রোজ গার্ডেন থেকে লড়াই-সংগ্রামে বেড়ে ওঠা আ.লীগ

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯


নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃৃহীত

ছবি: সংগৃৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী এবং বর্তমান ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। ২৩ জুন ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ হিসেবে গোড়াপত্তনের পর থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দলটির ভূমিকা কম নয়। ১৯৭১ সালে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর এই সংগঠনটির নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার টিকাটুলীর কেএম দাস লেন রোডের রোজ গার্ডেন প্যালেসে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশেমের নেতৃত্বাধীন তৎকালীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একাংশের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’ প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন টাঙ্গাইলের মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং সাধারণ সম্পাদক টাঙ্গাইলের শামসুল হক।

প্রতিষ্ঠাকালীন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি হন টাঙ্গাইলের মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, সহ-সভাপতি হন আতাউর রহমান খান, শাখাওয়াত হোসেন ও আলী আহমদ। টাঙ্গাইলের শামসুল হক সাধারণ সম্পাদক। শেখ মুজিবুর রহমান, খন্দকার মোশতাক আহমদ ও এ কে রফিকুল হোসেনকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কোষাধ্যক্ষ হন ইয়ার মোহাম্মদ খান। এ সময় শেখ মুজিব কারাগারে ছিলেন। অন্যদিকে, পুরো পাকিস্তানের ক্ষেত্রে সংগঠনটির নাম রাখা হয় নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। এর সভাপতি হন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

২৩ জুনের পর দিন বিকেলে মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে ঢাকার আরমানিটোলা ময়দানে প্রায় চার হাজার লোকের উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে জনসভা করে আওয়ামী মুসলিম লীগ

১৯৫২ সালে শেখ মুজিবুর রহমান সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। পরের বছর ঢাকার 'মুকুল' প্রেক্ষাগৃহে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সম্মেলনে তাকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।

১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর দলটি কৃষক শ্রমিক পার্টি, পাকিস্তান গণতন্ত্রী দল ও পাকিস্তান খেলাফত পার্টির সঙ্গে মিলে যুক্তফ্রন্ট গঠন করে।

১৯৫৫ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত দলের তৃতীয় সম্মেলনে দলের নাম থেকে 'মুসলিম' শব্দটি বাদ দেওয়া হয়; নতুন নাম রাখা হয়: ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’।

১৯৬৬ সালের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পরে তিনি হয়ে ওঠেন বাঙালির একচ্ছত্র নেতা, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও জাতির জনক।

১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের পথ ধরেই বাঙালি জাতি স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা, ৩ নভেম্বর জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যার পর নেতৃত্ব শূন্যতায় পড়ে আওয়ামী লীগ। এরপর দলের হাল ধরেন বঙ্গবন্ধুকন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু সরকারের সাড়ে তিন বছর এবং ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ৫ বছর, ২০০৯ সাল থেকে দুইটি নির্বাচনের পর বর্তমান সময় পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকার পরিচালনা করছে।

২০২১ সালের মধ্যে ক্ষুধা, দারিদ্রমুক্ত, আধুনিক বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর সুখী, সমৃদ্ধ ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়াসহ বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করছে দলটি।

   

মিয়ানমার সরকার নয়, আরাকান আর্মি গুলি ছুড়েছে: ওবায়দুল কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে উত্তেজনা প্রসঙ্গে সেন্টমার্টিন’সে যে বুলেট পড়েছে, তা মিয়ানমার সরকার নয়, আরাকান আর্মি গুলি ছুড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে সরাসরি কোনো হামলার ঘটনা দেখা যায়নি। মিয়ানমারে বেশ কয়েকটি জাতিগত গোষ্ঠীর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের অংশ হিসেবে সম্ভবত বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো সাম্প্রতিক এসব ঘটনা ঘটিয়েছে, মিয়ানমার সরকার নয়।

বুধবার (১৯ জুন) মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদ পরবর্তী বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সীমান্তে গুলি আসতে পারে বা গুলির শব্দ শোনা যেতে পারে। এটা কি সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন! এসব ঘটনা তাদের বিদ্রোহীদের কারণে ঘটছে। এর জন্য আমরা কেন মিয়ানমার সরকারকে দায়ী করবো! যতদিন সম্ভব আমরা আলোচনা চালিয়ে যাবো।

সেন্টমার্টিন’স দ্বীপ ইস্যুতে ‘সরকার নতজানু পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে’, বিএনপির এমন অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিরোধীরা সরকারের সিদ্ধান্তকে ‘আজ্ঞাবহ’ হিসেবে আখ্যায়িত করছে। কিন্তু কীভাবে তা আজ্ঞাবহ হয়! সেন্টমার্টিন’সে যে বুলেট পড়েছে, সেটি মিয়ানমার সরকারের নয়, আরাকান আর্মির বিদ্রোহীদের ছোড়া।

এ সময় যুদ্ধের পরিবর্তে সংলাপের মাধ্যমে সংঘাত নিরসনে বাংলাদেশের অঙ্গীকারের কথা বলেন তিনি।

সীমান্তের নাফ নদী থেকে মিয়ানমারের যুদ্ধ জাহাজ সরিয়ে ফেলা হয়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, মিয়ানমারের জাহাজটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। রোহিঙ্গারা যখন জোয়ারের মতো বাংলাদেশে প্রবেশ করে, তখনও উস্কানি ছিল। মাঝে-মধ্যে আমাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সে সময়ে ওয়াশিংটনে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সশস্ত্র বাহিনী প্রধানদের যেকোনো পরিস্থিতিতে যুদ্ধ এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেন। মিয়ানমার উস্কানি দিলে আমরা সংলাপে বসবো এবং সমাধান বের করবো কিন্তু আমরা যুদ্ধে জড়াবো না।

তিনি বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যদি যুদ্ধে জড়াতে চান, তাহলে আমরা উস্কানি ফাঁদে পড়তে পারি। আমরা সরকারে আছি, আমাদের দায়িত্ব আছে।’

মুক্তিযুদ্ধে ফখরুলের অবদান নিয়ে প্রশ্ন তুলে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি জানি না, ফখরুল কী করেছিলেন বা মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন সেক্টরে তিনি যুদ্ধ করেছিলেন।

এ ধরনের দাবি করে কোনো লাভ নেই। সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রয়েছে। যদি সত্যি সত্যিই সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘিত হয় এবং আলোচনা ব্যর্থ হয়, যদি তারা সত্যিই আক্রমণ করে, তাহলে আমরা কি চুপ করে বসে থাকব! আমাদের জবাব দিতেই হবে।

এর আগে ১৫ জুন বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনা প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, আমাদের প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের অভ্যন্তরে কিছু সংঘর্ষ হচ্ছে। ৫৪টা কমিটি রয়েছে। এদের কারোর সঙ্গে কারোর মিল নেই। রাখাইন-আরাকান বিদ্রোহীরা প্রকাশে বিদ্রোহ করে যাচ্ছে। ওদের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের জন্য আমরা যদি সাফার করি, সেটাও তো অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক!

তিনি বলেন, মিয়ানমারে বর্তমানে মিলিটারি গভর্নমেন্ট। তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো বৈরিতা নেই। আলাপ-আলোচনার দরজা এখনো খোলা আছে। আমরা কথা বলতে পারি। যতক্ষণ কথা বলা যাবে, আলাপ-আলোচনা করা যাবে, ‘উই আর নট এ মুভ ডাউন’, এমন পর্যায় না হলে আমরা আলাপ-আলোচনা মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করছি এবং করে যাবো।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;

ভোটের রাজনীতির কারণে মহাসড়কে দুর্ঘটনা: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

সড়কে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা হচ্ছে মোটরসাইকেলের, এরপর অটোরিকশা। জনপ্রতিনিধিরা ভোটের রাজনীতি করতে গিয়ে অটোরিকশা মহাসড়কে চলাচলের অনুমতি দেয়ায় দুর্ঘটনা বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে ঈদুল আযহার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ইদানিং বেপরোয়া ড্রাইভিং, মোটরবাইক ও ইজিবাইকের কারণে দুর্ঘটনা বেড়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও দায় আছে। ভোটের রাজনীতি করতে গিয়ে তারা ইজিবাইকগুলোকে মহাসড়কে চলতে দিচ্ছেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজধানীতে একটি মোটরসাইকেলে দু'জন এবং হেলমেট পরার বাধ্যবাধকতা থাকায় দুর্ঘটনা অনেক কমেছে। এটা শুধু শহর নয়, মফস্বল ও‌ গ্রামেও মানছে। ‘নো‌ হেলমেট, নো‌ ফুয়েল’ কার্যকর করায় এটা সম্ভব হয়েছে। 

মন্ত্রী বলেন, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে দেশের অনেক জেলায় রাস্তা নষ্ট হয়ে গেছে। এসব রাস্তা‌ মেরামত করা জরুরি হয়ে পড়েছে। বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মহাসড়কগুলো শিগগিরই সংস্কার ও মেরামত করা হবে। এ ছাড়া এসব কাজের নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত রাখতে হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, পুরো বিশ্বই এখন অর্থনৈতিক মন্দার কবলে পড়েছে। সবাই ব্যয় সংকোচন করছে। সারা বিশ্বই এখন রণক্ষেত্র। বড় বড় দেশগুলো বিশ্বযুদ্ধের মহড়া দিচ্ছে। আমরাও এর শিকার হচ্ছি। এ কারণে বড় বড় প্রকল্পগুলো অনেকটা স্লো হয়ে গেছে। বিশ্বের অনেক দেশ অর্থ সংকোচন নীতি গ্রহণ করেছে। সারা বিশ্বে অর্থ সংকট কবে শেষ হবে তা বলা যাচ্ছে না।

পুরো বিশ্বই এখন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, সব দেশের রাজনীতি এখন কঠিন ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এ অবস্থায় বিদেশি ফান্ডিং কমে এসেছে। আমাদের এখন শ্যাম ও কুল দুটিই রক্ষা করে চলতে হচ্ছে।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;

বিএনপি ঈদের দিনেও সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছে: কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি ঈদের দিনেও সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার-অপপ্রচার করতে ছাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।  

মঙ্গলবার (১৮ জুন) আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মূল্যস্ফীতির কারণে কোরবানি কমেছে বিএনপির এমন অভিযোগ সত্য নয়, গত বছরের চেয়ে কোরবানি বেড়েছে। সমস্যা হচ্ছে বিএনপি ও মির্জা ফখরুলদের।

তিনি বলেন, আমিতো ঈদের দিনে বিরোধীদলকে কোনো কটাক্ষ করিনি। সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছি। ঈদের দিনটা অন্তত পারস্পরিক কাদা ছোড়াছুড়ি থেকে বিরত থাকি।

তিনি আরও বলেন, গতবছর ঈদুল আজহার প্রথমদিনে ১ কোটি ৩ হাজার কোরবানি হয়েছিল, এবার প্রথম দিনেই ৩ লাখ বেশি হয়েছে। আজ ও কাল সময় রয়েছে। মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের কাছাকাছি রয়েছে এ কথা স্বীকার করি। তবে পাকিস্তানের মতো ২৫ শতাংশ, তুর্কিয়ের মতো ৭০ শতাংশ কিংবা আর্জেন্টিনার মতো ৩০০ শতাংশ হয় নি। এত প্রোপাগান্ডা, সমালোচনা, কিছু বুদ্ধিজীবীতো বাংলাদেশকে শ্রীলঙ্কা বানিয়ে ছাড়তে চেয়েছিল। আমাদের আন্তরিকতা রয়েছে, চেষ্টা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অতীতের ভুলত্রুটি সংশোধন করার মানসিকতা রয়েছে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেন, সর্বোভৌমত্বের প্রতি কোথায় আঘাত হলো। সেন্টমাটিন থেকে জাহাজ সরে গেছে, ভেতরে যারা অনুপ্রবেশ করেছিল তাদেরও তারা ফিরিয়ে নিয়েছে। আরাকান বিদ্রোহীদের একটি গুলি সেন্টমার্টিনের দিকে এসেছিল। তারাতো সেদেশের সরকারের বিরুদ্ধে লড়ছে, মিয়ানমারের যে সরকার, যেভাবেই থাক। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা বা সংঘাত সরকারের পক্ষ থেকে উসকানি দেওয়া হয় নি। আমরাতো মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের আগেই বলেছি, আমরা কাউকে উসকানি দিবো না। তবে আক্রান্ত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাদের দুর্নীতি এবং তারা দায়িত্বে থাকার সময় কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এমন প্রশ্রের জবাবে বলেন, সরকারের নজরে আসার আগে কীভাবে ব্যবস্থা নেবে, ব্যক্তির দুর্নীতি তখন দুদকও তদন্ত করেনি, তখন আমরা কি করে জানবো। দুদকও এবং বিচার বিভাগ স্বাধীন তারা যে কারো দুর্নীতি তদন্ত করতে পারে, মামলা করতে পারে। এখানে সরকারের পক্ষ থেকে কোন রকম বাধা দেওয়া হয় নি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতিকে আশ্রয় প্রশয় দেন নি। যেই হোক তাকে বিচারের আওতায় আসতে হবে। কিন্তু যদি বিএনপি ও জাতীয় পার্টির শাসনামলের কথা বলি তখন কিন্তু অনেক দুর্নীতি ও সন্ত্রাস ছিল। তাদের বিচার হতো না।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;

খালেদা জিয়ার সঙ্গে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঈদুল আজহার রাতে দেখা করেছেন দলটির সিনিয়র ৬ জন নেতা।

সোমবার (১৭ জুন) রাতে তারা রাজধানীর গুলশানে ফিরোজা বাসভবনে যান।

বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া দলের নেতৃত্ব দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজ এলাকা ঠাকুরগাঁও ঈদ করায় কারণে তিনি শুভেচ্ছা বিনিময়ে যোগ দিতে পারেননি। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র জানায়, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা রাত ৮টা ৫ মিনিটে ফিরোজা বাসভবনে প্রবেশ করেন। খন্দকার মোশাররফ ছাড়াও খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান ও বেগম সেলিমা রহমান।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;