মুজিববর্ষ না মুজিবর্ষ, চলছে আলোচনা-সমালোচনা!

  বিজয়ের ৫০ বছর



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মুজিববর্ষ না মুজিবর্ষ, চলছে আলোচনা-সমালোচনা!

মুজিববর্ষ না মুজিবর্ষ, চলছে আলোচনা-সমালোচনা!

  • Font increase
  • Font Decrease

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষে দেশের মানুষকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের ৮ বিভাগের বিভাগীয় জেলা, জেলা ও উপজেলা স্টেডিয়াম ও বিজয় দিবসের নির্ধারিত ভেন্যু থেকে সাধারণ মানুষ জাতীয় পতাকা হাতে শপথ বাক্য পাঠ করবেন।

শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আরো কোটি মানুষের চোখ টিভি স্ক্রিন, ফেসবুক লাইভে। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বানানো শপথ মঞ্চে উঠলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, গেলেন ডায়াসের সামনে! তার পাশে ছোটবোন শেখ রেহানা। এরপরেই সবার চোখ কপালে উঠলো যে দিবসকে ঘিরে এত আয়োজন সেই মুজিববর্ষের বানানটাই ভুল করেছে আয়োজক কমিটি। এত বড় অনুষ্ঠান দেশসহ সারা বিশ্বের যেখানে চোখ থাকবে – সেই অনুষ্ঠানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লোগোটার বানানেই ভুল।

১৬ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার বিজয়ের ৫০ বছর ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত ‘মহাবিজয়ের মহানায়ক’ অনুষ্ঠানের শপথ বাক্য পাঠ অংশে এই বানান ভুল করেছে আয়োজক কমিটি। দেখা যায়- প্রধানমন্ত্রী যে ডায়াসে দাঁড়িয়ে শপথবাক্য পাঠ করাবেন সেখানে ‘সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের শপথ’ লেখার বদলে একটি 'ব' বাদ দিয়ে লেখা হয়েছে 'সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিবর্ষের শপথ’।

এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। দেশের এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষ্ঠানে বানান ভুল করা সহজেই মেনে নিতে পারছেন না কেউ-ই। তাদের দাবি, আয়োজক কমিটির উদাসীনতায় বানান ভুলের ঘটনা ঘটেছে।

কিন্তু, অনেকে এই বানানকে শুদ্ধ হিসেবে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। কেউ কেউ বলছে, মুজিববর্ষকে সংক্ষেপে মুজিবর্ষ লিখেছে এতে কোন ভুল নেই। তবে সমালোচনার পাল্লাই ভারী দেখা গেছে।

মাহবুব আল রশিদ খান নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, এতো বড় ভুল মেনে নিতে পারছি না, কাদের হাতে দায়িত্ব দেওয়া হয় মুজিববর্ষ লিখতে বানান কিভাবে ভুল করে??

আরেকজন লিখেছেন, মুজিব বর্ষের শপথ পাঠ করা হচ্ছে, কিন্তু মুজিববর্ষ বানান ভুল। এইরকম একটি জায়গায় ভুল মানা যায় কি? যারা আয়োজক কমিটি তাদের শাস্তির আওতায় আনা হোক।

এক ফেসবুক ব্যবহারকারী মজা করে লিখেছেন, এত বড় আয়োজনে ছোট্ট ত্রুটি নিয়ে মাতামাতির কী আছে? কী বলেন?  একটা 'ব' বাদ পড়েছে মাত্র!

এমন সমালোচনা আলোচনার মধ্যে ময়মনসিংহের ত্রিশালের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সৌমিত্র শেখর দে জানিয়েছেন ‘মুজিবর্ষ শুদ্ধ’ বানান না এটি ব্যাকরণগত ভুল।

তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘মুজিবর্ষ’ বলতে কোন শব্দ নেই, এটা ভুল হয়েছে। আয়োজক কমিটি এটি ভুল করেছেন। মুজিববর্ষ হবে মুজিবর্ষ কোন শব্দ হতে পারে না।’

কবি, প্রাবন্ধিক ও শিক্ষক সোহেল হাসান গালিব বার্তা২৪.কম’কে বলেন, মুজিবর্ষ ভুল বানান, এটা কোনভাবেই শুদ্ধ হতে পারে না। আয়োজক কমিটির ভুলে ‘ব’ বাদ পড়ে গেছে।   

এ বিষয়ে জানতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কামাল আবদুল নাসের চৌধুরীকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরীর সঞ্চালনায় শপথ পাঠ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

  বিজয়ের ৫০ বছর

আরো এক লাখ ৩৫ হাজার কর্মী মালয়েশিয়া যাবেন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease
মালয়েশিয়ায় ৬৫ হাজার বাংলাদেশি কর্মী পাঠানো হয়েছে। আরো ১ লাখ ৩৫ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত হয়ে গেছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন  রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সফররত মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুসন ইসমাইলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন। 

তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় অনেকে বেশি টাকা দিয়ে গিয়েছে। এটি একটা সমস্যা। মালয়েশিয়ায় নতুন সরকার এসেছে। তারা এ সমস্যা সমাধান করবে আশা করি। 

  বিজয়ের ৫০ বছর

;

বাংলাদেশ থেকে আলু, আম ও ফুলকপি নিতে চায় রাশিয়া



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সংগৃহীত

সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease
বাংলাদেশ থেকে আলু,আম ও ফুলকপি নিতে চায় রাশিয়া। ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার ভি. মান্টিটস্কি এ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
রবিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার ভি. মান্টিটস্কি  এর সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। 

রাশিয়ায় এ বছরই আলু রপ্তানি পুনরায় শুরু হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, আলু রপ্তানিতে রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা দেয়ার আগে দেশ থেকে অনেক আলু রপ্তানি হতো। সম্প্রতি রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ায় পুনরায় আলু রপ্তানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ বছরই রপ্তানি শুরু হবে। 

উল্লেখ্য, আলুতে ব্রাউনরট রোগের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ায় ২০১৪ সাল থেকে বাংলাদেশ থেকে আলু রপ্তানিতে রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।  আলুকে ব্যাকটেরিয়ামুক্ত ও নিরাপদ করতে বাংলাদেশ সরকার অনেকগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করায় ২০২২ সালের মার্চে রাশিয়া এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়। 

 রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার ভি. মান্টিটস্কি বলেন, বাংলাদেশের আম ও ফুলকপি অত্যন্ত সুস্বাদু ও উন্নত মানের। রাশিয়াতে এগুলো রপ্তানির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। আম ও ফুলকপি দ্রুত রাশিয়ায় নিতে চাই।
সাক্ষাৎকালে রাশিয়া থেকে ডিএপি ও পটাশিয়াম সার আনতে ‘সমঝোতা স্মারক’ (এমওইউ) স্বাক্ষরের বিষয়ে আলোচনা হয়। কৃষিমন্ত্রী বলেন, রাশিয়া থেকে আমরা পটাশিয়াম আমদানি করে থাকি। এ ব্যাপারে দুদেশের মধ্যে একটি এমওইউ বিদ্যমান রয়েছে, এটিকে নবায়ন করা হবে। একইসঙ্গে, রাশিয়া থেকে আমরা ডিএপি সার আনতে চাই। এ বিষয়েও একটি ‘সমঝোতা স্মারক’ (এমওইউ) স্বাক্ষর হবে শীঘ্রই। 

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধুরাষ্ট্র। স্বাধীনতা সংগ্রামের শুরু থেকেই রাশিয়ার সাথে বাংলাদেশের গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের এ সম্পর্ক অটুট থাকবে। ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিকসহ সকল ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

নির্বাচনে ভোটাররা আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন কিনা, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী ড. রাজ্জাক বলেন, ভোটাররা নির্বাচনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন নি। উপনির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হবে, এটিই স্বাভাবিক। জাতীয় সংসদ নির্বাচন, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এখনও ভোটারের ব্যাপক আগ্রহ ও উপস্থিতি রয়েছে। উন্নত দেশে যেখানে শতকরা ৪০ ভাগের মতো ভোট কাস্ট হয়, সেখানে আমাদের দেশে শতকরা ৮০-৮৫ ভাগ ভোট কাস্ট হয়। আগামী সাধারণ নির্বাচনেও ভোটারের ব্যাপক উপস্থিতি থাকবে। 

আওয়ামী লীগের পক্ষে ভোটাররা আছেন কিনা, তা যাচাই করতে বিএনপিকে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, বিএনপি জোট আগামী নির্বাচনে আসুক। 

  বিজয়ের ৫০ বছর

;

বাংলাদেশের প্রতি শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতির কৃতজ্ঞতা



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease
শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি রনিল বিক্রমাসিংহ তার দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য বাংলাদেশ সময়োপযোগী সহায়তার জন্য বাংলাদেশ সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন শ্রীলঙ্কায় ৭৫তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে
কলম্বোয় দেশটির রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে বিক্রমাসিংহ এ কৃতজ্ঞতা জানান।

ড. মোমেন "স্বাধীনতা প্যারেডে" যোগদান করেন। সেখানে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি।

এর আগে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম. আলী সাবরি এবং ড. মোমেন উভয়েই চলমান অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য আলোচনা, ব্যবসা ও বিনিয়োগে সহযোগিতা, পর্যটন এবং যোগাযোগ  সহযোগিতার দ্রুত বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। 

ড. মোমেন জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়নের জন্য ঢাকা-কলম্বো বিমান ভাড়া কমানোর জন্য  শ্রীলঙ্কার প্রতিপক্ষকে অনুরোধ করেন।

তিনি বর্ধিত শিপিং সংযোগের জন্য বাংলাদেশের ফিডার ভেসেলের জন্য অগ্রাধিকার বার্থিংয়ের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. বিমলা রাই পাউডিয়ালের সঙ্গে সাক্ষাত করেন যেখানে তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিনা রব্বানি খার। তিনি প্রতিমন্ত্রীর কাছে পুনর্ব্যক্ত করেন যে ১৯৭১ সালে নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর সংঘটিত নৃশংসতার জন্য পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাওয়া উচিত। 
 
ভারতের পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শ্রী ভি. মুরালীধরন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাঙ্গেও দেখা করেছেন। তারা আসন্ন দ্বিপাক্ষিক সফর এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন এবং দুই দেশের জনগণের স্বার্থে ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর জোর দেন।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সব মন্ত্রী বাংলাদেশের অব্যাহত অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের প্রশংসা করেন।
সন্ধ্যায়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশ যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, পাকিস্তান এবং কমনওয়েলথের মহাসচিব এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সফরে আগত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সম্মানে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক আয়োজিত সংবর্ধনায় যোগ দেন। 

  বিজয়ের ৫০ বছর

;

ঢাকার বায়ু আজ ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে রাজধানী ঢাকা। রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় দেখা যায়, এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ২৩৫ নিয়ে ঢাকার বাতাসের মান ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় ছিল।

১০১ থেকে ২০০-এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে।

অন্যদিকে ৩০১ থেকে ৪০০-এর এর মধ্যে থাকা একিউআইকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

এ তালিকায় ২০০ একিউআই স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে চীনের চেংদু; ১৯৯ নিয়ে তৃতীয় ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাই। এরপর চতুর্থ স্থানে থাকা পাকিস্তানের লাহোরের স্কোর ১৮৫ এবং পঞ্চম স্থানে থাকা তাইওয়ানের কাওশিউংয়ের স্কোর ১৮৩।

মেগাসিটি ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে ভুগছে বায়ুদূষণে। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদফতর ও বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো: ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলা।

বর্তমানে শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে নির্মাণকাজ, রাস্তার ধুলা ও অন্যান্য উৎস থেকে দূষিত কণার ব্যাপক নিঃসরণের কারণে ঢাকা শহরের বাতাসের গুণমান দ্রুত খারাপ হতে শুরু করে।

বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদফতরের মতে, বায়ু দূষণের কারণে বাংলাদেশে প্রতি বছর ৮০ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছেন।

  বিজয়ের ৫০ বছর

;