কড়া নিরাপত্তার চাদরে আবৃত সম্মেলনস্থল

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কড়া নিরাপত্তার চাদরে আবৃত আ.লীগের সম্মেলনস্থল/ ছবি: সুমন শেখ

কড়া নিরাপত্তার চাদরে আবৃত আ.লীগের সম্মেলনস্থল/ ছবি: সুমন শেখ

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লী‌গের ২১তম জাতীয় স‌ম্মেলন ঘি‌রে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ এর আশপা‌শের এলাকাজু‌ড়ে ক‌ঠোর নিরাপত্তা জোরদার ক‌রে‌ছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বা‌হিনী।  শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা ৩টায় শুরু হ‌তে যা‌চ্ছে আওয়ামী লী‌গের ২১তম স‌ম্মেলন।

সরেজমিনে দেখা যায়, সম্মেলনকে কেন্দ্র করে শাহবাগ, টিএসসি, মৎস্য ভবন ও দোয়েল চত্বর এলাকায় পুলিশ ও র‍্যাবের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ ইচ্ছুক নেতাকর্মীদের দুই-তিন স্তরের তল্লাশি পার হয়ে ভেতরে প্রবেশ করতে হচ্ছে। 

নিরাপত্তার অংশ হিসেবে চলেছে তল্লাশি/ছবি: শাহরিয়ার তামিম

এছাড়া তাৎক্ষণিক যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে টিএসসি এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে র‍্যাবের কমান্ডো টিম।

আরও দেখা যায়, ডিএমপি ও র‍্যাবের পক্ষ থেকে সম্মেলনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান দুইটি কমান্ড সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় জায়গায় নজরদারি পরিচালনা করতে স্থাপন করা হয়েছে অস্থায়ী ওয়াচ টাওয়ার।

কড়া নিরাপত্তায় নেতাকর্মীরা সম্মেলনস্থলে আসছেন/ছবি: শাহরিয়ার তামিম

এছাড়াও দেখা যায়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশের তিনটি গেট ও বের হওয়ার তিন গেটের প্রতিটিতে গেটওয়ে, আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের তল্লাশি করা হচ্ছে।

অন্যদিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে ও আশপাশ এলাকায় র‍্যাব ও পুলিশের ডগ স্কোয়াড সম্মেলনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে কথা ব‌লে জান‌া গে‌ছে, ২০ ও ২১ ডিসেম্বর দুই দিনব্যাপী সম্মেলন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত কর‌বে তারা।

ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘সম্মেলন ঘিরে পুলিশের পক্ষ থেকে তিন স্তরের নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে।’

   

ভোটের রাজনীতির কারণে মহাসড়কে দুর্ঘটনা: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

সড়কে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা হচ্ছে মোটরসাইকেলের, এরপর অটোরিকশা। জনপ্রতিনিধিরা ভোটের রাজনীতি করতে গিয়ে অটোরিকশা মহাসড়কে চলাচলের অনুমতি দেয়ায় দুর্ঘটনা বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে ঈদুল আযহার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ইদানিং বেপরোয়া ড্রাইভিং, মোটরবাইক ও ইজিবাইকের কারণে দুর্ঘটনা বেড়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও দায় আছে। ভোটের রাজনীতি করতে গিয়ে তারা ইজিবাইকগুলোকে মহাসড়কে চলতে দিচ্ছেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজধানীতে একটি মোটরসাইকেলে দু'জন এবং হেলমেট পরার বাধ্যবাধকতা থাকায় দুর্ঘটনা অনেক কমেছে। এটা শুধু শহর নয়, মফস্বল ও‌ গ্রামেও মানছে। ‘নো‌ হেলমেট, নো‌ ফুয়েল’ কার্যকর করায় এটা সম্ভব হয়েছে। 

মন্ত্রী বলেন, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে দেশের অনেক জেলায় রাস্তা নষ্ট হয়ে গেছে। এসব রাস্তা‌ মেরামত করা জরুরি হয়ে পড়েছে। বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মহাসড়কগুলো শিগগিরই সংস্কার ও মেরামত করা হবে। এ ছাড়া এসব কাজের নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত রাখতে হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, পুরো বিশ্বই এখন অর্থনৈতিক মন্দার কবলে পড়েছে। সবাই ব্যয় সংকোচন করছে। সারা বিশ্বই এখন রণক্ষেত্র। বড় বড় দেশগুলো বিশ্বযুদ্ধের মহড়া দিচ্ছে। আমরাও এর শিকার হচ্ছি। এ কারণে বড় বড় প্রকল্পগুলো অনেকটা স্লো হয়ে গেছে। বিশ্বের অনেক দেশ অর্থ সংকোচন নীতি গ্রহণ করেছে। সারা বিশ্বে অর্থ সংকট কবে শেষ হবে তা বলা যাচ্ছে না।

পুরো বিশ্বই এখন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, সব দেশের রাজনীতি এখন কঠিন ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এ অবস্থায় বিদেশি ফান্ডিং কমে এসেছে। আমাদের এখন শ্যাম ও কুল দুটিই রক্ষা করে চলতে হচ্ছে।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;

বিএনপি ঈদের দিনেও সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছে: কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি ঈদের দিনেও সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার-অপপ্রচার করতে ছাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।  

মঙ্গলবার (১৮ জুন) আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মূল্যস্ফীতির কারণে কোরবানি কমেছে বিএনপির এমন অভিযোগ সত্য নয়, গত বছরের চেয়ে কোরবানি বেড়েছে। সমস্যা হচ্ছে বিএনপি ও মির্জা ফখরুলদের।

তিনি বলেন, আমিতো ঈদের দিনে বিরোধীদলকে কোনো কটাক্ষ করিনি। সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছি। ঈদের দিনটা অন্তত পারস্পরিক কাদা ছোড়াছুড়ি থেকে বিরত থাকি।

তিনি আরও বলেন, গতবছর ঈদুল আজহার প্রথমদিনে ১ কোটি ৩ হাজার কোরবানি হয়েছিল, এবার প্রথম দিনেই ৩ লাখ বেশি হয়েছে। আজ ও কাল সময় রয়েছে। মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের কাছাকাছি রয়েছে এ কথা স্বীকার করি। তবে পাকিস্তানের মতো ২৫ শতাংশ, তুর্কিয়ের মতো ৭০ শতাংশ কিংবা আর্জেন্টিনার মতো ৩০০ শতাংশ হয় নি। এত প্রোপাগান্ডা, সমালোচনা, কিছু বুদ্ধিজীবীতো বাংলাদেশকে শ্রীলঙ্কা বানিয়ে ছাড়তে চেয়েছিল। আমাদের আন্তরিকতা রয়েছে, চেষ্টা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অতীতের ভুলত্রুটি সংশোধন করার মানসিকতা রয়েছে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেন, সর্বোভৌমত্বের প্রতি কোথায় আঘাত হলো। সেন্টমাটিন থেকে জাহাজ সরে গেছে, ভেতরে যারা অনুপ্রবেশ করেছিল তাদেরও তারা ফিরিয়ে নিয়েছে। আরাকান বিদ্রোহীদের একটি গুলি সেন্টমার্টিনের দিকে এসেছিল। তারাতো সেদেশের সরকারের বিরুদ্ধে লড়ছে, মিয়ানমারের যে সরকার, যেভাবেই থাক। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা বা সংঘাত সরকারের পক্ষ থেকে উসকানি দেওয়া হয় নি। আমরাতো মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের আগেই বলেছি, আমরা কাউকে উসকানি দিবো না। তবে আক্রান্ত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাদের দুর্নীতি এবং তারা দায়িত্বে থাকার সময় কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এমন প্রশ্রের জবাবে বলেন, সরকারের নজরে আসার আগে কীভাবে ব্যবস্থা নেবে, ব্যক্তির দুর্নীতি তখন দুদকও তদন্ত করেনি, তখন আমরা কি করে জানবো। দুদকও এবং বিচার বিভাগ স্বাধীন তারা যে কারো দুর্নীতি তদন্ত করতে পারে, মামলা করতে পারে। এখানে সরকারের পক্ষ থেকে কোন রকম বাধা দেওয়া হয় নি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতিকে আশ্রয় প্রশয় দেন নি। যেই হোক তাকে বিচারের আওতায় আসতে হবে। কিন্তু যদি বিএনপি ও জাতীয় পার্টির শাসনামলের কথা বলি তখন কিন্তু অনেক দুর্নীতি ও সন্ত্রাস ছিল। তাদের বিচার হতো না।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;

খালেদা জিয়ার সঙ্গে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঈদুল আজহার রাতে দেখা করেছেন দলটির সিনিয়র ৬ জন নেতা।

সোমবার (১৭ জুন) রাতে তারা রাজধানীর গুলশানে ফিরোজা বাসভবনে যান।

বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া দলের নেতৃত্ব দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজ এলাকা ঠাকুরগাঁও ঈদ করায় কারণে তিনি শুভেচ্ছা বিনিময়ে যোগ দিতে পারেননি। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র জানায়, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা রাত ৮টা ৫ মিনিটে ফিরোজা বাসভবনে প্রবেশ করেন। খন্দকার মোশাররফ ছাড়াও খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান ও বেগম সেলিমা রহমান।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;

ঈদুল আজহা সাধারণ মানুষের জন্য কষ্টকর: মির্জা ফখরুল



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঠাকুরগাঁও
ঈদুল আজহা সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর: মির্জা ফখরুল

ঈদুল আজহা সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর: মির্জা ফখরুল

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদুল আজহা সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর। কারণ যারা পশু কোরবানি করেন তারা বড় ধরনের মূল্যস্ফীতিতে আক্রান্ত ও প্রভাবিত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (১৭ জুন) ঈদের নামাজ শেষে ঠাকুরগাঁওয়ের নিজ বাসভবনে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের একথা বলে তিনি।

দলটির এই নেতা বলেন, কোরবানি ঈদে যারা মাংস সংগ্রহ করে রান্না করে খায়। তাদেরও কষ্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ বর্তমানে বাজারে মসলারও যে দাম তাতে সেসব তাদের পক্ষে সংগ্রহ বা ক্রয় করা খুব জটিল। দ্রব্যমূল্য যেভাবে বেড়েছে তাতে সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এতে ঈদুল আজহার যে আনন্দ সেই আনন্দ উপভোগ করার সুযোগ থাকছে না।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সম্পর্কে বলেন, আপনারা শুধু ওবায়দুল কাদেরের কথা বলেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাকে পছন্দ করি না। কারণ উনার কথার জবাব দিতে আমার রুচিতে বাধে।

ফখরুল আরও বলেন, যারা রাজনীতিতে আছেন ও ক্ষমতায় আছেন। তারা যদি সত্যকে উপলব্ধি করতে না পারেন। তারা যদি দেশের সমস্যা গুলো বুঝতে না পারেন। তারা যদি গণমানুষের আকাঙ্খা বুঝতে না পারেন। তাহলে তারা কীভাবে দেশ শাসন করবেন। সেটি আমরা দেড় যুগ ধরে দেখছি। এই দখলদারি সরকার জনগণের সব আকাঙ্খা গুলোকে পদধূলিত করে দিয়েছে। ভোটের অধিকার, গণতান্ত্রিতক অধিকার পদধূলিত করে তারা আজকে জোর করে শাসন চাপিয়ে দিয়েছে। এ জন্য জনগণ তাদের পছন্দ করে না। জনগণ তাদের ঘৃণা করতে শুরু করেছে। তারা শুধু মিথ্যা কথা বলে জোর করে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে ক্ষমতায় এসেছেন। এই জন্য আমি তাদের খুব বেশি গুরুত্ব দেই না।

তবে তিনি মিয়ানমার ও সেন্টমার্টিন ইস্যু তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে আরও বলেন, তারা যাই বলুক না কেন সেন্টমার্টিনে গোলাগুলি হচ্ছে। টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন সমস্ত জাহাজ বন্ধ হয়ে গেছে। সেখান দিয়ে যেতে পারছে না। এটাই সত্য তারা এই সত্যকে অস্বীকার করবে কীভাবে? কেন তাদের বিজিবি সেখানে যাচ্ছে বারবার। কেন সেনাবাহিনীর প্রধান বারবার বলছেন আমরা সর্তক আছি। বাস্তবে মিয়ানমারের ঘটনাবলি সমস্যা তৈরি করেছে। সেই সমস্যাতে সেন্টমার্টিনে জাহাজ যেতে পারছে না। সেখানকার অধিবাসীরা কষ্টে দিন পার করছেন এবং নিরাপত্তার অভাববোধ করছে। সেগুলো তারা স্বীকার না করে ভিত্তিহীন বানোয়াট কথা বলছেন।

এর আগে প্রথমে তিনি দলের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল-আজহার শুভেচ্ছা জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সাল আমিন সহ বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীর ।

  আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯

;