বাটলারের চোখে রাশিদই সেরা

  ক্রিকেট কার্নিভাল


স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সাদা বলের ক্রিকেটে ইংলিশ ব্যাটারদের দাপট গেলো প্রায় এক দশকে এতোটাই বেশি যে বোলারদের মাঝে দুই একজন পেসার ছাড়া বাকীদের নাম কিংবা পারফর্ম্যান্স নিয়ে সেভাবে আলোচনা-ই হয় না। অ্যান্ডারসন-ব্রডরা তাদের লাল বলের সাফল্যের জন্য প্রশংসিত হন। তবে আর্চার ছাড়া কোনো জেনুইন বোলারকে নিয়ে সাদা বলে আলোচনা হয় না ব্যাটারদের মতো। সেখানে স্পিনারদের জন্য কাজটা আরও কঠিন। তবে মানিকে মানিক চেনে বলে একটা কথা তো আছে। ইংলিশ ক্যাপ্টেন জশ বাটলার সেটাই মনে করিয়ে দিলেন।

কোনো পেসার কিংবা ব্যাটার নয়। বাটলারের কাছে দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার একজন স্পিনার। লেগ স্পিনার আদিল রাশিদ ক্যাপ্টেনের সবচাইতে বড় ভরসার নাম। এমনটা অবশ্য রাতারাতি হয়ে যাননি রাশিদ। ক্যাপ্টেন নিজেই জানালেন সেটা।

রাশিদকে নিয়ে বাটলার বলেন, ‘আমরা সবসময়ই এটি বলি যে, আদিল রাশিদ আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। বেশ লম্বা সময় ধরেই সে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তার বোলিংয়ে অনেক বৈচিত্র্য আছে এবং উইকেট নেওয়ার মতো হুমকি জাগায় সে। একইসঙ্গে রানও আটকে রাখে।’

ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিংয়ে ইংলিশদের ম্যাচ জেতানোয় বড় অবদান রাখায় রাশিদকে প্রশংসায় ভাসান বাটলার।

সেন্ট লুসিয়ায় আট ওভারে বিনা উইকেটে ৭২ রান তুলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এরপর বোলিংয়ে এসে টানা ৩ ওভারের স্পেলে মাত্র ১৯ রান দেন আদিল। এরপর ১৭তম ওভারে এসেই ফেরান আন্দ্রে রাসেলকে। ওভারে খরচ মাত্র ২ রান। সবমিলিয়ে চার ওভারে দিয়েছেন মাত্র ২১। সাথে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।

লিভারপুলের সঙ্গেই থাকছেন ক্লপ



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কোনো কোচ এভাবে সবাইকে আবেগাপ্লুত করে বিদায় নিতে পারেন, সেটা ইয়ুর্গেন ক্লপের লিভারপুল ছাড়ার মুহূর্তটা না দেখলে হয়তো বুঝাই যেতো না। ইউরোপের ফুটবলে কোচদের যেখানে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই বিতাড়িত হওয়ার রেশিও বেশি, সেখানে ক্লপকে বিদায় দিতে চাননি অলরেডরা।

প্রায় সকলেই চেয়েছিলেন ক্লপ চালিয়ে যাবেন আরও কয়টা বছর। কিন্তু এক কথার মানুষ ক্লপ, ২০২৩-২৪ সিজনেই চুক্তি শেষ হওয়ার সাথে সাথে জানিয়েছেন বিদায়। নিয়োগ দেওয়া হয়েছে আর্নে স্লটকে।  এদিকে ক্লপও জানিয়েছেন তিনিও কোথাও আপাতত আর কোচিং করাচ্ছেন না। বলেছিলেন তার বিশ্রাম প্রয়োজন তার। নিচ্ছেনও সেটা। জানিয়েছেন এখনও লিভারপুল ছাড়া আর কোনো দলকে নিয়ে ভাবছেন না।

ক্লপ যে লিভারপুল ছাড়া আর কারও সাথে যুক্ত হচ্ছেন না আপাতত সেটার সত্যতা মিললো আরেকবার। আরও একবার লিভারপুলের সাথে পার্টনারশিপে ইয়ুর্গেন। এবার অবশ্য কাজটা ডাগআউটে নয়। যুক্ত হয়েছেন লিভারপুল ফাউন্ডেশনের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে। এমনটাই নিশ্চিত করেছে ক্লাবটার চ্যারিটি ফাউন্ডেশনটি।

২০১৫ থেকে ২০২৪ এই সময়ে তার অধীনে লিভারপুল খেলেছে ৪৮৯ ম্যাচ। জিতেছেন সম্ভাব্য সব শিরোপা। ফিরিয়ে এনেছিলেন অলরেডদের হারানো গৌরব। কোচ কিংবা ম্যানেজার ছাপিয়ে অলরেডদের নিজেদেরই একজন। তাইতো তার সাথে চ্যাপ্টার ক্লোজ হয়েও হলো না শেষ।

  ক্রিকেট কার্নিভাল

;

ইংল্যান্ডের হয়ে খেলা অ্যান্ডারসনের কাছে ‘দুনিয়ার সেরা কাজ’  



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাস বিদায় জানাল তার অন্যতম এক অধ্যায়কে। পেসার হিসেবে তিনি যা করে দেখালেন সেই রেকর্ড ভাঙ্গা যেন অবিশ্বাস্য। ২১ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ার, ১৮৮ টেস্ট, ৪০ হাজার ৩৭ ডেলিভারি এবং ৭০৪ উইকেট। এক লাইনে জেমস অ্যান্ডারসনের টেস্ট ক্যারিয়ারে ইতি টানা গেলেও ডানহাতি পেসের তোপে তিনি যা প্রভাব রেখে গেলেন তা যেন পুরো উপন্যাসের সমান।  

জাতীয় দলে খেলাটা যেকোনো ক্রিকেটারের কাছেই সম্মানের। তবে জিমির কাছে যেন ইংল্যান্ডের হয়ে খেলাটা দুনিয়ার সেরা কাজ। এই সেই কাজটি দীর্ঘ ২১ বছর ধরে করতে পারায় নিজেকে অনেক সৌভাগ্যবান বলে মনে করেন ৪১ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি। 

লর্ডসে গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনেই ইনিংস ও ১১৪ রানের ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নেয় ইংল্যান্ড। এটি দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের শেষ ম্যাচ খেলে ফেলেন জিমি। টেস্টের শুরু থেকেই জিমির জন্য প্রস্তুত ছিল বিদায়ী মঞ্চ। ম্যাচ শেষে সবার টুপি খোলা বিদায়। এমনকি যার নেতৃত্বে এই লর্ডসে অভিষেক হয়েছিল জিমির, সেই নাসের হুসেইন ড্রেসিংরুমে গিয়ে নিলেন তার সাক্ষাৎকার। এ যেন এক অনন্য মুহূর্ত। 

নাসের হুসেইনকে দেওয়া সেই সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে অ্যান্ডারসন বলেন, ‘এতটা দূর আসতে পেরে আমি খুবই খুশি। ক্যারিয়ারে বেশির ভাগ সময় চোটমুক্ত থাকতে পেরেছি। ইংল্যান্ডের হয়ে খেলা… এটা দুনিয়ার সেরা কাজ এবং আমি অনেক সৌভাগ্যবান যে এই কাজটা এত লম্বা সময় ধরে করতে পেরেছি।’

অ্যান্ডারসনের জন্য গতকালের সকালটা ছিল বেশ আবেগের। কারণ উইন্ডিজরা যখন ৬ উইকেট আগেই হারিয়ে বসেছে তখন সম্ভাব্য প্রথম সেশনেই শেষ হয়ে যাবে ম্যাচ এবং শেষ পর্যন্ত সেটিই হয়েছে। তবে অ্যান্ডারসনের রেখেছেন নিজের কথা। বিদায়বেলায় রেখেছেন চোখের পানি আটকে। ‘আজকের সকালটা অবশ্যই বেশ আবেগময় ছিল…। দুই দল সারিবদ্ধ দাঁড়িয়েছে আমার জন্য, দর্শকদের প্রতিক্রিয়া, সবকিছুই ছিল স্পেশাল। হ্যাঁ, এখনও চেষ্টা করছি আটকে রাখতে (চোখের পানি)…। আমি স্রেফ গর্বিত যে, ২০ বছরের বেশি সময় ধরে খেলে গেছি।’ 

  ক্রিকেট কার্নিভাল

;

কোপাকে ‘অপেশাদার টুর্নামেন্ট’ বললেন কানাডা কোচ 



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কোপার এবারের আসরের শুরু থেকেই আয়জকদের বিভিন্ন বিষয়ে ঘাটতি নিয়ে চলে আসছে সমালোচনা। আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন মাঠের ঘাস নিয়ে। এরপর উরুগুয়ে কোচ মার্সেলো বিয়েলসা তো সরাসরি এমন অভিযোগ জানিয়েছিলেন, মাঠ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে মানা করেছে আয়োজকরা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই আসরটি সবচেয়ে বেশি সমালোচনায় এলো উরুগুয়ে-কলম্বিয়ার মধ্যকার সেমি-ফাইনাল ম্যাচের পর গ্যালারিতে মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে। 

সেই মারামারির ঘটনার পর ম্যাচ ব্রডকাস্টে উরুগুয়ে ডিফেন্ডার হিমিনেজ বলেছিলেন, ‘তারা (কর্তৃপক্ষ) থামিয়ে দেওয়ার আগেই আমার বিষয়গুলো নিয়ে কিছু বলা উচিত। কারণ তারা পরে কিছু বলতে দেবে না। তারা চায় না এই বিপর্যয়ের ব্যাপারে আমরা কিছু বলি।’ এমনকি এটিও জানিয়েছিলেন সেই গ্যালারিতে ছিল তাদের পরিবারের সদস্যরাও এবং সেখান ছিল না কোনো নিরাপত্তা কর্মী। 

ঘটনাটির পর এক বিবৃতিতে মারামারির বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামার কথা জানায় কনমেবল। আর্জেন্টাইন গণমাধ্যমের সূত্রমতে, কনমেবলের তদন্তের তালিকায় আছেন ১০ জন ফুটবলার। স্বাভাবিকভাবেই সেই লিস্ট উরুগুয়ের ফুটবলারদের। এতেই আলোচিত এই আসরে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তাদের কোচ বিয়েলসা। এদিকে কানাডা কোচ জেসে মার্শ কোপাকে তো অপেশাদার টুর্নামেন্টই বলে বসলেন। 

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে রোববার বাংলাদেশ সময় ৬টায় নামবে উরুগুয়ে ও কানাডা। সেই ম্যাচকে সামনে রেখে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন দল দুটি কোচ। সেখানে মারামারির ঘটনা প্রসঙ্গে বিয়েলসা বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা ফুটবলারদের বিরুদ্ধে নয়, বরং যারা এমনটা করতে বাধ্য করেছে, তাদের বিরুদ্ধে হওয়া উচিত। এটা অপমানজনক।’ 

এদিকে কানাডা কোচ মার্শকেও সংবাদ সম্মেলনে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল কলম্বিয়া সমর্থক-উরুগুয়ে ফুটবলারদের সেই মারামারির ঘটনা নিয়ে। সেখানে এই মার্কিন কোচ বলেন, ‘আমি (বিয়েলসার সংবাদ সম্মেলন) পুরোটা দেখিনি। তবে তার কিছু মন্তব্য দেখেছি। কিছু বিষয়ের সঙ্গে আমি একমত। টুর্নামেন্ট আমার কাছে পেশাদার মনে হয়নি। এটির ব্যবস্থাপনায় অনেক সমস্যা আছে।’

  ক্রিকেট কার্নিভাল

;

টানা দ্বিতীয়বারের মতো উইম্বলডনের ফাইনালে জোকোভিচ-আলকারাজ 



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উইম্বলডনের আগের আসরে রেকর্ড ২৫তম গ্র্যান্ড স্লামের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন টেনিস বিশ্বের অন্যতম মহাতারকা নোভাক জোকোভিচ। তবে ২০২৩ সালের ১৭ জুলাইয়ের সেই ফাইনালে ৪ ঘণ্টা ৪২ মিনিটের লড়াই শেষে এই সার্বিয়ান তারকাকে থামিয়ে প্রথমবারের মতো উইম্বলডন জিতেছিল ২০ বছর বয়সী তরুণ কার্লোস আলাকারাজ। 

বছর ঘুরে আবারও উইম্বলডনের ফাইনালে হতে যাচ্ছে গত আসরের পুনরাবৃত্তি। রোববার ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে সেই জোকোভিচ আর আলাকারাজই। 

সেন্টার কোর্টে গতকাল সেমিতে দানিল মেদভেদেভকে ৩-১ সেটে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠে যায় আলকারাজ। এদিকে দিনের আরেক সেমিতে লরেনৎসো মুসেত্তিকে সরাসরি সেটে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে যান ৩৭ বছর বয়সী জোকোভিচ। 

গতবছরও সেমিতে মেদেভেদেভকে হারিয়েই ফাইনালে উঠেছিলেন আলকারাজ। এবারও হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি। এবং ফাইনালে শিরোপা ধরে রাখার মিশনের শেষ লড়াইয়েও আগের আসরের ফাইনালিস্ট জোকোভিচের সঙ্গেই লড়তে হবে বয়সে তার থেকে ১৭ বছরের ছোট এই তরুণ স্প্যানিশ তারকাকে। 

এদিকে সব মিলিয়ে এটি জোকোভিচের ৩৭তম গ্র্যান্ড স্লাম ফাইনাল। আগের ৩৬ বারের ফাইনালে ২৪টিতেই জিতে মার্গারেট কোর্টের রেকর্ড ২৪টি গ্র্যান্ড স্লামের কীর্তিতে ভাগ বসিয়েছেন জোকোভিচ। এবার তাই ইতিহাস গড়ার সামনে দাঁড়িয়ে এই সার্ব। আলাকারাজকে হারালেই ২৫তম গ্র্যান্ড স্লাম জিতে মার্গারেট কোর্টকে ছাড়িয়ে শিরোপার বিচারে এককভাবে শীর্ষে উঠে যাবেন জোকোভিচ।   

  ক্রিকেট কার্নিভাল

;