাপন করার পর নানা পরিবর্তনের পর বর্তমানে শহীদ মিনার  

এই দিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মাঠে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগকে স্বীকৃতি দিতে শহীদ মিনার তৈরি করা হয়। ছাত্রদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাত্র একদিন পরই গর্ব শহীদ মিনার মাথা তুলে দাঁড়ায়। যা এখন বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। রাতারাতি তৈরি হওয়া শহীদ মিনারের সাথেই স্থায়ীভাবে বাঙালির ঐতিহ্যের ভিত্তি গড়ে উঠতে শুরু করে।

জাপান মেরিন বাহিনীকে হারিয়ে মার্কিন সেনাদের বিজয় উল্লাস

১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র ইয়ো জিমার উপর পতাকা উত্তোলন করে। অবতরণের ৪ দিন পর মার্কিন সেনারা জাপানের আগ্নেয়গিরি এই দ্বীপটি দখল করে নেয়। জাপানের সৈন্যরা আমৃত্যু চেষ্টা করেও তাদের রুখতে পারেননি। রাজধানী টোকিও থেকে ৬৫০ মাইল দূরের এই দ্বীপটি পরবর্তীতে জাপানের উপর বোমা হামলা করার সময় ব্যবহার করা হয়।

ফিলিস্তিনি সন্ত্রাসীদের হাইজ্যাক করা প্লেন

টানা দুই দিন ভারতের আকাশে ১৭২ জন বন্দী করে রাখার পর, লুফথানসায় যাত্রীদের মুক্ত করে ফিলিস্তিনের সন্ত্রাসী দল। ১৯৭২ সালের এইদিনে আত্মসমর্পণ করে সেই সন্ত্রাসীরা। ৫শ মিলিয়ন ইউএস ডলার মুক্তিপণের বিনিময়ে ‘পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অফ ফিলিস্তিন’ দলের সদস্যরা যাত্রীদের মুক্তি দেয়।

স্পেনে বিদ্রোহী বাহিনীর দখল

স্পেনে এইদিনে ১৯৮১ সালে বিদ্রোহী সেনাবাহিনীর দখলদারিত্ব শুরু হয়। নতুন সরকার গঠন বিতর্কের জের ধরে ৩৫০ জন এমপিকে বন্দী করে নেয় তারা।
ইতিহাসের বয়ে চলা স্রোতের টানে কেবল পুরানো সব গল্প ভাসিয়ে আনে। দিন বয়ে যায়, প্রতিদিনের সেসব গল্প বছর ঘুরে ঘুরে বার বার ফিরে আসে। 

  বিজয়ের ৫০ বছর

;

বসন্তের বিকেলে ঝুম বৃষ্টিতে ভিজল রাজধানী!



ফিচার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আগুন রাঙা পলাশ-শিমুল আর কোকিলের ডাক। বসন্তের বৈশিষ্ট্য বলতে তো এই-ই! বসন্তের আবহাওয়া মানেই হিমেল হাওয়ার প্রকোপ শিথিল হওয়া আর আকাশ ঝকঝকে পরিষ্কার। কিন্তু প্রচলিত বৈশিষ্ট্যের প্রথা ভেঙে বসন্তের আকাশে ভিড় জমিয়েছে কালো মেঘ। ঝকঝকে সূর্য যেন আড়ালে লুকিয়ে দেখছে প্রকৃতির ভিন্ন রূপের লীলাখেলা।

বসন্তের বিকেলে নামা ঝুম বৃষ্টিতে রাজধানীর পিচ ঢালা রাস্তা ভিজে উঠলো। সাধারণত যা দেখা যায় বৈশাখে। যখন আসে কাল বৈশাখী ঝড়।

২০২৪ সালের শুরু থেকেই অপ্রকৃত প্রাকৃতিক রূপ যেন জানান দিচ্ছে পুরো বছর জুড়েই প্রকৃতি থাকবে বৈরী। স্বাভাবিক নয়, অস্বাভাবিক আবহাওয়ার সাথে আপোস করতে হবে বছর জুড়ে।

অন্যান্য বছরের চেয়ে এবছর শীত ছিল তুলনামূলক বেশি। প্রায় প্রতিবছরই শীতে কয়েকদিন শ্বৈতপ্রবাহ হয় । তবে ২০২৪ সালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নতুন রেকর্ডে পৌঁছেছিল। বছরের প্রথম দিকেই আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা জানিয়ে দেয় এই বছর প্রচণ্ড গরম পড়বে। এলনিনোর প্রভাবে এবছরের বৈশ্বিক তাপমাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়বে। যদিও শতভাগ নিশ্চিত হয়ে বলা সম্ভব নয়। তবে সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বছরের প্রথম মাসের কড়া শীতের মাঝেই আকাশ থেকে নেমে আসে জলের ধারা। শীতকালে বৃষ্টি দেখে অবাক বনে যায় সবাই। এবার বসন্তেও বৃষ্টিস্নাত হলো প্রকৃতি।

কালবৈশাখী আসতে এখনো ঢের দেরী। গ্রীষ্ম দূরে থাক, মাত্র তো বসন্ত এলো। বসন্ত আসার এক সপ্তাহের মাথায় এই বৃষ্টির আগমন সবাইকে অবাক করে দিয়েছে। অবুঝ শিশুরা মনের আনন্দে প্রথম বৃষ্টিতে আনন্দ করছে।

অন্যদিকে, প্রকৃতি মাতার এই অপরিচিত রূপও অনেকের মনে আশঙ্কা ও ভয় ধরিয়ে দিয়েছে।

  বিজয়ের ৫০ বছর

;