বৃষ্টি আইনে শান্তদের ২৮ রানে হারাল অজিরা

  ক্রিকেট কার্নিভাল


স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দ্বিতীয় ইনিংসের ১২তম ওভারে নামে তৃতীয় দফার বৃষ্টি। শেষ পর্যন্ত এবার বৃষ্টি জোরালোভাবে এলে আর খেলা মাঠে গড়াল না। বৃষ্টি নামার আগে ডিএলএস আইনে ২৮ রানে এগিয়ে ছিল অস্ট্রেলিয়া। শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবধানেই বাংলাদেশের বিপক্ষে সুপার এইটে নিজেদের প্রথম ম্যাচটা জিতল মিচেল মার্শের দল।

অ্যান্টিগায় বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে এটি ছিল তৃতীয় দফার বৃষ্টি। প্রথম দফায় টসের আগে বৃষ্টি নামলে ১৫ মিনিট দেরীতে হয় টস। পরে অজিদের ইনিংসের পাওয়ারপ্লে শেষের পরপরই ফের নামে বৃষ্টি। সেবার ম্যাচ বন্ধ ছিল ২০ মিনিট। এরপর খেলা শুরু হয়ে চলে আরও ৫ ওভার। সেখানে ১১ ওভার ২ বলে অজিদের সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ১০০ রান এবং বৃষ্টি আইনে তারা এগিয়ে ছিল ২৮ রানে। পরে তৃতীয় দফার বৃষ্টি না থামলে ম্যাচ জেতে অস্ট্রেলিয়া। 

বিশ্বকাপের শুরুটা জয় দিয়ে হলেও সুপার এইটে যাত্রা শান্ত-সাকিবদের হলো হার দিয়েই। ভিভ রিচার্ডস স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অজি অধিনায়ক মিচেল মার্শ। সেখানে ব্যাত করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৪০ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় বাংলাদেশের। 

জবাবে সেই লক্ষ্য তাড়ায় বৃষ্টি বাঁধা আসার আগে ৬ ওভার ২ বলেই ৬৪ রান তুলে ফেলে অজিরা। পরে বৃষ্টি থামার পর সেই ওভারেই ট্রাভিস হেডকে সাজঘরে ফেরান রিশাদ। ২১ বলে ৩১ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। দলীয় ৬৯ রানের মাথায় লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে মার্শকেও একই রাস্তা মাপান রিশাদ। তবে পিচে থিতু হয়ে আগ্রাসী ভঙ্গিতেই এগোতে থাকেন ওয়ার্নার। ৩৪ বলে তুলে ফেলেন ফিফটি এবং বৃষ্টি নামার আগে ৫৩ রানে অপরাজিত ছিলেন এই বাঁহাতি ওপেনার। 

এর আগে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই শূন্য রানে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম। তবে লিটন-শান্তর দ্বিতীয় উইকেটে ৫৮ রানের জুটি সেই চাপ সামলে নিয়েছিল অনেকখানি। সেখানে ২৫ বলে ১৬ রান করে ফেরেন লিটন। এদিকে রান রেট বাড়াতে ব্যাটিং অর্ডার বদলে ফ্লোটারের ভূমিকায় নামেন রিশাদ। তবে তা কাজে দিল না খুব একটা। কেবল ২ রান করে পরের ওভারেই আরেক স্পিনার ম্যাক্সওয়েলের বলে ফিরলেন তিনি। বিশ্বকাপে আগে যুক্তরাষ্ট্র সিরিজ থেকেই রান খরা কাটছিল না শান্তর। তবে অজিদের বিপক্ষে শুরু থেকেই হাত খুলে খেলতে থাকেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। এগোচ্ছিলেন ফিফটির দিকেই। তবে সেটি হলো না অ্যাডাম জ্যাম্পার ঘূর্ণিতে। দলীয় ৮৪ রানের মাথায় লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেরেন শান্ত। এর আগে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৩৬ বলে খেলেন দলীয় সর্বোচ্চ ৪১ রানের ইনিংস। 

ডাচদের বিপক্ষে অপরাজিত ৬৪ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেছিলেন সাকিব। তবে অজিদের বিপক্ষে কেবল ৮ রান করেই ফিরতে হলো তাকে। পরে ১৮তম ওভারের শেষ দুই বলে ফিরলেন মাহমুদউল্লাহ (২) ও মেহেদি (০)। শেষ পর্যন্ত হৃদয়ের ২৮ বলে ৪০ এবং ৭ বলে তাসকিনের ১৩ রানের ক্যামিওতে ১৪০ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় নাজমুল হোসেন শান্তর দল। অজিদের পক্ষে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন কামিন্স এবং দুটি উইকেট নেন জ্যাম্পা। 

সুপার এইটে বাংলাদেশের পরের ম্যাচ আগামীকাল (শনিবার)। একই মাঠে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটা শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৩০ মিনিটে। 

ইংল্যান্ডের হয়ে খেলা অ্যান্ডারসনের কাছে ‘দুনিয়ার সেরা কাজ’  



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাস বিদায় জানাল তার অন্যতম এক অধ্যায়কে। পেসার হিসেবে তিনি যা করে দেখালেন সেই রেকর্ড ভাঙ্গা যেন অবিশ্বাস্য। ২১ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ার, ১৮৮ টেস্ট, ৪০ হাজার ৩৭ ডেলিভারি এবং ৭০৪ উইকেট। এক লাইনে জেমস অ্যান্ডারসনের টেস্ট ক্যারিয়ারে ইতি টানা গেলেও ডানহাতি পেসের তোপে তিনি যা প্রভাব রেখে গেলেন তা যেন পুরো উপন্যাসের সমান।  

জাতীয় দলে খেলাটা যেকোনো ক্রিকেটারের কাছেই সম্মানের। তবে জিমির কাছে যেন ইংল্যান্ডের হয়ে খেলাটা দুনিয়ার সেরা কাজ। এই সেই কাজটি দীর্ঘ ২১ বছর ধরে করতে পারায় নিজেকে অনেক সৌভাগ্যবান বলে মনে করেন ৪১ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি। 

লর্ডসে গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনেই ইনিংস ও ১১৪ রানের ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নেয় ইংল্যান্ড। এটি দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের শেষ ম্যাচ খেলে ফেলেন জিমি। টেস্টের শুরু থেকেই জিমির জন্য প্রস্তুত ছিল বিদায়ী মঞ্চ। ম্যাচ শেষে সবার টুপি খোলা বিদায়। এমনকি যার নেতৃত্বে এই লর্ডসে অভিষেক হয়েছিল জিমির, সেই নাসের হুসেইন ড্রেসিংরুমে গিয়ে নিলেন তার সাক্ষাৎকার। এ যেন এক অনন্য মুহূর্ত। 

নাসের হুসেইনকে দেওয়া সেই সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে অ্যান্ডারসন বলেন, ‘এতটা দূর আসতে পেরে আমি খুবই খুশি। ক্যারিয়ারে বেশির ভাগ সময় চোটমুক্ত থাকতে পেরেছি। ইংল্যান্ডের হয়ে খেলা… এটা দুনিয়ার সেরা কাজ এবং আমি অনেক সৌভাগ্যবান যে এই কাজটা এত লম্বা সময় ধরে করতে পেরেছি।’

অ্যান্ডারসনের জন্য গতকালের সকালটা ছিল বেশ আবেগের। কারণ উইন্ডিজরা যখন ৬ উইকেট আগেই হারিয়ে বসেছে তখন সম্ভাব্য প্রথম সেশনেই শেষ হয়ে যাবে ম্যাচ এবং শেষ পর্যন্ত সেটিই হয়েছে। তবে অ্যান্ডারসনের রেখেছেন নিজের কথা। বিদায়বেলায় রেখেছেন চোখের পানি আটকে। ‘আজকের সকালটা অবশ্যই বেশ আবেগময় ছিল…। দুই দল সারিবদ্ধ দাঁড়িয়েছে আমার জন্য, দর্শকদের প্রতিক্রিয়া, সবকিছুই ছিল স্পেশাল। হ্যাঁ, এখনও চেষ্টা করছি আটকে রাখতে (চোখের পানি)…। আমি স্রেফ গর্বিত যে, ২০ বছরের বেশি সময় ধরে খেলে গেছি।’ 

  ক্রিকেট কার্নিভাল

;

কোপাকে ‘অপেশাদার টুর্নামেন্ট’ বললেন কানাডা কোচ 



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কোপার এবারের আসরের শুরু থেকেই আয়জকদের বিভিন্ন বিষয়ে ঘাটতি নিয়ে চলে আসছে সমালোচনা। আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন মাঠের ঘাস নিয়ে। এরপর উরুগুয়ে কোচ মার্সেলো বিয়েলসা তো সরাসরি এমন অভিযোগ জানিয়েছিলেন, মাঠ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে মানা করেছে আয়োজকরা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই আসরটি সবচেয়ে বেশি সমালোচনায় এলো উরুগুয়ে-কলম্বিয়ার মধ্যকার সেমি-ফাইনাল ম্যাচের পর গ্যালারিতে মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে। 

সেই মারামারির ঘটনার পর ম্যাচ ব্রডকাস্টে উরুগুয়ে ডিফেন্ডার হিমিনেজ বলেছিলেন, ‘তারা (কর্তৃপক্ষ) থামিয়ে দেওয়ার আগেই আমার বিষয়গুলো নিয়ে কিছু বলা উচিত। কারণ তারা পরে কিছু বলতে দেবে না। তারা চায় না এই বিপর্যয়ের ব্যাপারে আমরা কিছু বলি।’ এমনকি এটিও জানিয়েছিলেন সেই গ্যালারিতে ছিল তাদের পরিবারের সদস্যরাও এবং সেখান ছিল না কোনো নিরাপত্তা কর্মী। 

ঘটনাটির পর এক বিবৃতিতে মারামারির বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামার কথা জানায় কনমেবল। আর্জেন্টাইন গণমাধ্যমের সূত্রমতে, কনমেবলের তদন্তের তালিকায় আছেন ১০ জন ফুটবলার। স্বাভাবিকভাবেই সেই লিস্ট উরুগুয়ের ফুটবলারদের। এতেই আলোচিত এই আসরে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তাদের কোচ বিয়েলসা। এদিকে কানাডা কোচ জেসে মার্শ কোপাকে তো অপেশাদার টুর্নামেন্টই বলে বসলেন। 

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে রোববার বাংলাদেশ সময় ৬টায় নামবে উরুগুয়ে ও কানাডা। সেই ম্যাচকে সামনে রেখে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন দল দুটি কোচ। সেখানে মারামারির ঘটনা প্রসঙ্গে বিয়েলসা বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা ফুটবলারদের বিরুদ্ধে নয়, বরং যারা এমনটা করতে বাধ্য করেছে, তাদের বিরুদ্ধে হওয়া উচিত। এটা অপমানজনক।’ 

এদিকে কানাডা কোচ মার্শকেও সংবাদ সম্মেলনে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল কলম্বিয়া সমর্থক-উরুগুয়ে ফুটবলারদের সেই মারামারির ঘটনা নিয়ে। সেখানে এই মার্কিন কোচ বলেন, ‘আমি (বিয়েলসার সংবাদ সম্মেলন) পুরোটা দেখিনি। তবে তার কিছু মন্তব্য দেখেছি। কিছু বিষয়ের সঙ্গে আমি একমত। টুর্নামেন্ট আমার কাছে পেশাদার মনে হয়নি। এটির ব্যবস্থাপনায় অনেক সমস্যা আছে।’

  ক্রিকেট কার্নিভাল

;

টানা দ্বিতীয়বারের মতো উইম্বলডনের ফাইনালে জোকোভিচ-আলকারাজ 



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উইম্বলডনের আগের আসরে রেকর্ড ২৫তম গ্র্যান্ড স্লামের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন টেনিস বিশ্বের অন্যতম মহাতারকা নোভাক জোকোভিচ। তবে ২০২৩ সালের ১৭ জুলাইয়ের সেই ফাইনালে ৪ ঘণ্টা ৪২ মিনিটের লড়াই শেষে এই সার্বিয়ান তারকাকে থামিয়ে প্রথমবারের মতো উইম্বলডন জিতেছিল ২০ বছর বয়সী তরুণ কার্লোস আলাকারাজ। 

বছর ঘুরে আবারও উইম্বলডনের ফাইনালে হতে যাচ্ছে গত আসরের পুনরাবৃত্তি। রোববার ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে সেই জোকোভিচ আর আলাকারাজই। 

সেন্টার কোর্টে গতকাল সেমিতে দানিল মেদভেদেভকে ৩-১ সেটে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠে যায় আলকারাজ। এদিকে দিনের আরেক সেমিতে লরেনৎসো মুসেত্তিকে সরাসরি সেটে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে যান ৩৭ বছর বয়সী জোকোভিচ। 

গতবছরও সেমিতে মেদেভেদেভকে হারিয়েই ফাইনালে উঠেছিলেন আলকারাজ। এবারও হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি। এবং ফাইনালে শিরোপা ধরে রাখার মিশনের শেষ লড়াইয়েও আগের আসরের ফাইনালিস্ট জোকোভিচের সঙ্গেই লড়তে হবে বয়সে তার থেকে ১৭ বছরের ছোট এই তরুণ স্প্যানিশ তারকাকে। 

এদিকে সব মিলিয়ে এটি জোকোভিচের ৩৭তম গ্র্যান্ড স্লাম ফাইনাল। আগের ৩৬ বারের ফাইনালে ২৪টিতেই জিতে মার্গারেট কোর্টের রেকর্ড ২৪টি গ্র্যান্ড স্লামের কীর্তিতে ভাগ বসিয়েছেন জোকোভিচ। এবার তাই ইতিহাস গড়ার সামনে দাঁড়িয়ে এই সার্ব। আলাকারাজকে হারালেই ২৫তম গ্র্যান্ড স্লাম জিতে মার্গারেট কোর্টকে ছাড়িয়ে শিরোপার বিচারে এককভাবে শীর্ষে উঠে যাবেন জোকোভিচ।   

  ক্রিকেট কার্নিভাল

;

মরকেলকে ভারতের বোলিং কোচ হিসেবে চান গম্ভীর 



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সব জল্পনা-কল্পনা উড়িয়ে গত ৯ জুলাই গৌতম গম্ভীরকেই ভারতীয় দলের প্রধান কোচ বানায় গৌতম গম্ভীর। ভারতীয় এই সাবেক তারকা ক্রিকেটার দায়িত্ব নিয়েই বলেছিলেন রোহিত-কোহলিদের দায়িত্বে নেওয়ার পর বেতনাদির চুক্তি হচাপিয়ে তার চিন্তা সাপোর্টিং স্টাফ খোঁজাতে। গম্ভীর যেন এগোচ্ছেন সেই পথেই। ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর সূত্রমতে, কেকেআর একাডেমির প্রধান ও সাবেক ক্রিকেটার অভিষেক নায়ারকে সহকারী কোচ হিসেবে নিতে পারেন গম্ভীর। এবার জানা গেল বোলিং কোচ হিসেবে পছন্দের তালিয়ায় সবার ওপরে সাবেক প্রোটিয়া পেসার মরনে মরকেলকে রেখেছেন তিনি। 

খবরটি ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের। তাদের এক প্রতিবেদনের সূত্রমতে জানা যায়, মরকেলকে বোলিং কোচ হিসেবে ভারতের দলে ভেড়ানোর জন্য বিসিসিআইয়ের নিকট অনুরোধ করেছেন গম্ভীর। এমনকি মরকেলের সঙ্গে ইতিমধ্যে বিসিসিআইয়ের প্রাথমিক আলাপও হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ক্রিকবাজ। 

মরকেলের সঙ্গে এর আগেও কাজ করেছেন গম্ভীর। আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের মেন্টর হবার আগে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টের হয়ে দুই আসরে কাজ করেছেন তিনি। সেখানেই ফ্রাঞ্চাইজিটির বোলিং কোচ ছিলেন মরকেল।

প্রোটিয়াদের হয়ে তিন ফরম্যাটেই মাত মাতিয়েছেন মরকেল। তার এক যুগের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে খেলেছেন ৮৬টি টেস্ট, ১১৭টি ওয়ানডে ও ৪৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। 

এদিকে মরকেল ছাড়াও ভারতের বোলিং কোচ হিসেবে শোনা গেছে আরও কয়েক নাম। তবে সেই নামগুলো দেশটির সাবেক ক্রিকেটারদের। সেই তালিকার আছেন লক্ষ্মীপতি বালাজি, বিনয় কুমার ও জহির খান। 

  ক্রিকেট কার্নিভাল

;